kalerkantho

সোমবার । ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৪ জুন ২০২১। ২ জিলকদ ১৪৪২

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে মৎস্যজীবী লীগের আলোচনাসভা

অনলাইন ডেস্ক   

১৭ মে, ২০২১ ১৫:২০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে মৎস্যজীবী লীগের আলোচনাসভা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪১তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনাসভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ। আজ সোমবার (১৭ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউ অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ে এ আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মো. সায়ীদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক লায়ন শেখ আজগর নস্করের সঞ্চালনায় আলোচনাসভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মো. গিয়াস খান, মোহাম্মদ ইউনুস, ড. মমতাজ খান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কাজী মো. শফিউল আলম শফিক, দপ্তর সম্পাদক এম এইচ এনামুল হক রাজু, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. সাঈদ মজুমদার, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাজেদুর রহমান খান কমল প্রমুখ।

আলহাজ সায়ীদুর রহমান বলেন, সামরিক শাসকের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে প্রিয় স্বদেশভূমিতে প্রত্যাবর্তন করেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। সেদিন রাজধানী ঢাকা মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ঢাকা শহর মিছিল আর স্লোগানে প্রকম্পিত হয়। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া আর প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি লাখো মানুষের মিছিলকে গতিরোধ করতে পারেনি সেদিন। ১৯৮১ সালের ১৭ মে ঝড়-বাদল আর জনতার আনন্দাশ্রুতে অবগাহন করে মানিক মিয়া এভিনিউতে লাখো জনতার সংবর্ধনার জবাবে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেছিলেন, সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে এবং তাঁর অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার হত্যার বিচারের জন্য আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই। আমার আর হারাবার কিছুই নেই। সেই থেকে তিনি দেশের মানুষের মাঝেই আছেন। তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

লায়ন শেখ আজগর নস্কর বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নরঘাতকরা ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। এসময় বিদেশে থাকায় আল্লাহর অশেষ রহমতে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করে বাঙালি জাতির অস্তিত্বকে বিপন্ন করতে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু করে ঘাতকগোষ্ঠী। এমনি ক্রান্তিলগ্নে ১৯৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।

লায়ন আজগর নস্কর আরো বলেন, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে দীর্ঘ ১৫ বছর নানা লড়াই-আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে এবং দেশ গঠনে এগিয়ে যান তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। তিনি আগামী দিনে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার জন্য মৎস্যজীবী লীগের নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান।

আলোচনাশেষে শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ সায়ীদুর রহমানের সহধর্মিণী সাবেক খিলগাঁও থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মরহুমা হোসনেয়ারা বেগমের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। 



সাতদিনের সেরা