kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

বুড়িগঙ্গার জমির ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

নমনীয় হলে কোনোদিনই নদীর জমি দখলমুক্ত হবে না: প্রধান বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ মে, ২০২১ ১৭:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বুড়িগঙ্গার জমির ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

ফাইল ফটো

রাজধানীর কদমতলী থানাধীন মুন্সিখোলা এলাকায় একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বুড়িগঙ্গা নদীর জমির ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেছেন, আমরা যদি নমনীয় হই তবে কোনোদিনই নদীর জমি দখলমুক্ত হবে না।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ রবিবার এ আদেশ দেন। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে বিআইডব্লিউটএ’র করা এক আবেদনে এ আদেশ দেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। বিআইডব্লিউটএ’র পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ ও অ্যাডভোকেট মফিজুর রহমান। অপরপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট প্রবীর নিয়োগী।

কদমতলী থানাধীন মুন্সিখোলা এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর জায়গা দখল করে ‘ম্যাক এন্টারপ্রাইজ’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পাথর ব্যবসা করার অভিযোগ আনে বিআইডব্লিউটিএ। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের নির্দেশনা অনুসারে নদীর জমি উদ্ধারের লক্ষ্যে ২০১৯ সালের ২২ জুলাই ‘ম্যাক এন্টারপ্রাইজ’ ২০ হাজার টন পাথর জব্দ করে তা নিলামে তোলে। পরবর্তীতে একইবছরের ৫ আগস্টের মধ্যে সংশ্লিস্ট জমি হতে ‘ম্যাক এন্টারপ্রাইজ’ মালামাল সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেয়।
বিআইডব্লিউটিএ’র এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ‘ম্যাক এন্টারপ্রাইজ’ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল কাশেম হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। রিট আবেদনে বলা হয়, কদমতলি মৌজার ৫৯১, ৫৯২ এবং ৫৯৩ সিএস দাগের ২.৪০ একর সম্পত্তি ১৯৮৭ সালে সরকারের কাছ থেকে তারা কিনে নিয়েছে। মহানগর জরিপে রেকর্ডমূলে মালিকানা স্বত্বে এই জমিই তারা ব্যবহার করছে। এ রিট আবেদনে হাইকোর্ট ওইবছরের ২৯ অক্টোবর জমির দখলের উপর স্থিতিবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেন। এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছিল বিআইডব্লিউটিএ। আবেদনে বলা হয়, ঢাকার চারপাশের চারটি নদী বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষা, বালু তুরাগ রক্ষায় ২০০৯ সালে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া রায়ের আলোকে নদীর জমি সরকার কারো কাছে বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারে না।



সাতদিনের সেরা