kalerkantho

সোমবার । ৬ বৈশাখ ১৪২৮। ১৯ এপ্রিল ২০২১। ৬ রমজান ১৪৪২

পিছু হটল হেফাজত, মুন্সীগঞ্জের সমাবেশ হচ্ছে না

১৪৪ ধারা জারি

অনলাইন ডেস্ক   

৮ এপ্রিল, ২০২১ ১১:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পিছু হটল হেফাজত, মুন্সীগঞ্জের সমাবেশ হচ্ছে না

নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের সময় দেশের বিভিন্ন জায়গায় সহিংস বিক্ষোভ করেছিল হেফাজতে ইসলাম।

সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনের প্রতিবাদে হেফাজতের ডাকা বিক্ষোভ ও হরতাল থেকে সৃষ্ট সহিংসতায় অন্তত ১৭ জনের প্রাণহানি ও নজিরবিহীন তাণ্ডবের রেশ এখনো কাটেনি। এরই মধ্যে ঢাকার কাছে মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলায় ইসলামপন্থী সংগঠনটি নতুন করে সমাবেশের ডাক দেওয়ায় জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল। তবে পুলিশ ও প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত পিছু হটেছে হেফাজত। সমাবেশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় হেফাজতে ইসলামের সহিংস বিক্ষোভের সময় মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (০৮ এপ্রিল) সিরাজদিখান উপজেলায় বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছিল সংগঠনটি।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারির পর বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে পিছু হটে হেফাজতে ইসলাম। বুধবার সন্ধ্যায় তারা সমাবেশ স্থগিতের ঘোষণা দেয়।

এর আগে মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার আব্দুল মোনেম এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ১৪৪ ধারা অমান্য করে হেফাজতে ইসলাম যদি সভা-সমাবেশ কিংবা লোক জড়ো করার চেষ্টা করে তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জ্বল জানিয়েছেন, যেকোনো ধরনের সংঘাতের আশঙ্কায় ৫০০-এর বেশি পুলিশ সদস্য ওই এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে। হেফাজত যাতে কোনোভাবেই আজকের এই সমাবেশ করতে না পারে সে জন্য সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জের স্থানীয় সাংবাদিক মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জ্বল জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার রাত ১০টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে কেয়াইন ইউনিয়নের কুচিয়ামোড়া কলেজ মাঠ এবং নিমতলা বাসস্ট্যান্ডসহ চারটি জায়গায়।

এদিকে হেফাজতে ইসলামের সহকারী প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ ফয়সাল জানিয়েছেন, 'এরই মধ্যে সমাবেশ স্থগিত করা হয়েছে এবং মুন্সীগঞ্জের ওই এলাকায় হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা জড়ো হবেন না। করোনা পরিস্থিতিতে আমরা নিজেরাই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ ছাড়া প্রশাসনের তরফ থেকেও আমাদের স্থানীয় নেতাদের কাছে অনুরোধ করা হয়েছিল।'

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহের হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালের সময় মুন্সীগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছিল। ওই ঘটনায় পুলিশ ও হেফাজতে ইসলামের সমর্থকরা আহত হয়েছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা