kalerkantho

শনিবার । ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১২ জুন ২০২১। ৩০ শাওয়াল ১৪৪২

আ. লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান বললেন

‘শেখ হাসিনার নির্দেশনায় আ. লীগের নেতাকর্মীরা জীবন বাজি রেখে কাজ করছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ মে, ২০২১ ২২:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



‘শেখ হাসিনার নির্দেশনায় আ. লীগের নেতাকর্মীরা জীবন বাজি রেখে কাজ করছে’

আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় দলের নেতাকর্মীরা নিজের জীবনকে তুচ্ছ মনে করে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান। তিনি বলেন, করোনাকালীন সময়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যার যার স্থান থেকে সাধারণ মানুষের মাঝে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। অসহায়দের বাড়ি বাড়ি খাদ্যসাগ্রমী পৌঁছে দিচ্ছে। যেখানে সন্তান মায়ের লাশ দেখতে যায় না, সেখানে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগসহ সব সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সেই মায়ের লাশ দাফন করে দিচ্ছে। এটাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সুফল। তার একটা ডাকে আওয়ামী লীগের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মাঠে নেমেছেন। জীবন বাজি রেখে কাজ করে যাচ্ছেন।

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটির উদ্যোগে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।  
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান বলেন, সঠিক ও যোগ্য নেতৃত্ব কাকে বলে- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেখলে তা বোঝা যায়। তিনি করোনার শুরু থেকে দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। করোনায় এমন কোনো কার্যক্রম নেই, যা প্রধানমন্ত্রী করছেন না। অসহায় মানুষের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন, গৃহহীন মানুষের ঘর তৈরি করে দিচ্ছেন, আশ্রয়হীন মানুষকে আশ্রয় দিচ্ছেন, বস্ত্রহীন মানুষকে বস্ত্র তুলে দিচ্ছেন, দরিদ্র মানুষকে আর্থিক সহযোগিতা দিচ্ছেন, শ্রমিকের চাকা যেন বন্ধ না হয় সে জন্য প্রণোদনা দিচ্ছেন। একদিকে সরকারের সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাজে লাগিয়েছেন, অন্যদিকে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের করোনা মোকাবিলায় মাঠে নামিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বিচক্ষণ নেতৃত্বের কারণে আজ বাংলাদেশে বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস সহনশীল মাত্রায় রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ একটি ঐক্যবদ্ধ পরিবার উল্লেখ্য করে আবদুর রহমান বলেন, অনেক রাজনৈতিক দল আছে, তারা অনেক বড় বড় কথা বলেন, পত্রিকা টেলিভিশন খুললেই তাদের অনেক বড় বড় কথা দেখা যায়,তাদের কাছে আমার প্রশ্ন- আপনারা বা আপনার দল কি এক জনও মানুষের মুখে পানি তুলে দিয়েছে, এক বেলার খাবার নিয়ে গেছে, বস্ত্রহীন মানুষের কাছে বস্ত্র নিয়ে গেছে। তারা নেয়নি, অথচ এই দুর্যোগের সময় ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করছেন। ধর্মীয় লেবাস লাগিয়ে বিদেশ থেকে ষড়যন্ত্র করে সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু আমরা বলতে চাই- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ একটি ঐক্যবদ্ধ পরিবার। তাদের কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটির প্রসংশা করে তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় করোনার শুরু থেকে ত্রাণ ও সমাজকল্যান উপকমিটি মানুষ ও মানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। করোনায় কর্মহীন, অসহায়, দরিদ্র ও দুস্থদের বাড়ি বাড়ি খাদ্যাসমাগ্রী পৌছে দিচ্ছে। বিভিন্ন হাসপাতাল, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মাঝে করোনার সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করছে। এই সকল কার্যক্রমে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সুজিত রায় নন্দী। আশা করি করোনার এই পরিস্থিতি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দীর সঞ্চালনায় অক্সিজেন সিলিন্ডার বিতরণ অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন ক্ষমতাসীন দলটির সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভাচুয়ালি অংশ নেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা, কার্যনির্বাহী সদস্য সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম, ঢাকা মহানগর দক্ষিন এর সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর, সহ-সভাপতি নুরুল আমিন রুহুল এমপি, উপ-কমিটির সদস্যদের মধ্যে আখলাকুর রহমান মাইনু, ডা. হেদায়েতুল ইসলাম বাদল, হাসিবুর রহমান বিজন, মো. হারুন অর রশীদ, খলিলুর রহমান, কৃষিবিদ দীপক কুমার বনিক, মো. আশরাফ, মো. মিজানুর রহমান, আব্দুল বারেক, ডা. মাহমুদুল হাসান মাসুম, আমিনুল ইসলাম খান আবু, আমিনুর রশীদ দুলাল, আকাশ জয়ন্ত গোপ, শাহ আলমগীর, মাসুদ রানা, ইদ্রিছ আহমেদ মল্লিক, ইঞ্জিনিয়ার আবুল কাশেম সীমান্ত, মোহাম্মদ আলী রিপন প্রমুখ।



সাতদিনের সেরা