kalerkantho

রবিবার । ৬ আষাঢ় ১৪২৮। ২০ জুন ২০২১। ৮ জিলকদ ১৪৪২

ফিলিস্তিনীদের সংগ্রাম ও স্বাধীনতার প্রতি সর্বস্তরের নাগরিকদের সংহতি

অনলাইন ডেস্ক   

২২ মে, ২০২১ ১৬:২০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



ফিলিস্তিনীদের সংগ্রাম ও স্বাধীনতার প্রতি সর্বস্তরের নাগরিকদের সংহতি

অবরুদ্ধ প্যলেস্টাইনীদের মানবাধিকার নিশ্চিত করতে বিশ্বের সকল মানবতাবাদী নাগরিক ও রাষ্ট্রকে ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে ঢাকাতে অনুষ্ঠিত এক সংহতি সভা থেকে।

আজ শনিবার সকাল ১১ টায় ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ফিলিস্তিনীদের সংগ্রাম ও স্বাধীনতার প্রতি সর্বস্তরের নাগরিকদের সমর্থন প্রকাশ করে এক সংহতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নির্দলীয় ভিত্তিতে জাতীয় আবেদন নিয়ে আয়োজিত এই সংহতি সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্ট নাগরিকগন বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতিক ও অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশিষ্ট মিডিয়া সংগঠক মজিবুর রহমান মন্জু।

করোনা পরিস্থিতি ও স্বাস্থ্য সতর্কতার কারণে অতিথিদের কেউ কেউ সশরীরে এবং বাকীরা ভিডিও বার্তায় তাদের সংহতি জানান।

সভায় সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন- গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, এবি পার্টির আহ্বায়ক ও অবসরপ্রাপ্ত সচিব এএফএম সোলায়মান চৌধুরী, একুশে পদক প্রাপ্ত শিক্ষাবিদ ও বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু ড. সুকোমল বড়ুয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইশতিয়াক আজিজ উলফাৎ, বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. মেজর (অব.) আব্দুল ওহাব মিনার, সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরু, ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা সাইয়েদ কামাল উদ্দিন জাফরী, সাবেক সেনা কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসান নাসির, কবি ও শিল্পী মুহিব খান, ব্যারিস্টার মেজর (অব.) সরোয়ার হোসেন, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনপিপি’র চেয়ারম্যান ক্বারী আবু তাহের, কর্ণেল (অব.) মোহাম্মদ আব্দুল হক, ব্যারিষ্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ব্যারিষ্টার জুবায়ের আহমেদ ভুইয়া, বিএম নাজমুল হক, ছাত্র অধিকার পরিষদের সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।

ভিডিও বার্তায় সভায় সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন অর্থনীতিবিদ ও রাজনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া, সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক সেনাবাহিনী প্রধান লে. জেনারেল (অব.) নুরুদ্দিন খান, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন, শিক্ষক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. দিলারা চৌধুরী, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, সামরিক বিশেষজ্ঞ মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী ও সঙ্গীত শিল্পী হায়দার হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ইসরায়েল কত ভয়ংকর তা আমরা দেখেছি ষাটের দশকে। আমি ১৯৬৯ সালে ইসরায়েল ভ্রমণে দেখেছি কিভাবে তারা নাগরিকদের ট্রেনিং দেয়। সেখানে ন্যায় নীতির কোনো বিষয় নাই, দখল করাই মুখ্য। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ইসরায়েল কখনো এখানে আসতে পারেনি আজ তারা অনুপ্রবেশ করেছে। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন আপনাকে ধন্যবাদ প্রতিবাদ করার জন্য কিন্তু শুধু ধন্যবাদ জানালেই হবেনা ফিলিস্তিনীদের অর্থ ও সামরিক সাহায্য দিতে হবে। কুটনৈতিক তৎপরতা চালাতে হবে মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন আজ রোজিনা জেলে, তার জামিন হচ্ছে না। ৫৮ ছাত্র জেলে এদের জামিন হচ্ছে না। বিচারকদের ভূমিকাও লজ্জাজনক। এসব কিছু থেকে বাঁচার জন্য একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে হবে। তিনি অবরুদ্ধ প্যলেস্টাইনীদের মানবাধিকার নিশ্চিত করতে বিশ্বের সকল মানবতাবাদী নাগরিক ও রাষ্ট্রকে ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।

নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আমি একটা কথাই বলবো সত্তর বছর ধরে একটা জাতি লড়াই করছে আমরা তাদের এই লড়াইয়ের প্রতি সংহতি জানাই। আজ ক্ষমতাসীনরা প্যালেস্টাইনীদের পক্ষে আবার বিক্ষোভকারীদেও গ্রেফতার করা হচ্ছে এটা সব ফ্যাসিবাদীদের একই চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। আমরা আজকে যে সংহতি জানাচ্ছি এটা সকল দেশের মজলুম মানুষের প্রতি এবং যে প্রতিবাদ এটা সকল জালিমের বিরুদ্ধে।

ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, অনেক বছর যাবৎ এই অন্যায় চলছে। সমস্যা সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেই। কিন্তু এইবার কিছুটা আশার আলো দেখছি। কারন সারা বিশ্বের সাধারণ বিবেকবান মানুষ প্যালেস্টাইনের পক্ষে দাড়িয়েছে। খোদ যুক্তরাষ্ট্রের জনগন এমনকি কিছু ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যানও ইসরায়েলের নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উচিত এই মুহুর্তেই ‘টু-স্টেট’ পলিসি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

এবি পার্টির আহবায়ক সাবেক সচিব এএফএম সোলায়মান চৌধুরী বলেন, সত্তর বছর ধরে গনহত্যা চলছে। পশ্চিমা বিশ্ব ইসরায়েলকে এই গণহত্যা চালাতে সহযোগিতা করছে। শুধু ফিলিস্তিন নয় আমাদের দেশেও মানুষের অধিকার যেভাবে হরন করা হচ্ছে তা মেনে নেয়া যায়না। আমি সরকারের প্রতি অনুরোধ করবো মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিন, সাংবাদিক ছাত্র সহ সকল বিরোধী মতের লোক জেল থেকে মুক্তি দিন।

সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক সেনাবাহিনী প্রধান লে. জেনারেল (অব.) নুরুদ্দিন খান বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যে এক তরফা আক্রমণ করেছে তা অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ। এই মানবতাবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। আধুনিক বিশ্বে এই জঘন্য অপরাধ চলতে পারেনা। আশার কথা হলো আমেরিকান ডেমোক্র্যাট দলীয় অনেক কংগ্রেসম্যান ইসরায়েলের সাথে অস্ত্র চুক্তি বাতিলের জন্য চাপ দিচ্ছে। আশাকরি তারা সফল হবে।

বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু ড. সুকোমল বড়ুয়া বলেন, ইসরাঈল প্যালেস্টাইনীদের সাথে যা করছে তা মানবতার জন্য একটি কলঙ্কিত অধ্যায়। জাতিসংঘ গঠিত হয়েছিল মানবতা রক্ষায় কিন্তু আজ তা বিফলে গেছে। আমি বাংলাদেশের বৌদ্ধদের পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। এটা কোন ধর্মীয় বিষয় নয় এটা মানবতার ব্যাপার।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন বলেন, ইজরাঈলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু নিজেকে একক নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতেই গাজায় এই নির্লজ্জ হত্যাকান্ড চালাচ্ছে। ইসরায়েল কোন রাষ্ট্র নয়। এটা একটা যুদ্ধ মেশিন। একে যুদ্ধের মাধ্যমেই শেষ করতে হবে।

শিক্ষক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. দিলারা চৌধুরী বলেন, আজকের এই পরিস্থিতি সৃষ্টির পিছনে প্রধান দায় বৃটিশ ও ফ্রেঞ্চদের। প্যালেস্টাইনের নারী, শিশু ও সাধারণ মানুষ হত্যার যে মহোৎসব চলছে তা নিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব তামাশা দেখছে। তাদের আচরণ অত্যন্ত প্রতারনাপূর্ণ। জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর মানুষের মনে যে আশা জেগেছিল তা আজ হতাশায় পরিণত হচ্ছে। আমরাও এই অবিচারের বিরুদ্ধে যেভাবে সোচ্চার হওয়া উচিত ছিল সেটা করতে ব্যর্থ হয়েছি।

বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা সাইয়েদ কামাল উদ্দিন জাফরী বলেন, ফিলিস্তিনে যা ঘটছে তা শুধু ধর্মীয় ব্যাপার নয় এটা মানবতাবিরোধী অপরাধ। যারা দুনিয়াতে মানবতার কথা বলেন তারাই আজকের এই নিপীড়নের সাথে জড়িত। আমাদের দ্বায়িত্ব নিপীড়িত ফিলিস্তিনীদের পাশে সর্বাবস্থায় থাকার।

ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরু বলেন, ফিলিস্তিনের নিপীড়িত মানুষের প্রতি এই সংহতি জানাতে পেরে ভালো লাগছে সেই সাথে আমাদের নিজেদের দেশের প্রতিও নজর দিতে হবে। সরকার একসাথে প্যালেস্টাইনের পক্ষে কথা বললেও অন্য দিকে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক সৃষ্টির জন্য পাসপোর্ট থেকে এক্সেপ্ট ইসরায়েল (ইসরায়েল ব্যতীত) শব্দ দুটি তুলে দিয়েছে। তারা ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক করে আগামী নির্বাচনে ইভিএমের মাধ্যমে একচ্ছত্রভাবে ক্ষমতায় আসার পথ পরিস্কার করতে চায়। আজ আমাদেরকেও যেন ফিলিস্তিনের মতো ভোগান্তিতে পড়তে না হয়, কোন সাম্রাজ্যবাদীর কবলে পড়তে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান বলেন, ইসরায়েল যে গণহত্যা চালাচ্ছে তার প্রতিবাদ অনুষ্ঠান করায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই। আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে তার অস্ত্র ব্যবসা ও তেল সহ খনিজ সম্পদ লুটপাটের জন্যই ইসরায়েলকে দিয়ে এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি জিইয়ে রাখছে। মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর অনৈক্য এটাকে আরো দীর্ঘায়িত করছে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, প্যালেস্টাইনে যা ঘটছে তা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও জঘন্য অপরাধ। জায়ানবাদ যেভাবে প্যালেস্টাইনবাসীর সকল অধিকার হরণ করেছে তার প্রতিবাদে আমাদের সবাইকে সোচ্চার ভূমিকা রাখতে হবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ইশতিয়াক আজিজ উলফাত বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধার যুদ্ধ কখনো শেষ হয়না। প্যালেস্টাইনে যে যুদ্ধ হচ্ছে তাতে একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমার সার্বিক সহযোগিতা থাকবে ইনশাআল্লাহ। রাশিয়া, চায়না এগিয়েছে এখন আমেরিকাকে ভাবতে হবে সে কোনো একক শক্তি নয়। আমাদের প্রবাসী ভাইদের বলবো পৃথিবীর সর্বত্র যে ইসরায়েল বিরোধী বিক্ষোভ চলছে তাতে স্ব স্ব জায়গায় অংশ নিতে হবে।

সামরিক বিশেষজ্ঞ মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর বলেন, প্যালেস্টাইনে যা ঘটছে তা অমানবিক। সত্তর বছর ধরে চলা এই নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। আমাদের যা সামর্থ্য আছে তা নিয়েই নির্যাতিত প্যালেস্টাইনীদের পাশে দাঁড়াতে হবে।

সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী বলেন, আমার কোন সন্দেহ নাই যে, সমস্ত বিশ্ব বিবেক একদিকে আর ইসরায়েল ও তার দোসররা একদিকে। যুগের পর যুগ ধরে চলা ফিলিস্তিনবাসীদের উপর নির্যাতন ও ঘর-বাড়ী ডাকাতের মত দখল করার এই প্রক্রিয়ায় আমেরিকা ইন্ধন দিচ্ছে। আজ ওআইসি-র ওপর ভরসা করে বসে থাকলে হবেনা। মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্যালেস্টাইন পুনরুদ্ধার করতে হবে।

সঙ্গীত শিল্পী হায়দার হোসেন বলেন, আজকের এই ঘটনা নতুন কিছু নয়। জন্মলগ্ন থেকেই দেখে আসছি একই অবস্থা। আজ মানবতার কথা বলা হলেও বিশ্ব মানবতাবাদীরা নারী ও শিশু হত্যার ব্যাপারে নিশ্চুপ। আমরা কিছুই করতে পারছিনা। শুধু নিজেকে ধিক্কার দিচ্ছি।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসান নাসির বলেন, আজকে ইসরায়েল ধর্মের ভিত্তিতে যে রাষ্ট্রের দাবী করছে তা খোড়া যুক্তি। এই পরিস্থিতিতে মুসলিম সকল দেশকে ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, ইসরায়েল প্যালেস্টাইন কোন যুদ্ধ হচ্ছে না, এখানে ইসরায়েল আগ্রাসন চালাচ্ছে।

সভায় ইলেকট্রনিক মেসেজ পাঠিয়ে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানান ঢাকাস্থ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূত ইউসুফ সালেহ ওয়াই রামাদান, তিনি আয়োজকদের সহমর্মিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।

সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভাপতির বক্তব্যে জেনারেল ইব্রাহীম বলেন, সাংবাদিক রোজিনার মুক্তি দাবী করছি, সাংবাদিকদের ধন্যবাদ। আমরা প্যালেস্টাইনীদের প্রতি সংহতি জানানোর পাশাপাশি সকল গ্রেফতারকৃত ছাত্রদের মুক্তি চাই। আমরা চেষ্টা করছি দেশ ও দেশের মানুষকে সচেতন করার জন্য। আমরা দাবী করছি মসজিদুল আকসা সকল ধর্মীয় জাতির জন্য উন্মুক্ত করার দাবী করছি। আমরা দাবী করছি ফিলিস্তিনকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

সভার শেষ পর্যায়ে সঞ্চালক মজিবুর রহমান মন্জু বাংলাদেশের মানুষের পক্ষ থেকে সংহতি স্বরূপ স্বাধীন ফিলিস্তিনের একটি পতাকা ডা. জাফরুল্লাহ’র হাতে তুলে দেন। ডা. জাফরুল্লাহ সেই পতাকা তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরু, ব্যারিস্টার জুবায়ের আহমদ ভূঁইয়া, এবিএম খালিদ হাসান, আনোয়ার সাদাত টুটুল, আব্দুল্লাহ আল হাসান সাকীব, ব্যারিস্টার নাসরিন সুলতানা মিলি, সাইফুল মীর্যা, নুসরাত তামান্না ফারুকী, প্রিন্স আল-আমীন সহ ছাত্র তরুণদের হাতে সমর্পন করেন।



সাতদিনের সেরা