kalerkantho

শুক্রবার । ৪ আষাঢ় ১৪২৮। ১৮ জুন ২০২১। ৬ জিলকদ ১৪৪২

কওমিপন্থীদের নিয়ন্ত্রণে ৭ দফা দাবি ইসলামী ফ্রন্টের

অনলাইন ডেস্ক   

২৯ এপ্রিল, ২০২১ ১৫:৩৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কওমিপন্থীদের নিয়ন্ত্রণে ৭ দফা দাবি ইসলামী ফ্রন্টের

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনাসহ কওমিপন্থীদের নিয়ন্ত্রণে ৭ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট।

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব স উ ম আবদুস সামাদ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির জন্য হেফাজত যতটুকু দায়ী, তেমনি সরকারও দায় এড়াতে পারে না। এসব জঙ্গিবাদীদের প্রতি কঠোর না হওয়ায় তারা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সাহস পেয়েছে। কওমিদের দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমর্যাদা প্রদান করা দেশ ও জাতির জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ৭১-এরর ঘাতক-দালাল রাজাকারদের যেভাবে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে, তেমন কওমিদের উদ্যোগে গঠিত স্বাধীনতাবিরোধী আরেক অপশক্তি ‘মুজাহিদ বাহিনী'রও বিচার হতে হবে। ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী, পটিয়া, ঢাকার বড় ও ছোট কাটরা, লালবাগসহ বিভিন্ন কওমি মাদরাসায় মুজাহিদ বাহিনীর ক্যাম্প ছিল। এসব ক্যাম্পগুলোতে মুজাহিদ বাহিনী রাজাকার আলবদরের মতো যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করেছিল।

এ সময় ইসলামী ফ্রন্টের সাত দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। দাবিসমূহ হলো- রাজাকার-আলবদর-আলশামসের মতো কওমিপন্থী মুজাহিদ বাহিনীকেও আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার করতে হবে।  অবিলম্বে জঙ্গিসংগঠনের তালিকাভুক্ত করে হেফাজতে ইসলামকে নিষিদ্ধ করতে হবে। কওমি মাদরাসাকে অডিটের মধ্যে এনে সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আলিয়া-কওমি উভয় ধারাকে অভিন্ন শিক্ষানীতির আলোকে পরিচালনার উদ্যোগ নিতে হবে।  কওমি-হেফাজতি জঙ্গিদের অর্থ ও মদদদাতা যে দলেরই হোক না কেন, সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।  খেলাফত মজলিসের নিবন্ধন বাতিলসহ দলটিকে নিষিদ্ধ করতে হবে।  নারী নিপীড়ক, ধর্ষক, হত্যাকারীদের রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দ্রুত আইনে সর্বোচ্চ সাজার ব্যবস্থা করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব এম এ মতিন বলেন, সরকার আলিয়া মাদরাসার মতো কওমিদের শিক্ষাব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে স্বতন্ত্র শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা এম এ মান্নান, আল্লামা সৈয়দ মছিহুদ্দৌলা, অধ্যক্ষ আল্লামা আহমদ হোসাইন আল কাদেরী, অধ্যক্ষ শাহ খলিলুর রহমান নিজামী, শাইখ আবু সুফিয়ান আবেদী, পীরজাদা ছাদেকুর রহমান হাশেমী, কাযী মুহাম্মদ সোলায়মান চৌধুরী, পীরজাদা সৈয়দ মুজাফফর আহমদ মুজাদ্দেদি প্রমুখ।



সাতদিনের সেরা