kalerkantho

রবিবার । ২৬ বৈশাখ ১৪২৮। ৯ মে ২০২১। ২৬ রমজান ১৪৪২

মাওলানা জুনায়েদ ফের রিমান্ডে, ‌এবার ৪ দিন

অনলাইন ডেস্ক   

৪ মে, ২০২১ ১৫:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাওলানা জুনায়েদ ফের রিমান্ডে, ‌এবার ৪ দিন

মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব। ফাইল ছবি

হেফাজতে ইসলামের সদ্য বিলুপ্ত কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে পৃথক তিন মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার (৪ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত শিকদার রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

এদিকে, চলতি বছরের ২৬ মার্চে বায়তুল মোকারমে হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় পল্টন থানার পৃথক দুই নাশকতার মামলায় হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক মামুনুল হকের ফের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এনিয়ে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে তাঁকে। এছাড়া ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশকে ঘিরে সহিংসতা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনায় পাঁচটি করে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে মামুনুল ও জুনায়েদকে।

গত ১৭ এপ্রিল জুনায়েদ আল হাবিবকে রাজধানীর বারিধারা থেকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরদিন ১৮ এপ্রিল মামুনুল হক ও জুনায়েদ আল হাবিবকে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত ২৬ এপ্রিল জুনায়েদ আল হাবিবকে দ্বিতীয় দফায় পল্টনের দুই মামলার একটিতে চার দিন, একটিতে তিন দিন এবং মতিঝিলের মামলায় তিন দিন করে মোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

তৃতীয় দফায় আজ মাওলানা জুনায়েদকে আদালতে হাজির করে তিন মামলায় সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করে গোয়েন্দা পুলিশ। আসামিপক্ষে সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেসবাহ রিমান্ড বাতিল পূর্বক জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক এক মামলায় দুই দিন ও অপর দুই মামলায় একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

চলতি বছরের ২৬ মার্চে বায়তুল মোকারমে হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় পল্টন থানায় হওয়া নাশকতা মামলা এবং ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে নাশকতার মামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয় জুনায়েদ হাবিবকে। সে কারণেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আসার প্রতিবাদে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত তিনদিন হেফাজতের কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকা, চট্টগ্রামের হাটহাজারী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক তাণ্ডব চালানো হয়। হামলা ও অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয় শতাধিক সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘর।



সাতদিনের সেরা