kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

হেফাজত নেতা মুফতি শরিফুল্লাহর ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক   

১৪ এপ্রিল, ২০২১ ১৩:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হেফাজত নেতা মুফতি শরিফুল্লাহর ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

মুফতি শরিফুল্লাহ।

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-প্রচার সম্পাদক মুফতি শরিফউল্লাহকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ। ২০১৩ সালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় পুলিশকে হত্যার উদ্দেশ্যে করা হামলার মামলায় তাঁকে রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) শরিফউল্লাহকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলাটির সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক আয়ান মাহমুদ। ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদের আদালতে এ রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ীর মীর হাজিরবাগ এলাকা থেকে মুফতি শরিফউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির গোয়েন্দা (ডিবি) ওয়ারী বিভাগ। যাত্রাবাড়ী থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় এজাহারনামীয় আসামি মুফতি শরিফউল্লাহ। ২০১৩ সালের ৬ মে যাত্রাবাড়ী থানায় তার বিরুদ্ধে মামলাটি হয়েছিল।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মুফতি শরিফউল্লাহ হেফাজতের কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ২০১৩ সালের ৫ মের তাণ্ডব ছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে হেফাজতের সহিংসতার সঙ্গে তার যোগসূত্র রয়েছে।

প্রসঙ্গত, স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি ও মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেশে আসা নিয়ে রাজধানীসহ সারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক তাণ্ডব চালায় হেফাজতে ইসলাম। সম্প্রতি হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের রিসোর্টকাণ্ডের পর একে একে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার অভিযান শুরু করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এরই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার চট্টগ্রাম থেকে হেফাজতের আরেক শীর্ষ নেতা আজিজুল হক ইসলামাবাদীকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ একটি দল। তাকে বর্তমানে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ছাড়া এরই মধ্যে সংগঠনটির আরো অনেক নেতা গ্রেপ্তার হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।



সাতদিনের সেরা