kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

‘করোনা মোকাবেলায় আস্থা রাখুন শেখ হাসিনার ওপর’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ এপ্রিল, ২০২১ ২০:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘করোনা মোকাবেলায় আস্থা রাখুন শেখ হাসিনার ওপর’

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী বলেছেন, করোনা মহামারির কারণে জাতি হিসেবে আমরা অত্যন্ত কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। প্রতিনিয়ত বাড়ছে মৃত্যুর হাহাকার, অনুভব করছি প্রিয়জন হারানোর তীব্র ব্যথা। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার লকডাউন ঘোষণার পর জনদুর্ভোগ দূর করতে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। জীবনের পাশাপাশি জীবিকার চাকা সচল রাখতে আমাদের আস্থার ঠিকানা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর আস্থা রাখুন, ভরসা রাখুন স্রষ্টার প্রতি। সবার প্রচেষ্টা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নিশ্চয়ই এ মহামারি থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে আবারও ফিরবে পৃথিবী নিজ রূপে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর হাজারীবাগে চৈত্রসংক্রান্তি উপলক্ষে ঢাকাবাসীর উদ্যোগে ‘করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে মাস্ক ব্যবহার করুন’ স্লোগানকে সামনে রেখে মাস্ক বিরতণ ও প্রতীকী ঘুড়ি উড়ানো ও লাটিম খেলার উদ্বোধন শেষে তিনি একথা বলেন।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটির সহযোগীতায় ঢাকাবাসীর আজীবন সদস্য ইকো মটরস অ্যান্ড ব্যাটারি লিমিটেড’র চেয়ারম্যান কাজী জসিমুল ইসলাম বাপ্পীর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম, ঢাকাবাসীর সভাপতি মো. শুক্কুর সালেক, মহাসচিব শেখ খোদাবকস, খন্দকার ওয়াদুল করিম বাপ্পী, আসাদ, শাহীন পারভীন, লুৎফর আহসান বাবু প্রমুখ। 

করোনার মহামারি থেকে উত্তরণে সবাইকে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে সুজিত রায় নন্দী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং স্রষ্টার অপার কৃপায় নিশ্চয়ই আমরা সবাই এ সংকট কাটিয়ে উঠবো ইনশাআল্লাহ। তবে আমরা মনে করি, সরকারের একার পক্ষে পরিস্থিতি মোকাবেলা অসম্ভব। সংকটের এই সময়ে এসে সরকারি-বেসরকারি সংস্থার পাশাপাশি ব্যক্তি উদ্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে তাই দেশের মানুষের সুরক্ষা তথা সংক্রমণ রোধে শেখ হাসিনা সরকার যে সর্বাত্মক লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা আমাদের জীবনের সুরক্ষার স্বার্থেই।

চৈত্রসংক্রান্তি ও পহেলা বৈশাখ প্রসঙ্গে সুজিত রায় নন্দী বলেন, আবহমানকাল ধরে বাংলার গ্রাম গঞ্জে এই উৎসব পালিত হচ্ছে। গ্রামীণ মেলা ও বিভিন্ন খেলা ছিল মূল আকর্ষণ। তিনি বলেন, আমরা অসাম্প্রদায়িক দেশ। পয়লা বৈশাখ আমাদের সকল সংকীর্ণতা কুপমণ্ডতা পরিহার করে উদারনৈতিক জীবন ব্যবস্থা গড়তে উদ্বুদ্ধ করে।



সাতদিনের সেরা