kalerkantho

রবিবার । ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৩ জুন ২০২১। ১ জিলকদ ১৪৪২

বাঁশখালীতে শ্রমিক নিহতের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট শুনবেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ এপ্রিল, ২০২১ ১৫:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাঁশখালীতে শ্রমিক নিহতের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট শুনবেন হাইকোর্ট

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে ৫ জন নিহতের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে করা রিট আবেদনটি শুনবেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় থাকবে রিট আবেদনটি।

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পক্ষ থেকে গত ২২ এপ্রিল হাইকোর্টের সংশ্লিস্ট শাখায় রিট আবেদন দাখিল করা হয়। আসকের পক্ষে অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না, সৈয়দা নাসরিন, শাহীনুজ্জামান ও নীনা গোস্বামী রিট আবেদনটি দাখিল করেন। গতকাল রবিবার এ রিট আবেদনটি বিচারপতি ইম. ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দা নাসরিন। এরপর আদালত রিট আবেদনটি শুনানির জন্য কার্যতালিকাভূক্তির আদেশ দেন।

রিট আবেদনে নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে তিন কোটি টাকা এবং আহতদের পরিবারকে দুই কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ প্রদান, ওই ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলা প্রত্যাহার, প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা, নিহত ও আহত শ্রমিকদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। রিট আবেদনে স্বরাষ্ট্র, আইন, শিল্প ও বানিজ্য সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৮ এপ্রিল আসকের পক্ষ থেকে সরকারকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়। ওই নোটিশে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া ও ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপুরণ দিতে বলা হয়।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে শ্রমিকদের বেতনভাতাসহ ১১ দফা দাবি নিয়ে অসন্তোষের জেরে গত ১৭ এপ্রিল শনিবার পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ৫ শ্রমিক নিহত ও অন্তত ৩২ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- শুভ (২৩), মো. রাহাত (২৪), আহমদ রেজা (১৯), রনি হোসেন (২২) ও রায়হান (২০)। এ ঘটনায় বাঁশখালী থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। বাশখালী থানার পুলিশ বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন। আর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান সমন্বয়কারী মো. ফারুক বাদী হয়ে পৃথক একটি মামলা করেন। এ দুটি মামলায় শ্রমিক ও এলাকাবাসীসহ প্রায় সাড়ে তিনহাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।



সাতদিনের সেরা