• ই-পেপার

কেয়ার বাংলাদেশ-উন্নয়ন সমন্বয় এর ওয়েবনিয়ারে বক্তারা

‘শ্রমিকরা ভালো থাকলে শিল্প ভালো থাকে’

  • আইএলও কনভেনশন ১৯০ রেটিফাই-এর উদ্যোগ নিতে হবে

আনসার ক্যাডার ছেড়ে প্রশাসন ও পুলিশে তিন কর্মকর্তা

অনলাইন ডেস্ক
আনসার ক্যাডার ছেড়ে প্রশাসন ও পুলিশে তিন কর্মকর্তা
ছবি : কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) আনসার ক্যাডারের তিন কর্মকর্তা নতুন করে প্রশাসন ও পুলিশ ক্যাডারে যোগ দিচ্ছেন। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান চাকরি থেকে ভূতাপেক্ষ অব্যাহতি দিয়েছে সরকার। বুধবার (১৫ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে। তবে এই তিন কর্মকর্তার অব্যাহতি কার্যকর ধরা হয়েছে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে।

অব্যাহতি পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে দুজন ৪৪তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে এবং একজন পুলিশ ক্যাডারে মনোনীত হন।

তারা হলেন—পটুয়াখালীর ৭ আনসার ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ কাদের মুন। তিনি ৪৪তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে মনোনীত হয়েছেন।

বান্দরবানের ১৬ আনসার ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মো. সাইফুল ইসলামও ৪৪তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে মনোনীত হন।

অন্যদিকে সিলেটের আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সহকারী জেলা কমান্ড্যান্ট ফাতেমা তুজ জোহরা ৪৪তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে মনোনীত হয়েছেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তিন কর্মকর্তাকেই তাদের নিজ নিজ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন ক্যাডারে যোগদান এবং চাকরির প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা সমন্বয়ের জন্য তাদের আগের একটি তারিখ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

ভূতাপেক্ষ অব্যাহতির কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চাকরির রেকর্ড, নতুন পদে বেতন নির্ধারণ, জ্যেষ্ঠতা এবং আগের চাকরির সময়কাল গণনার মতো বিষয়গুলো বিধি অনুযায়ী সমন্বয় করা হবে।

জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু
সংগৃহীত ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল ৩টা ৩ মিনিটে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে পুনরায় শুরু হয়েছে। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অধিবেশন শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিপর্যস্ত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনির্মাণ করব : মাহদী আমিন

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিপর্যস্ত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনির্মাণ করব : মাহদী আমিন
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিপর্যস্ত ও লুণ্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনির্মাণ করার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগে প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। 

প্রাকৃতিক প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে ছুটে আসা শিক্ষার্থীদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি এই ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের যে আবেগ, উচ্ছ্বাস ও ভালোবাসা—এটিই প্রমাণ করে একজন নেতা যখন রাষ্ট্র পরিচালনায় আসেন, তিনি দেশের মানুষের ভাগ্যকে বদলে দিতে পারেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা ইনশাআল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর সেই রূপকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এবং তার হাতকে শক্তিশালী করে বাংলাদেশের বিপর্যস্ত, লুণ্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুনভাবে গড়ে তুলব। সবাই মিলে বিনির্মাণ করব এমন একটা শিক্ষাব্যবস্থা, যেখানে শিক্ষার্থীরা হবে আগামী বাংলাদেশ গড়ার মূল কারিগর, মূল অগ্রদূত।’

উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, ‘আমরা চাই এমন একটা শিক্ষাব্যবস্থা, যেখানে প্রতিকূলতা, প্রতিবন্ধকতা, বিরুপ প্রকৃতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে আমাদের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করবে আগামীর বাংলাদেশের কাণ্ডারী তারাই এবং প্রধানমন্ত্রী যে সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের রূপকল্প চেয়েছেন, সেটি তাদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে।’

তিনি বলেন, ‘আজ এখানে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রান্তিক পর্যায় থেকে চলে এসেছে। এখানে যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যে বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ দেখলাম, সেগুলোতে কিন্তু আমাদের সেই শিক্ষার্থীরাই অংশগ্রহণ করেছে।

তিনি আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন আমাদের সামনে উপস্থাপন করেছেন, সুনির্দিষ্ট এবং সুবিস্তীর্ণ লক্ষ্য দেখিয়েছেন, যেটি আমরা নির্বাচনী পথযাত্রা ও নির্বাচনী ইশতেহারে দেখেছি। তার একটি প্রাথমিক ধাপ হিসেবে আজকে প্রায় ৬৫ হাজার স্কুলে একসঙ্গে আমরা প্রায় ২ লাখ গাছ রোপণ করেছি।

উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা চাই এমন একটা শিক্ষাব্যবস্থা যেখানে মানবিক মূল্যবোধ থাকবে। যেখানে তারা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে এবং যেখানে তাদের ভ্যালু এবং প্রিন্সিপালস তৈরি হবে যার কারণেই তারা বাংলাদেশের পতাকাকে দেশের ভূখণ্ড ছাড়িয়ে সারা বিশ্বে প্রসারিত করবে, আরো উঁচুতে নিয়ে যাবে।’

মাহদী আমিন বলেন, ‘আমরা চাই আগামী বাংলাদেশের নেতৃত্ব যারা দেবে, সেই শিক্ষার্থীদের যার যেই সাবজেক্ট পড়তে ভালো লাগে, যার যেই ফিল্ডে ভালো করতে ইচ্ছা হয়, রাষ্ট্র ও সরকারের দিক থেকে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেব।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, ‘ইতিমধ্যে অত্যন্ত স্বল্প সময়ের ভেতরে আমরা ২২ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে একটা ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আগামীতে প্রাইম-মিনিস্টার্স ফুটবল গোল্ড কাপের জন্য তিনি আমাদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করবেন।’

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ওআইসির সদস্য ১৮ দূতবাসের সহযোগিতা

বন্যাদুর্গত দুই হাজারের বেশি পরিবারকে ত্রাণ দেবে ফিলিস্তিন দূতাবাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
বন্যাদুর্গত দুই হাজারের বেশি পরিবারকে ত্রাণ দেবে ফিলিস্তিন দূতাবাস

চলমান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম ও সিলেটের দুই হাজারের বেশি পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করবে ঢাকায় ফিলিস্তিন দূতাবাস। ত্রাণসামগ্রী প্যাকেটজাত করার কাজ চলমান রয়েছে দূতাবাসে। বাংলাদেশে নিযুক্ত অরগানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশনের (ওয়াইসি) সদস্যভুক্ত ১৮টি মুসলিম দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এ মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) দূতাবাসে সরেজমিনে দেখা যায়, ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য প্যাকেট তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে স্বেচ্ছাসেবী ও দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মীরা। 

দূতাবাস সূত্র জানায়, বাংলাদেশে অধ্যয়নরত ফিলিস্তিনের শিক্ষার্থীরা এ আয়োজনে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করছে। তারা অন্যদের সঙ্গে নিয়ে মানুষের কাছে এসব ত্রাণ পৌঁছে দেবে। প্রতিটি ত্রাণ প্যাকেটে চাল, খেজুর, চিড়া, মুড়ি, চিনি, লবণ, বিশুদ্ধ খাবার পানি ও নুডলস রাখা হয়েছে। এমন খাদ্যসামগ্রী বেছে নেওয়া হয়েছে যা দুর্গত মানুষ সহজে ও দ্রুত গ্রহণ করতে পারবেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রান্নার প্রয়োজন হবে না।

1

ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এস ওয়াই রামাদান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ মানবিক। বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ফিলিস্তিনকে সমর্থন দিয়ে এসেছে। তাই এ দুর্যোগে ফিলিস্তিনের বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব। এটি বাংলাদেশের প্রতি ফিলিস্তিনের ঋণের সামান্য অংশ হলেও শোধ করার একটি প্রচেষ্টা।’

ত্রাণ কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি জানান, ‘১৮টি মুসলিম দেশের দূতাবাসের সহায়তায় প্রায় ৪০ টন ত্রাণসামগ্রী সংগ্রহের আশা করা হচ্ছে। যদিও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ১১ লাখ মানুষের সবার কাছে সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব নয়। তবু সরকার, সেনাবাহিনী, এনজিও এবং সাধারণ মানুষ সম্মিলিতভাবে এগিয়ে এলে আরো অনেক মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।’

‘শ্রমিকরা ভালো থাকলে শিল্প ভালো থাকে’ | কালের কণ্ঠ