kalerkantho

বুধবার । ২৮ বৈশাখ ১৪২৮। ১১ মে ২০২১। ২৮ রমজান ১৪৪২

শেষ কর্মদিবসে করোনায় আক্রান্ত, আজ চলে গেলেন ডা. শামসুজ্জামান

নিজস্ব প্রতিবেদক    

২৪ এপ্রিল, ২০২১ ১০:৩০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শেষ কর্মদিবসে করোনায় আক্রান্ত, আজ চলে গেলেন ডা. শামসুজ্জামান

অধ্যাপক ডা. শামছুজ্জামান তোষার। ফাইল ছবি।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টার (এনআইএলএমআরসি)-এর সদ্য অবসরে যাওয়া পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল খায়ের মোহাম্মদ শামসুজ্জামান তুষার (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)।

আজ শনিবার (২৪ এপ্রিল) সকালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।

এনআইএলএমআরসি-এ শেষ কর্মদিবসেই করোনায় আক্রান্ত বলে শনাক্ত হন অধ্যাপক ডা. শামসুজ্জামান তুষার। শনাক্ত হওয়ার পর একদিন বাসায় থাকার পর তাঁকে ভর্তি করা হয় রাজধানীর শেখ রাসেল হাসপাতলে। সেখানেই লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি।

এর আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক এবং আইইডিসিআর-এর পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন ডা. শামসুজ্জামান।

অধ্যাপক ডা. শামসুজ্জামান তুষারের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার কুশমাইল ইউনিয়নের ধামর গ্রামে। তিনি রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন।

দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির শুরু থেকেই একজন সম্মুখ সারির যোদ্ধা ছিলেন অধ্যাপক ডা. শামসুজ্জামান তুষার। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টারের প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে কাজ করে যান তিনি।

কেবল একজন পরিচালক হিসেবেই নয়, প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে উৎসাহ দিয়ে একজন অভিভাবক হিসেবেই কাজ করে গেছেন ডা. তুষার। এককভাবে দেশে কোনো ল্যাবরেটরিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক সাত লাখেরও বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে তাঁর নেতৃত্বে। দেশে একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক নমুনা পরীক্ষাও হয়েছে তাঁর নেতৃত্বে।

শুধু নমুনা পরীক্ষাতেই ডা. তুষারের অবদান সীমাবদ্ধ ছিল না। দেশের গবেষণা খাতেও রয়েছে তাঁর অবদান। দেশের করোনা সংক্রমণের গতিবিধি বোঝার জন্য জরুরি জিনোম সিকোয়েন্সিংয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এই খ্যাতিমান চিকিৎসা গবেষক।



সাতদিনের সেরা