kalerkantho

মঙ্গলবার । ৮ আষাঢ় ১৪২৮। ২২ জুন ২০২১। ১০ জিলকদ ১৪৪২

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘ক্রিটিক্যাল’ : ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক   

১১ মে, ২০২১ ১৮:০২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘ক্রিটিক্যাল’ : ফখরুল

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো ‘ক্রিটিক্যাল’। যদিও আল্লাহর রহমতে অনেক ইম্প্রুভ করেছেন। এখন তিনি রুম এয়ারে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারছেন- অর্থাৎ রুমের মধ্যে তার অক্সিজেন লাগছে না। তার প্রেসার, টেম্পারেচার, অক্সিজেন যেটাকে স্যাচুরেশন বলে- এগুলো এখন আপাততভাবে আল্লাহর হুকুমে কিছুটা নরমালের দিকে চলে এসছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তার সর্বশেষ অবস্থা জানাতে গিয়ে এ তথ্য জানান।

ফখরুল বলেন, তার মূল কতগুলো বিষয় আছে, যে বিষয়গুলো এখনো বিপৎজনক অবস্থার মধ্যে আছে। তার কিডনির সমস্যা আছে- দ্যাটস এ রিয়েল প্রভলেম, তার হার্টের সমস্যা আছে। যেটাতে ডাক্তাররা এখনো অত্যন্ত উদ্বিগ্ন আছেন, তারা চেষ্টা করছেন, তারা দোয়া করছেন। আমরা দলের পক্ষ থেকে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ যে এভারকেয়ার হাসপাতাল তারা সর্বাত্মক আন্তরিকতা নিয়ে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা করছেন। তারা কোনো কিছু বাকি রাখছেন না এমনকি তারা বাইরে থেকে বিশেষজ্ঞ নিয়ে আসছেন প্রতিনিয়ত, দেশের বাইরেও তারা যোগাযোগ রাখছেন বড় বড় চিকিৎসকের সঙ্গে, সেভাবে তারা এখানে চিকিৎসা করার চেষ্টা করেছেন।

তিনি বলেন, আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থাটা আপনারা জানেন, ইভেন দি প্রাইভেট হসপিটালস আর নট প্রোপারলি ইকোইপ্ট। একমাত্র এভারকেয়ার হাসপাতাল সবচেয়ে বেশি টেকনোলজিক্যাল দিক থেকে উন্নত। তারপরও এনাফ না। ওরা নিজেরাই মনে করে যে অনেক লিমিটেশনস আছে। সেই লিমিটেশনগুলো দেখে তখন ওনার পরিবার ওনাকে বাইরে নেওয়ার আবেদন করেছিল।

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর গুলশানের বাসা ‘ফিরোজায়’ খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমাদের চিকিৎসকরা ওই সময় খু্বই সংযত ভাষায় কথা বলেছেন।ওনার অবস্থা ওই সময় স্থিতিশীল ছিল। হাসপাতালে আসার পর ওনার পরিবার যখন বাইরে নেওয়ার জন্য আবেদন করেছিল, তখন দেশনেত্রীর অবস্থা ভেরি ডিফিকাল্ট ছিল, ইট ওয়াজ ভেরি ক্রিটিক্যাল। ডাক্তাররা পর্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন। যে কারণে তারা একটা রিপোর্টও দিয়েছিলেন যে তার অবস্থা ভেরি ক্রিটিক্যাল, আমাদের এখানে যে ব্যবস্থাগুলো আছে সেটা এনাফ নয় তার জন্য।  সে জন্য তারা মনে করেছেন যে যদি বাইরে চিকিৎসাটা নেওয়া হয় তাহলে ভালো হবে।

উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবারের আবেদনের কথা তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার এই আবেদন করার পরপর এমনভাবে কথা বলল যে সবাই আশাবাদী, জনগণসহ যে দিয়ে দেবে। সবাই ওটাই আশা করে যে, একজন অসুস্থর সঙ্গে কেউ রাজনীতি করতে চায় না, দিয়ে দেবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে হঠাৎ করে তাদের টোন বদলে গেল, তারা বলে দিল যে, আমরা দিতে পারছি না। কেন পারছেন না সে ব্যাপারে তারা যে যুক্তিগুলো দিলেন সেই যুক্তিগুলো একেবারেই অগ্রহণযোগ্য যুক্তি, খোঁড়া যুক্তি বলে জানান তিনি।



সাতদিনের সেরা