kalerkantho

মঙ্গলবার । ৮ আষাঢ় ১৪২৮। ২২ জুন ২০২১। ১০ জিলকদ ১৪৪২

সেপটিক ট্যাংকে ৬ টুকরো লাশ : আজহারের স্ত্রীসহ ইমাম ৫ দিনের রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক   

২৬ মে, ২০২১ ১৬:১৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সেপটিক ট্যাংকে ৬ টুকরো লাশ : আজহারের স্ত্রীসহ ইমাম ৫ দিনের রিমান্ডে

রাজধানীর দক্ষিণখানে মসজিদের সেপটিক ট্যাংক থেকে খণ্ডিত অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় আজহারের স্ত্রী আসমা আক্তার ও মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুর রহমানের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ বুধবার তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করলে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের ১০ দিন করে রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম নিভানা খায়ের জেসী তাদের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে মঙ্গলবার (২৫ মে) দক্ষিণখানের সরদার বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুর রহমানকে এবং সন্ধ্যায় রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী নিহত আজহারের স্ত্রী আসমা আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আজহারের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার জেরে তাকে গলাকেটে মরদেহ ৬ টুকরা করে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেন আব্দুর রহমান। র‌্যাব জানায়, মাওলানা আব্দুর রহমান সরদারবাড়ি জামে মসজিদে ৩৩ বছর ইমামতি করে আসছেন। ভিকটিম আজহারের চার বছরের ছেলে মসজিদের মক্তবে পড়াশোনা করত। ভিকটিম নিজেও তার কাছে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করতেন। এই সুবাদ ভিকটিমের বাসায় প্রায়ই যাওয়া-আসা করতেন ইমাম।

আজহারের স্ত্রীর দিকে ইমামের কুনজর রয়েছে বলে ধারণা করেন আজহার। এনিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয় এবং ইমামকে হুমকিও দেন আজহার। কিন্তু র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে কোনো সম্পর্ক থাকার কথা অস্বীকার করেছেন ইমাম। তবে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

ঘটনার বর্ণনায় জানা যায়, গত ১৯ মে তারিখে আব্দুর রহমানের সঙ্গে ভিকটিম আজহারের কথাকাটাকাটি হয়। কথাকাটির একপর্যায়ে ইমাম আব্দুর রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে আজহারের গলার ডানপাশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে ভিকটিম ঘটনাস্থলে মারা যান। পরবর্তীতে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে মরদেহ টুকরো টুকরো করে মসজিদের সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখে।



সাতদিনের সেরা