kalerkantho

বুধবার । ২৮ বৈশাখ ১৪২৮। ১১ মে ২০২১। ২৮ রমজান ১৪৪২

হাইকোর্টের বেঞ্চ বাড়াতে প্রধান বিচারপতির কাছে আইনজীবী সমিতির আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ এপ্রিল, ২০২১ ১৫:১০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাইকোর্টের বেঞ্চ বাড়াতে প্রধান বিচারপতির কাছে আইনজীবী সমিতির আবেদন

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে গত ৫ এপ্রিল থেকে সারা দেশে নিয়মিত আদালত বন্ধ হয়ে গেছে। তবে জরুরী মামলা শুনানির জন্য হাইকোর্ট বিভাগে মাত্র চারটি বেঞ্চ খোলা রয়েছে। যেখানে গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিদিন ৫২/৫৩টি বেঞ্চ শারীরিক ও ভার্চুয়ালি বসেছে। এ অবস্থায় হাইকোর্ট বিভাগে বেঞ্চ সংখ্যা বাড়ানোর জন্য আইনজীবীরা প্রধান বিচারপতির কাছে দাবি জানিয়ে আসছেন। এরইমধ্যে মানববন্ধন কর্মসূচিও পালন করেছেন তারা। এ অবস্থায় সুপিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি হাইকোর্ট বিভাগে বেঞ্চ সংখ্যা বাড়ানোর দাবিতে বুধবার প্রধান বিচারপতির কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে।

সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের স্বাক্ষরে পাঠানো আবেদনে বলা হয়েছে, ‘আমরা সকলেই জানি, বর্তমানে দেশে করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এটি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা সন্তোষের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি যে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে বিচার বিভাগ সচল রাখতে আপনি কার্যকর ভূমিকা রেখেছেন। আপীল বিভাগ সচল রয়েছে এবং হাইকোর্ট বিভাগে ৪টি বেঞ্চ-এর মাধ্যমে সীমিত আকারে বিচার কাজ চলছে।’

আবেদনে বলা হয়, ‘বর্তমানে রমজান মাস চলছে, সামনে ঈদ-উল ফিতর। লকডাউন এবং আদালতের স্বল্পতার কারণে বিজ্ঞ আইনজীবীগণ তাঁদের পেশা পরিচালনা করতে পারছেন না। ফলে অত্র সমিতির সদস্যসহ বিজ্ঞ আইনজীবীগণ মারাত্মক আর্থিক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। একইভাবে সীমিত সংখ্যক আদালত চালু থাকায় বিচারপ্রার্থী মানুষ কাঙ্খিত বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ পরিস্থিতি উত্তরণে সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যেও আপীল বিভাগের মত হাইকোর্ট বিভাগকে আরও কার্যকরি করতে আরও অধিক সংখ্যক ফৌজদারি, রীট, সিভিল ও আনুষাঙ্গিক বিষয়ে বেঞ্চ বৃদ্ধি করা জরুরী।’

আবেদনে আরো বলা হয়, ‘এটা অনুমেয় যে, এই কঠিনতম সময়ে হয়ত শারিরিক উপস্থিতিতে আদালত পরিচালনা করা সম্ভবপর হচ্ছে না। এ কারণে শারিরিক উপস্থিতি ব্যতিত ভার্চুয়াল পদ্ধতির মাধ্যমে যেমন করে আপীল বিভাগ সচল রয়েছে তেমনি করে হাইকোর্ট বিভাগের আরও কয়েকটি বেঞ্চ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে অত্র সমিতি মনে করে।’



সাতদিনের সেরা