kalerkantho

শুক্রবার । ১১ আষাঢ় ১৪২৮। ২৫ জুন ২০২১। ১৩ জিলকদ ১৪৪২

করোনা নিয়ন্ত্রণে এলে বিকল্প ছুটির ঘোষণা দাবি শ্রমিক ফ্রন্টের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ মে, ২০২১ ১৯:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনা নিয়ন্ত্রণে এলে বিকল্প ছুটির ঘোষণা দাবি শ্রমিক ফ্রন্টের

করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ হলে শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য বিকল্প ছুটির ঘোষণা দাবি করেছে সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট। সংগঠনের পক্ষ থেকে অবিলম্বে পরিবহন, গার্মেন্টস, পর্যটন, রি-রোলিং, দোকান-কর্মচারীসহ প্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিকদের বেতন-ভাতা প্রদান এবং ঈদের আগেই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের কর্মহীন শ্রমিকদের খাদ্য ও নগদ সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আজ সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন। বক্তৃতা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব বুলবুল, সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেকুজ্জামান লিপন, কোষাধ্যক্ষ জুলফিকার আলী, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিমল চন্দ্র সাহা, জাতীয় শ্রমিক জোটের সভাপতি সাইফুজ্জামান বাদশা, ট্যুরিজম হোটেলস ওয়ার্কার্স এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের আহ্বায়ক রাশেদুর রহমান রাশেদ প্রমুখ।

সমাবেশে নেতারা বলেন, গণপরিবহন, পর্যটন শ্রমিক, রাইডার, হালকা যানবাহন চালক, নির্মাণ শ্রমিক, রিকশা-ভ্যান চালক, হকার, পাদুকা শ্রমিক, দিনমজুর, গৃহশ্রমিকসহ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের কোটি কোটি শ্রমজীবী মানুষ করোনাকালে উপার্জনহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। নিত্যদিনের ক্ষুধা নিবারণের খাদ্য জোগাড় করায় যখন কঠিন, সেই সময় ঈদ উৎসব তাদের যন্ত্রণাকে বাড়িয়ে তুলছে। সরকার বিভিন্নভাবে কর্মহীন অসহায় মানুষদের সহযোগিতার কথা প্রচার করলেও বণ্টন প্রক্রিয়ায় ভোটের হিসাব-নিকাশ, স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতির কারণে প্রকৃত ভুক্তভোগী শ্রমিকের হাতে সরকারি সহায়তা পৌঁছায়নি।

নেতারা বলেন, শ্রমিক-কর্মচারীরা ২০ রোজার মধ্যে পূর্ণ ঈদ বোনাস এবং এপ্রিল মাসের বেতনসহ বকেয়া পাওনাদি পরিশোধের দাবি করেছিল। শ্রমিক-কর্মচারীদের দাবিকে উপেক্ষা করে সরকারের শ্রম মন্ত্রণালয় ১০ মে’র মধ্যে সব কল-কারখানা, শিল্প-প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের নির্দেশনা দেয়। অথচ এখনো রি-রোলিং, পর্যটন, রেস্তোরাঁ-সুইটমিট, দোকান কর্মচারীসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন খাতে কাজ করা লাখ লাখ শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এখনো পরিশোধ করা হয়নি।

নেতারা আরো বলেন, কোথাও কোথাও প্রায় সারা বছর পূর্ণ-উদ্যমে উৎপাদন চালু থাকলেও করোনার অজুহাত তুলে ঈদ বোনাস দিতে অস্বীকার করছে মালিকপক্ষ। এমনকি রপ্তানিমুখী শিল্পের সব প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এখনো পরিশোধ হয়নি। যেসব মালিক সরকার নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে পূর্ণ পাওনা পরিশোধ করেনি তাদের শাস্তি এবং তাদের কাছ থেকে শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা অবিলম্বে আদায় করে দেওয়ার আহ্বান জানান নেতারা।



সাতদিনের সেরা