kalerkantho

বুধবার । ২৮ বৈশাখ ১৪২৮। ১১ মে ২০২১। ২৮ রমজান ১৪৪২

পরিবেশ মন্ত্রী বললেন

‘দেশবাসীকে বাসযোগ্য পরিবেশ উপহার দিতে কাজ করা হচ্ছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩১ মার্চ, ২০২১ ১৭:২৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘দেশবাসীকে বাসযোগ্য পরিবেশ উপহার দিতে কাজ করা হচ্ছে’

ফাইল ফটো

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন,  দেশের পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলাসহ সার্বিক পরিবেশ উন্নয়ন পূর্বক দেশবাসীকে বাসযোগ্য পরিবেশ উপহার দিতে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন অধিদপ্তরের মাধ্যমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জনগণের কল্যাণে গৃহীত  এ প্রকল্পগুলো গুণগত মান বজায় রেখে যথাসময়ে বাস্তবায়ন করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান।

আজ বুধবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের  ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য ভার্চুয়ালী আয়োজিত মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে পরিবেশ মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার বলেন, কোভিড-১৯ সংক্রমণকালে কিছু কার্যক্রম ব্যহত হলেও যে সকল প্রকল্পে পুকুর খনন ও বিভিন্ন ধরনের নির্মাণ কাজ আছে তা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালিয়ে যেতে হবে।  উপমন্ত্রী এসময় বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেইঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড এর অর্থায়নে চলমান প্রকল্পের গুনগত মান বজায় রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান।

বন অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায় জানান, সুফল প্রকল্পের আওতায় বিগত ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ অর্থবছরে পাহাড়ীবন এলাকায় ১০ হাজার ৯৩৪ হেক্টর, শালবন এলাকায় ৩ হাজার ৪২৪.৫০ হেক্টর, উপকুলীয় এলাকায় ৪ হাজার ৬১০ হেক্টর বনায়ন করা হয়েছে। এছাড়া, ১ হাজার ৪৯৬ কিলাে মিটার স্ট্রিপ বনায়ন ও ৬১০ কি.মি গােলপাতা বনায়ন করা হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেশের ১৬৫টি উপজেলায় ৩৩.৫৪ লক্ষ চারা সহ মোট ৫১ লক্ষ ৩১ হাজার চারা বিতরণ করা হয়েছে।

সুফল প্রকল্পের পরিচালক আরও জানান,  চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ইতোমধ্যে উপকূলীয় এলাকায় ৬ হাজার ৩২০ হেক্টর ম্যানগ্রোভ বনায়ন  সৃজন করা হয়েছে। এছাড়া পাহাড়ীবন এলাকায় ১০ হাজার ১০৯ হেক্টর, শালবন এলাকায় ২ হাজার ৮২১ হেক্টর এবং উপকূলীয় এলাকায় ৯৪০ হেক্টর, ৭২০ কিলোমিটার স্ট্রিপ বনায়ন ও ৬৫০ কি.মি গোলপাতা বনায়ন সৃজনের জন্য নার্সারি উত্তোলন করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রকল্পের আওতায় সাইট-স্পেসিফিক প্লানিং (এসএসপি) প্রনয়ন, স্থানীয় প্রজাতির সংমিশ্রণে বাগান সৃজন, বন্যপ্রাণির আবাসস্থল ও করিডোর উন্নয়ন, বিরল ও সংকটাপন্ন প্রজাতির বনায়ন, বিদেশী ও আগ্রাসী প্রজাতি নিরুৎসাহিত করণ এবং বন ব্যবস্থাপনায় বন-নির্ভর স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করণের মাধ্যমে বনায়নে নুতন মাত্রা যোগ করা হচ্ছে।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার,  সচিব জিয়াউল হাসান এনডিসি, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মাহমুদ হাসান, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) আহমদ শামীম আল রাজী, অতিরিক্ত সচিব (জলবায়ু পরিবর্তন) মোঃ মিজানুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ) মোঃ মনিরুজ্জামান, বন অধিদফতরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরীসহ দফতর প্রধানগণ ও বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকরা আলোচনায় অংশ নেন। সভায় সকলে চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি বিষয়ে আলোচনা করেন এবং যথাসময়ে যথানিয়মে সম্পন্ন করার বিষয়ে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।



সাতদিনের সেরা