kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

বাঁশখালীর ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে করা রিটের শুনানি আজ

অনলাইন ডেস্ক   

৪ মে, ২০২১ ১১:১৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাঁশখালীর ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে করা রিটের শুনানি আজ

ফাইল ছবি

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় করা পৃথক দুটি রিট আবেদনের ওপর আজ মঙ্গলবার (৪ মে) হাইকোর্টে শুনানি।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ গত রবিবার (২ মে) শুনানির দিন ধার্য করে আদেশ দেন। বাঁশখালীতে নিহত ও আহতদের ক্ষতিপূরণ এবং ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে গত ২২ এপ্রিল হাইকোর্টে রিট আবেদন করে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

রিট আবেদনটি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চে গত রবিবারই শুনানির জন্য কার্যতালিকা ছিল। কিন্তু একই ঘটনায় বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি (বেলা), বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), নিজেরা করি, সেফটি অ্যান্ড রাইটস এবং অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি) পৃথক একটি রিট আবেদন করে।

আবেদনটি কার্যতালিকাভুক্তির জন্য রবিবার আদালতে আবেদন জানান অ্যাডভোকেট রেজওয়ানা হাসান। একই সঙ্গে উভয় রিট আবেদনের ওপর একসঙ্গে শুনানির জন্য আবেদন জানান তিনি। এ অবস্থায় দুটি রিট আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবীদের সম্মতিতে আদালত মঙ্গলবার শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) করা রিট আবেদনে নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে তিন কোটি টাকা এবং আহতদের পরিবারকে দুই কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ প্রদান, ওই ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলা প্রত্যাহার, প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা, নিহত ও আহত শ্রমিকদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় রিট আবেদনে বিচার বিভাগীয় তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়। রিট আবেদনে স্বরাষ্ট্র, আইন, শিল্প ও বাণিজ্যসচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে  শ্রমিকদের বেতন-ভাতাসহ ১১ দফা দাবি নিয়ে অসন্তোষের জের ধরে গত ১৭ এপ্রিল পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচ শ্রমিক নিহত ও অন্তত ৩২ জন শ্রমিক আহত হন। 



সাতদিনের সেরা