kalerkantho

সোমবার । ৬ বৈশাখ ১৪২৮। ১৯ এপ্রিল ২০২১। ৬ রমজান ১৪৪২

মিয়ানমারের ‘মুক্তিসংগ্রামে’ বৃহত্তর মোর্চা

গাজীউল হাসান খান   

৮ এপ্রিল, ২০২১ ০৪:০৬ | পড়া যাবে ৮ মিনিটে



মিয়ানমারের ‘মুক্তিসংগ্রামে’ বৃহত্তর মোর্চা

দিন দিন মিয়ানমারের সামরিক জান্তার সর্বব্যাপী স্বেচ্ছাচারিতা ও নির্যাতনের মুখে প্রাণ হারাচ্ছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংগ্রামরত স্থানীয় ছাত্র-জনতা। গত ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৫০০ নিরস্ত্র সাধারণ নাগরিককে হত্যা করা হয়েছে প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে। গণতান্ত্রিক বিশ্বের তীব্র প্রতিবাদের মুখেও থামছে না জান্তার ফ্যাসিবাদী আক্রমণ ও নির্যাতনের মাত্রা। রাজপথে প্রতিবাদী জনতার ওপর হামলা কিংবা রাতের অন্ধকারে ঘরে ঘরে তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের পরিমাণ অপ্রতিরোধ্য গতিতে বেড়েই চলেছে। এর পেছনে মহা শক্তিধর চীনের মদদকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্ব এবং গণতন্ত্রমনা অন্যান্য জনগোষ্ঠী। জাতিসংঘের আহ্বানে নিউ ইয়র্কে গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত সব পরাশক্তি ও অন্য প্রভাবশালী সদস্যদের সভায় মিয়ানমারের কাছে সব রকম অস্ত্র বিক্রির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছিল। যুক্তরাজ্য সে ব্যাপারে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করলেও চীনের বিরোধিতায় সে প্রস্তাব সম্পূর্ণ ভেস্তে যায়। তাতে বিক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও অন্যরা।

মধ্যপ্রাচ্যে বাশার আল আসাদের ফ্যাসিবাদী ও অগণতান্ত্রিক সরকারের প্রতি রাশিয়ার সমর্থনে যেমন সৃষ্টি হয়েছে এক বিপর্যস্ত ও বিপন্ন সিরিয়া, তেমনি চীনের অযৌক্তিক সমর্থনের কারণে এশিয়ার বুকে মিয়ানমারে সৃষ্টি হচ্ছে আরেক সিরিয়া। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে পাঁচ লক্ষাধিক এবং নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে তুরস্কসহ বিদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে প্রায় ১৫ লাখ অসহায় বিপন্ন মানুষ। মিয়ানমারেও সে হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে পুরো মাত্রায়। মিয়ানমারের রেঙ্গুন, মান্দালয় ও অন্যান্য ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার জান্তাবিরোধী ও গণতন্ত্রমনা মানুষ এখন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার কারণেই আরো ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে এবং হাতে তুলে নিচ্ছে বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র। নতুন করে জোট বাঁধছে মিয়ানমারের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গ্রুপগুলো। তাতে একদিকে যেমন বেড়ে যাচ্ছে সামরিক জান্তার বাহিনীর ওপর তাদের সশস্ত্র হামলা, তেমনি অন্যদিকে প্রতিবাদী সাধারণ নাগরিকদের ওপর সেনাবাহিনীর নির্যাতনের পরিমাণও বেড়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া ঘরে ঘরে তল্লাশি, গ্রেপ্তার ও বিভিন্ন অত্যাচারের ফলে বিপন্ন ও অসহায় মানুষ এখন প্রতিবেশী রাষ্ট্র থাইল্যান্ড ও ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে। এর আগে অর্থাৎ সাম্প্রতিক সামরিক অভ্যুত্থানের অনেক আগেই তাদের সম্প্রদায়গত উচ্ছেদ অভিযানের কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে মিয়ানমারের ১১ লাখ রোহিঙ্গা। তাদের প্রধান অপরাধ রোহিঙ্গারা মূলত ইসলাম ধর্মাবলম্বী একটি দরিদ্র জনগোষ্ঠী।

এশিয়ার বুকে অর্থাৎ মিয়ানমারে যে আরেকটি সিরিয়ার জন্ম হতে যাচ্ছে সে ব্যাপারে লন্ডনের প্রভাবশালী দৈনিক গার্ডিয়ানে সম্প্রতি একটি নিবন্ধ রচনা করেছেন তাদের নিয়মিত লেখক সায়মন টিসডাল। তাঁর লেখায় টিসডাল বারবার শুধু একটি কথাই জোর দিয়ে বলার চেষ্টা করেছেন। আর তা হলো, সময়োচিত পদক্ষেপ এবং বিবদমান গ্রুপগুলোর মধ্যে অর্থবহ কিংবা মূল সমস্যার সমাধানমূলক আলোচনা হলে আজকের সিরিয়ার উদ্ভব হতো না। কিন্তু বাশার আল আসাদের একগুঁয়েমি এবং সিরিয়ার ওপর ইরান ও সব শেষে রাশিয়ার প্রভাব বিস্তারের প্রক্রিয়া শুধু সিরিয়া নয়, সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যকে একটি সম্ভাব্য রণক্ষেত্রে পরিণত করেছে। তুরস্কসহ দু-একটি পশ্চিমা শক্তি সিরিয়ার সমস্যা সমাধান করার আপ্রাণ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। তার প্রধান কারণ মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তার ও জ্বালানি তেলসহ অন্যান্য সম্পদ নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া বৃহৎ শক্তিগুলোর দীর্ঘদিনের। সেখানে স্থানীয়ভাবে ইরান কিংবা প্রতিবেশী হিসেবে রাশিয়া আর দূরে থাকবে কেন? মিয়ানমারের পরিস্থিতিও ভিন্নপথে এবং ভিন্নভাবে একই গন্তব্যের দিকে যাচ্ছে। মিয়ানমারের সামরিক জান্তা জেনারেল মিন অং হ্লাইং হচ্ছেন সিরিয়ার স্বৈরশাসক বাশার আল আসাদের নিকটতম দোসর। তাঁদের উভয়ের লক্ষ্য হচ্ছে ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে নিজের হাতে তুলে নেওয়া। তাঁরা গণতন্ত্র বোঝেন না। মানবাধিকারের সঙ্গে তাঁদের দৃশ্যত কোনো সম্পর্ক নেই। মিয়ানমারে সিরিয়ার মতো রাশিয়া নয়, হাত বাড়িয়েছে প্রতিবেশী চীন। মিয়ানমারের প্রশ্নে চীন দ্বৈত ভূমিকা পালন করছে। নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি সভায় চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত ঝাং জুন গত সপ্তাহে বলেছেন, চীন মিয়ানমারে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংলাপ এবং সর্বোপরি স্থিতিশীলতা চায়। তবে মিয়ানমারের কাছে কোনো ধরনের সমরাস্ত্র বিক্রি করার ব্যাপারে তারা আন্তর্জাতিকভাবে নিষেধাজ্ঞা জারির বিপক্ষে। পরিষ্কারভাবে এ ধরনের ভেটো প্রয়োগ করার অর্থ কী? চীন কি তাহলে চায় যে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা গণতন্ত্রকামী সাধারণ মানুষকে নিষ্পেষিত করে তাদের স্বৈরশাসন অব্যাহত রাখুক?

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা অভ্যুত্থানের পর অং সান সু চিকে বন্দি করেই ক্ষান্ত হয়নি। তারা সু চির বিরুদ্ধে একতরফাভাবে এক বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করেছে। তাদের ধারণা, সু চিকে স্তব্ধ করতে পারলে গণতন্ত্রকামী জনতা ক্রমে ক্রমে জব্দ হয়ে পড়বে। কিন্তু সে ধারণা কতটুকু বাস্তবমুখী? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কারারুদ্ধ করে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা কি বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মুক্তিকামী মানুষের আন্দোলনকে ঠেকিয়ে রাখতে পেরেছিল? চীনসহ মিয়ানমারের দু-একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্র সে সত্যকে এখনো উপলব্ধি করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। বিশ্বব্যাপী এখন ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে সেসব প্রতিবেশী রাষ্ট্রের স্বার্থপরতার বিরুদ্ধে। মিয়ানমারের সামরিক জান্তাকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রেখে আঞ্চলিকভাবে প্রভাব-প্রতিপত্তি ও বাণিজ্য বৃদ্ধি কোনোভাবেই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় ফলপ্রসূ হবে না বলে গণতান্ত্রিক বিশ্ব মনে করে। মিয়ানমারের গণতন্ত্র ও মুক্তিকামী জনতা একদিন তাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে উপনীত হতে সক্ষম হবে বলে ওয়াকিফহাল মহল মনে করে। তারা এ ব্যাপারেও আশান্বিত যে মিয়ানমারের সংখ্যালঘু বিভিন্ন সম্প্রদায়ভুক্ত জনগোষ্ঠীও ক্রমে ক্রমে তাদের গণতান্ত্রিক ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে। তারা অর্জন করবে তাদের স্বাধিকার।

মিয়ানমারের সামরিক জান্তার স্বেচ্ছাচারিতা, নির্যাতন ও নিষ্পেষণের মুখে ব্যাপকভাবে এখন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে শুরু করেছে মিয়ানমারের সংগ্রামী জনতা। তারা এখন রাজধানী নগরী থেকে দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন শহর ও গ্রামাঞ্চলেও বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিতে শুরু করেছে। তারা এখন জান্তার রকেট প্রপেলড স্বল্পপাল্লার অস্ত্র কিংবা গ্রেনেড এবং এমনকি মেশিনগানের গোলার মুখেও পাল্টা প্রতিরোধ আক্রমণ শুরু করেছে। হাত মেলাতে শুরু করেছে বিভিন্ন সম্প্রদায়গত মুক্তিকামী মিলিশিয়ার সঙ্গে। এরই মধ্যে ক্যারেন ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে স্থানীয় বিভিন্ন সম্প্রদায়গত সংখ্যালঘু মিলিশিয়া। মিয়ানমারের মুক্তিকামী গেরিলা সংগঠন নর্থ অ্যালায়েন্স আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে তাদের সীমিত অথচ সংগঠিত শক্তি নিয়ে। নর্থ অ্যালায়েন্সের রয়েছে ক্যারেন ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি, কাচিন ইনডিপেনডেন্স আর্মি, তা’আং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি এবং মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি। আরাকান আর্মি নামের একটি গোরিলা গ্রুপও রয়েছে নর্দান অ্যালায়েন্সে, যাতে রয়েছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর যোদ্ধারা। ক্যারেন ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি বহু দশক ধরে তাদের স্বাধিকার আদায়ের জন্য গেরিলা যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সামরিক জান্তার শক্তিশালী অপারেশনের মুখে তারা খুব বেশি দূর অগ্রসর হতে পারেনি। এবার তারা শামিল হয়েছে বৃহত্তর অ্যালায়েন্স বা মোর্চায়। অং সান সু চির দলের নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য ও সমর্থকদের নিয়ে অতি সম্প্রতি গঠিত হয়েছে সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে একটি সমান্তরাল সরকার। এ সরকার একটি নতুন কেন্দ্রীয় বা ফেডারেল সংবিধান রচনার পক্ষে। সে সংবিধানে সম্প্রদায়গতভাবে সংখ্যালঘুদের অধিকারের স্বীকৃতি প্রদান করতেও তারা বদ্ধপরিকর বলে জানা গেছে।

মিয়ানমারের জনপ্রিয় নেত্রী অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সামরিক অভ্যুত্থান, সু চির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা এবং গণতন্ত্রকামী জনতার বিরুদ্ধে নির্যাতন ও নিষ্পেষণের মুখে এবারই প্রথম মিয়ানমারের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী অর্থাৎ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অধিকারসচেতন মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এবং বৃহত্তর স্বাধিকার আদায়ের দাবিতে হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছে। এশিয়ার জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের ইতিহাসে মিয়ানমারের বর্তমান গণ-আন্দোলন কিংবা ভিন্ন ভাষায় গণযুদ্ধ এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কিন্তু তাতেও মিয়ানমারের সামরিক জান্তা কিংবা তাদের মদদদানকারী শক্তিশালী চীনের কোনো বোধোদয় হয়েছে বলে মনে হয় না। চীন বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামেও সমর্থন দেয়নি। কিন্তু তাতেও বাংলাদেশের গেরিলাযুদ্ধ থেমে থাকেনি। মিয়ানমারের ক্ষেত্রে হয়তো বা একই কথা প্রযোজ্য হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে, অর্থাৎ স্বাধীনতা বা মুক্তিকামীদের ঐক্য বজায় থাকলে একদিন হয়তো সামরিক স্বৈরাচারকে পরাজিত করে থাইল্যান্ড, বাংলাদেশ কিংবা ভারতে আশ্রিত মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা মুক্ত স্বদেশে ফিরে যাবে। তাদের দেশে প্রতিষ্ঠিত হবে গণতন্ত্র, রচিত হবে নতুন সংবিধান এবং সম্প্রদায়গতভাবে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী অর্জন করবে তাদের স্বাধিকার। কক্সবাজার কিংবা ভাসানচরে ঠাঁই নেওয়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয়শিবির হয়তো একদিন শুধুই স্মৃতি হয়ে থাকবে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন, মিয়ানমারের সামরিক জান্তাদের বিদায়, গণতন্ত্র ও মিয়ানমারের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর ন্যায়সংগত অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশ ও প্রতিষ্ঠান বর্তমানে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে চীনের বোধোদয় হওয়া অত্যন্ত আবশ্যক, যা গণতন্ত্রমনা মুক্তিকামী মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে অনেক সহজ করে তুলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অতীতের বর্মা কিংবা বর্তমানের মিয়ানমারে সামরিক শাসন নতুন নয়। সে শাসন গণতন্ত্রকামী সভ্য বিশ্বের মুখে কালিমা লেপন করেছে, যার দ্রুত অবসান বাঞ্ছনীয় বলে অধিকারসচেতন মানুষ মনে করেন। মিয়ানমারের জনগণের বৃহত্তর মুক্তির সংগ্রাম শেষ পর্যন্ত শুরু হয়েছে। এ সংগ্রাম যতই তীব্রতর হবে, মুক্তির সম্ভাবনাও ততই ত্বরান্বিত হবে বলে বিশ্বাস।

লেখক : বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাবেক প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক [email protected]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা