kalerkantho

বুধবার । ২৮ বৈশাখ ১৪২৮। ১১ মে ২০২১। ২৮ রমজান ১৪৪২

আ স ম রব বললেন

‘রাষ্ট্রীয় নৈরাজ্য বন্ধ না করলে সামাজিক-রাজনৈতিক নৈরাজ্য বন্ধ হবে না’

অনলাইন ডেস্ক   

৪ এপ্রিল, ২০২১ ২১:৫০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘রাষ্ট্রীয় নৈরাজ্য বন্ধ না করলে সামাজিক-রাজনৈতিক নৈরাজ্য বন্ধ হবে না’

ফাইল ফটো

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে (ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে) জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন কর্তৃত্ববাদী শাসন ব্যবস্থা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নৈরাজ্যের প্রণোদনা যোগাচ্ছে। প্রজাতন্ত্রের মালিকানা জনগণের, কিন্তু রাতের আঁধারে প্রশাসনের সহায়তায় ভোট সম্পন্ন করার মাধ্যমে জাতীয় রাজনীতিতে বড় ধরনের নৈরাজ্য সৃষ্টির দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। সুতরাং রাষ্ট্রীয় নৈরাজ্য বন্ধ না করলে সামাজিক ও রাজনৈতিক নৈরাজ্য বন্ধ হবে না।

আজ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর কেন্দ্রীয় কাউন্সিল '২১ অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় প্রেসক্লাব  মিলনায়তনে।কাউন্সিল উদ্বোধন করেন ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তৌফিক উজ জামান পীরাচার সভাপতিত্বে  বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি'র কার্যকরী সভাপতি সা কা ম আনিসুর রহমান খান ও মোঃ সিরাজ মিয়া। কাউন্সিল অধিবেশনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেএসডি কেন্দ্রীয় নেতা এ্যাড. কে এম জাবের, এ্যাড. সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল, মোসাররফ হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা এস এম শামসুল আলম নিক্সন, হাজী আখতার হোসেন ভুইয়া প্রমুখ।

আ স ম  রব আরো বলেন, অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে জনগণের সম্মতি ও সমর্থনের ভিত্তিতে সরকার গঠনের অধিকার ফিরিয়ে আনা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং মত প্রকাশের উপর বাধা নিষেধের অবসান করার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। গণতন্ত্রের বিপরীতে গিয়ে আইনের শাসন নীতি-নৈতিকতা বিলীন করে দিয়ে দুর্নীতি ও অপচয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় আদর্শ বাস্তবায়ন করা যায় না। রাষ্ট্রীয়  অন্যায় অবিচার এর বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ বিক্ষোভকে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ বা রক্তপাত এর মাধ্যমে নিরসন করার একমাত্র পন্থা কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না।

কাউন্সিল উদ্বোধনী বক্তৃতায় ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, এদেশ নির্মাণে ছাত্রসমাজের বিশাল ভূমিকা রয়েছে। পতাকা নির্মাণ ও উত্তোলন,  স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠসহ ছাত্রলীগের ঐতিহাসিক ভূমিকা জাতির অস্তিত্বের সাথে জড়িত। ছাত্র সমাজ স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিসংগ্রামে নিয়ামক শক্তি হিসেবে ভূমিকা রেখেছে।  ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার  সরকারের চক্রান্ত মোকাবেলায় গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত করাই একমাত্র বিকল্প।

উদ্বোধনী অধিবেশন শেষে কাউন্সিল অধিবেশনে তৌফিক উজ জামান পীরাচা সভাপতি ও আব্দুল্লাহ আল রাফিনকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হয়। এতে সহ সভাপতি গোলাম ফারুক সরকার, সামিয়া মোশারফ আলিফ, জাহিদ হাসান জসিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুল হাসান মুক্তার, মোঃ মোস্তফা আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোসলেহ উদ্দিন বিজয়, শাহরিয়ার সৌখিন ও আতিকুর রহমান কাবুল নির্বাচিত হয়েছেন।



সাতদিনের সেরা