kalerkantho

শুক্রবার । ১১ আষাঢ় ১৪২৮। ২৫ জুন ২০২১। ১৩ জিলকদ ১৪৪২

স্পিকার বললেন

কমনওয়েলথভূক্ত দেশগুলোর সমষ্টিগত শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ মার্চ, ২০২১ ১৮:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কমনওয়েলথভূক্ত দেশগুলোর সমষ্টিগত শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে

কমনওয়েলথভূক্ত দেশগুলোর সমষ্টিগত শক্তিকে এক্ষেত্রে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৭৫ সালে জ্যামাইকার কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশগুলোর মাঝে অর্থনৈতিক অসমতা নিরসনে পারস্পরিক সহযোগিতাপূর্ণ নীতি নির্ধারণে গুরুত্বারোপ করেছিলেন। তাঁরই সূত্র ধরে উদ্ভাবনী সমাধানের মাধ্যমে বৈষম্য নিরসনে কমনওয়েলথ কাজ করে যাচ্ছে।

আজ সোমবার ‘রিডিসকভারিং কমনওয়েলথ ফর ডেলিভারিং এ কমন ফিউচার’ শীর্ষক ওয়েবিনারে বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন তিনি। ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ওয়েবিনারে আরো বক্তৃতা করেন ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সালিমুল হক, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, সাবেক রাষ্ট্রদূত ফারুক সোবহান প্রমূখ।

এ সময় স্পিকার বলেন, কমনওয়েলথের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক সুদৃঢ়। কমনওয়েলথ বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপের ব্যবস্থা করেছে। এছাড়া কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর গণতন্ত্র, সুশাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে থাকে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশন (সিপিএ)। জাতীয় সংসদ ২০১৪ সালে তিন বছরের জন্য সিপিএ নির্বাহী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিল, যা ছিল অত্যন্ত গুরুত্ববহ।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পাশাপাশি সবুজ ও নিরাপদ পৃথিবী বিনির্মানে কাজ করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হয়েছে। অত্যন্ত দক্ষতা ও দুরদর্শিতার সাথে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলার মাধ্যমে তিনি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

স্পিকার বলেন, বিশ্বায়নের যুগে মানবজাতি অনেকগুলো উদীয়মান চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। কোভিড পরবর্তী নিওনরমাল পরিস্থিতিতে জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবেলা, নিরাপদ পানি ব্যবস্থাপনা, খাদ্য নিরাপত্তা, লিঙ্গসমতা নিশ্চিতকরণ ইত্যাদি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কমনওয়েলথকে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সাথে নিয়ে অভিনব ধারণা ও কৌশল অবলম্বন করতে হবে। যে সকল দেশ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী তাদেরকে দুর্যোগপ্রবণ দেশগুলোর কাছে দায়বদ্ধ হতে হবে। এজন্য সকলের সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন।

স্পিকার বলেন, সদস্য দেশগুলোর কল্যাণে সাধারণ স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়ে কমনওয়েলথ বৈশ্বিক প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং অভিজ্ঞতা ও মতামত বিনিময়ের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের দিকে কমনওয়েলথকে গুরুত্বারোপ করতে হবে।



সাতদিনের সেরা