kalerkantho

মঙ্গলবার । ৭ বৈশাখ ১৪২৮। ২০ এপ্রিল ২০২১। ৭ রমজান ১৪৪২

রাজারবাগ পুলিশ লাইনস

যোদ্ধাদের বর্ণনায় প্রথম প্রতিরোধ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা এসেছে কোটি মানুষের ত্যাগে, বীরত্বে। স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষায় জীবনকে তুচ্ছ করেছেন তাঁরা। মৃত্যু জেনেও অস্ত্রসজ্জিত পাকিস্তানি বাহিনীর সামনে দাঁড়িয়েছেন নির্ভয়ে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলেন বাঙালি পুলিশ সদস্যরা। সেই প্রতিরোধ যুদ্ধের তিন যোদ্ধার মুখে সেদিনের বর্ণনা শুনেছেন কালের কণ্ঠ’র জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক লায়েকুজ্জামান

অনলাইন ডেস্ক   

২৬ মার্চ, ২০২১ ০২:২০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



যোদ্ধাদের বর্ণনায় প্রথম প্রতিরোধ

আবদুল আলী খান

কনস্টেবল নম্বর ৪৩৫১

রাজারবাগে পাকিস্তানি সেনারা হামলা শুরু করে রাত ১২টা ১৫ মিনিটে। এর কিছু সময় আগেই আমরা খবর পেয়ে যাই, হামলা হতে পারে। পাকিস্তানি সেনারা অস্ত্রসজ্জিত হয়ে সড়কে অবস্থান করছে। খবর পেয়ে ঘণ্টা বাজিয়ে আমরা বাঙালি পুলিশ সদস্যরা অস্ত্রাগারের সামনে জড়ো হই।

সে রাতটা ঢাকা শহরের অন্যান্য রাত থেকে বেশ কোলাহলমুক্ত ছিল, সড়কেও মানুষের চলাচল কম ছিল। একটা কিছু হতে পারে—এমন আশঙ্কা ছিল সবখানে। রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের উত্তর দিকের গেটের কাছেই ওয়্যারলেস অফিসের সামনে দিয়ে যাচ্ছি। হঠাৎ পেছন থেকে একজনের ডাক শুনলাম, থমকে দাঁড়ালাম। লোকটি একটি লাল রঙের মোটরসাইকেলে এসে ওয়্যারলেসের সামনে দাঁড়িয়েছেন। জানতে চাইলেন, আমি বাঙালি পুলিশ কি না। হ্যাঁ-সূচক জবাব দেওয়ায় তিনি জানতে চাইলেন, কোনো অফিসার আছে কি না। কোনো অফিসার খুঁজে পাওয়া গেল না। এবার লোকটি বললেন, ‘শুনুন, রাতেই পাকিস্তানি সেনারা রাজারবাগে আক্রমণ করতে পারে। কাকরাইলে শতাধিক সামরিক ট্রাকে অস্ত্রসজ্জিত হয়ে পাকিস্তানি সেনারা দাঁড়িয়ে রয়েছে। আমি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ নিয়ে এসেছি। তিনি সব বাঙালি পুলিশকে প্রতিরোধ করতে বলেছেন।’ কথাগুলো বলে তিনি মোটরসাইকেল স্টার্ট দিয়ে পশ্চিম দিকে যাত্রা করলেন। চিৎকার করে তাঁর পরিচয় জানতে চাইলে চলন্ত অবস্থায় বললেন, ‘আমি বঙ্গবন্ধুর ছেলে।’

খবরটা পাওয়ার পর আবার আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের খুঁজতে থাকি। কাউকে খুঁজে পেলাম না। এ সময় আমি পুলিশ লাইনসের ঘণ্টা বাজিয়ে দিলাম। বেশির ভাগ পুলিশ সদস্য মাঠে জড়ো হলেন। তাঁদের কাছে আমি বঙ্গবন্ধুর বার্তা পৌঁছে দিলাম। সবাই বললেন, প্রতিরোধ করতে হলে গোলাবারুদ দরকার। অস্ত্রাগারের চাবি পাওয়া গেল না। দায়িত্বরত কর্মকর্তাকেও পাওয়া গেল না। শেষে একজন পুলিশ সদস্যের রাইফেল দিয়ে গুলি চালিয়ে অস্ত্রাগারের তালা ভাঙা হলো। আমি প্রথম অস্ত্রাগারের ভেতরে প্রবেশ করলাম। সব বাঙালি পুলিশ অস্ত্র-গুলি নিয়ে প্রতিরোধের জন্য অবস্থান নিলেন। আমাদের অস্ত্র শুধু থ্রি নট থ্রি রাইফেল। আমরা দেখতে পেলাম, আকাশ আলোকিত হয়ে উঠেছে। পশ্চিম, উত্তর ও পূর্ব দিক দিয়ে পাকিস্তানি সেনাদের গাড়ি এগিয়ে আসছে। রাত তখন ১২টা ১৫ মিনিট। আমি রাইফেল থেকে খান সেনাদের গাড়ি লক্ষ্য করে প্রথম গুলি ছুড়লাম। পাল্টা জবাব এলো ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি। এভাবে একটানা যুদ্ধ চলে প্রায় দুই ঘণ্টা। পাকিস্তানিরা পিছু হটে। আমরা নিজ নিজ অবস্থানেই থাকি।

রাত পৌনে ৩টার দিকে ফের পাকিস্তানি সেনারা আক্রমণ চালায়। এবার তারা কামান, মর্টার শেলের গোলা ও ট্যাংক থেকে গুলি ছুড়তে শুরু করে। গোলার আঘাতে উত্তরের দিকে পাঁচটি টিনশেড ব্যারাকে আগুন ধরে যায় এবং দক্ষিণ দিকে পাঁচতলা ভবন ব্যারাকের দ্বিতীয় তলার একটি অংশ ধসে পড়ে। আমরা আগুনের ওই লেলিহান শিখার মাঝেও যার যার অবস্থান থেকে যুদ্ধ চালিয়ে যাই। এর মধ্যে অনেকে যুদ্ধরত অবস্থায় শহীদ হন, অনেকের গুলি ফুরিয়ে যাওয়ায় পালিয়ে এলাকা ত্যাগ করেন।

এর মধ্যে আজান শুরু হলো, কিন্তু মাঝপথেই থেমে গেল। আজান বন্ধ হওয়ায় আমার মনে হলো, পাকিস্তানি সেনারা ব্যারাকে ঢুকে পড়েছে। রাইফেল ও কিছু গুলি নিয়ে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে আশ্রয় নিলাম। সেখানে আহত কয়েকজনকে দেখলাম। রাইফেলটা হাসপাতালের বেডের নিচে রেখে হাসপাতালের একটি চাদর পরে সন্ধ্যার পর বেরিয়ে পড়লাম। টিঅ্যান্ডটি কলোনির দেয়াল পার হওয়ার সময় মনে হলো, পীরজঙ্গি মাজারের দিক থেকে আমাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হচ্ছে। টের পেলাম, মাথার ওপর দিয়ে গুলি যাচ্ছে। টিঅ্যান্ডটি কলোনি থেকে গেলাম মতিঝিল কলোনি, এরপর কারফিউ শিথিল হলে সোজা ভারতের মেঘালয়ে চলে যাই। আবার দেশে ফিরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিই।

মো. মোশারফ হোসেন

কনস্টেবল নম্বর ৪৯৬০

ওয়্যারলেস অপারেটর হিসেবে মিন্টো রোডে দায়িত্বে ছিলাম। থাকতে হতো তাঁবু টানিয়ে। রাত ১১টা থেকেই ওয়্যারলেসে নানা ধরনের শব্দ শোনা যাচ্ছিল, তার বেশির ভাগই উর্দু ভাষায় বাঙালি পুলিশের উদ্দেশে অশ্রাব্য গালাগাল। বাংলা অর্থ দাঁড়ায়, ‘সব বাঙালি শুয়োরের বাচ্চা, দ্রুত ওয়্যারলেস বন্ধ কর।’ বলতে গেলে ৭ মার্চের পর থেকে বাঙালি পুলিশের মাঝেও গোপনে আলোচনা চলত যে পাকিস্তানিরা আমাদের আক্রমণ করতে পারে, ওদের সঙ্গে যুদ্ধ বাধতে পারে। এ ধরনের একটি মানসিক অবস্থা আমাদের মধ্যে ছিল। এক পর্যায়ে ওয়্যারলেসে আমরা গুলির শব্দও শুনতে পাচ্ছিলাম। আমরা তিন-চারজন ছিলাম। গুলির আওয়াজ পাওয়ার পর আমরা মনে করলাম, দ্রুত খবরটা রাজারবাগে দেওয়া দরকার। আমরা প্রায় দৌড়ে রাজারবাগে পৌঁছে গেলাম। পুলিশ লাইনসে পৌঁছে দেখি, শত শত বাঙালি পুলিশ অস্ত্রাগারের সামনে জড়ো হয়েছেন। অস্ত্রাগারের চাবি পাওয়া যাচ্ছে না। অনেকেই বলাবলি করছিল, খবর এসেছে, পাকিস্তানিরা আক্রমণ করতে আসছে। সে কারণে পাগলাঘণ্টা বাজিয়ে সবাইকে জড়ো করা হয়েছে। কেউ একজন গুলি করে অস্ত্রাগারের তালা ভেঙে ফেললেন, আমরা ভেতরে গিয়ে রাইফেল ও গুলি নিয়ে যার যার মতো অবস্থান নিলাম। যুদ্ধ চালানোর মতো কোনো কমান্ডার ছিল না। যাঁর যাঁর ইচ্ছা অনুসারে সুবিধাজনক অবস্থানে অবস্থান নিচ্ছিলেন। বেশির ভাগই পুলিশের সিপাহি, অফিসার খুবই কম। আমরা কয়েকজন অবস্থান নিলাম পুলিশ লাইনসের ভেতরে পুকুরের ঢালুতে। সঠিক সময়টা মনে নেই, তবে রাত ১২টার খানিকটা পরে পাকিস্তানি সেনারা তিন দিক থেকে আক্রমণ শুরু করল। ভেতর থেকে আমরাও জবাব দিলাম। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তুমুল যুদ্ধ চলল। এক পর্যায়ে পাকিস্তানি সেনারা পিছু হটল। আমরা অবস্থানেই থাকলাম।

তবে এ সময়ে অনেকেই পুলিশ লাইনস ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, দেখলাম। সম্ভবত রাত ৩টা কি সাড়ে ৩টা হবে, ফের পাকিস্তানি সেনারা ভারী অস্ত্র নিয়ে তিন দিক থেকে আক্রমণ করল। অসম্ভব গুলিবর্ষণে আমরা টিকতে পারছিলাম না। আমাদের অস্ত্র শুধু থ্রি নট থ্রি রাইফেল। আবার অনেকের গুলিও ফুরিয়ে গেছে। ওদের মর্টার ও কামানের গোলায় ব্যারাকের পাঁচটি টিনের ঘরে আগুন লেগে গেল। আগুনের তাপ আমাদের গায়ে লাগতে শুরু করল। গুলি ফুরিয়ে গেলে আমি হামাগুড়ি দিয়ে রাজারবাগ ত্যাগ করি, তখনো যুদ্ধ চলছিল। কখনো হেঁটে কখনো হামাগুড়ি দিয়ে চামেলীবাগ পর্যন্ত গেলাম। সড়কে পাকিস্তানি সেনারা টহল দিচ্ছে। আবার অলিগলি দিয়ে সিদ্ধেশ্বরীতে এক আত্মীয়ের বাসার গেটে সোজা দাঁড়াতেই ছুটে এলো গুলি। বাঁচলাম ভাগ্যক্রমে। এরপর কারফিউ শিথিল হলে পোস্তগোলা দিয়ে একটি ছোট নৌকায় কয়েকজন পার হচ্ছিলাম, এমন সময় আবার গুলি, দ্রুত নেমে নদীর পারে একটি ইটের পাঁজার পাশে আশ্রয় নিলাম। দেখলাম, নারায়ণগঞ্জের দিকে যাচ্ছে এমন একটি লঞ্চ লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ছে খান সেনারা। হেঁটে হেঁটে পাঁচ দিন পর নিজের গ্রামের বাড়ি কাশিয়ানী উপজেলার খারহাট গ্রামে পৌঁছলাম। পরে স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা মুক্তি বাহিনীতে যোগ দিয়ে যুদ্ধ করি।

আবদুল ওয়াদুদ

ইন্সপেক্টর নম্বর ১০৫৫

২৫ মার্চ দিনের বেলায় রাজারবাগ লাইনসেই ডিউটিতে ছিলাম। দিনে ডিউটি করে কিছুটা ক্লান্ত ছিলাম বলে একটু আগেই ব্যারাকে ফিরেছিলাম। ব্যারাকে ফিরলেও মনটা কেমন যেন উড়ু উড়ু করছিল। দিনে ডিউটি করার সময়ে আমাদের রাজারবাগের ওয়্যারলেস অপারেটর শাহজাহান ডেকে নিয়ে খুব চুপিসারে বলছিলেন, ‘স্যার, আজ রাতে নাকি একটা কিছু ঘটতে পারে।’ এ ছাড়া কয়েক দিন ধরেই কিছু একটা ঘটবে—এমন চাপা আলোচনা ছিল। পিলখানার একজন অফিসার আমাদের রাজারবাগে এসে ওয়্যারলেস অপারেটরদের প্রশিক্ষণ দিতেন। তাঁর গাড়িতে একজন নায়েক পদবির লোক থাকতেন। তিনি একদিন বলেছিলেন, ‘চোখ-কান খোলা রাখবেন, রাজারবাগের বাঙালি পুলিশের ওপর কিন্তু পাকিস্তানি সেনারা আক্রমণ করতে পারে।’

দেশের রাজনৈতিক অবস্থাও ছিল টালমাটাল। কী হতে যাচ্ছে, তার সঠিক খবর কারো কাছেই ছিল না। এ ছাড়া আমাদের কাছে তো রাজনীতির খবর আসার কথাও নয়। মনের একধরনের অস্থিরতা থেকে ৭ মার্চ রেসকোর্সে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনতে গিয়েছিলাম। বঙ্গবন্ধু তো সুস্পষ্ট স্বাধীনতার কথা বলে দিলেন, ভাষণে যুদ্ধেরও ইঙ্গিত ছিল মনে হচ্ছিল।

রাত ১২টার বেশ আগে ঘুমাতে যাব, এমন সময়ে ঘণ্টা বাজল। জরুরি সংকেত ছাড়া অ্যালার্ম বাজে না। ঘণ্টা শুনে দ্রুত প্যান্ট-শার্ট পরে মাঠে গেলাম। দেখলাম, প্রত্যেক ব্যারাক থেকে বাঙালি পুলিশ সদস্যরা মাঠে এসে জড়ো হচ্ছেন। অনেকে অফিসারদের খুঁজছেন। অস্ত্রাগারের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা চাবি নিয়ে চলে গেছেন। মাঠে গিয়ে শুনলাম, খবর এসেছে কিছু সময়ের মধ্যেই পাকিস্তানি সেনারা রাজারবাগ আক্রমণ করতে আসছে, আমাদের প্রতি নির্দেশ এসেছে প্রতিরোধ করার। এর মধ্যে আমরাই সিদ্ধান্ত নিলাম, দ্রুত অস্ত্রাগার ভেঙে অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিতে হবে। কর্তব্যরত একজন পুলিশ সদস্যকে ডেকে এনে তাঁর রাইফেল থেকে গুলি করে অস্ত্রাগারের তালা ভাঙা হলো। আমরা দ্রুত রাইফেল ও গুলি নিয়ে যার যার মতো পজিশন নিলাম। আমি ছিলাম ফুলবাগানের ভেতরে।

পাকিস্তানিরা তিন দিক থেকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করল। ভেতর থেকেও তুমুল প্রতিরোধ হলো। প্রায় দুই ঘণ্টা যুদ্ধ চলার পর পাকিস্তানি সেনাদের দিক থেকে গুলি করা প্রায় বন্ধ হয়ে গেল। আমরা পজিশনেই থাকলাম। পাকিস্তানিরা এবার কামান, মর্টার ও ট্যাংক নিয়ে আক্রমণ করল। মর্টারের শেলের আঘাতে টিনের ব্যারাকগুলোতে আগুন ধরে গেল। ট্যাংক থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে মেশিনগানের গুলি আসছিল। সেই অবস্থার কথা ভাষায় বর্ণনা করা সম্ভব নয়। এর মধ্যে আমাদের অনেকের গুলিও ফুরিয়ে গেল। আমি ফুলবাগানের মধ্য থেকে ভোরের দিকে হামাগুড়ি দিয়ে টিঅ্যান্ডটি কলোনির দেয়াল টপকে ভেতরে আশ্রয় নিলাম। এরপর সড়কে পাহারারত পাকিস্তানি সেনাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে ডেমরার দিকে একটি জুটমিলের ভেতর লুকিয়ে থাকলাম। পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে ফিরে আসি চট্টগ্রামে নিজ বাড়িতে।

এই তিন বীর যোদ্ধাই এখন অবসরজীবন যাপন করছেন। জীবনসায়াহ্নে এসে তাঁদের আক্ষেপ, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাঁদের নাম এত দিনেও গেজেটভুক্ত হলো না।

সারা দেশের প্রায় ১৪ হাজার পুলিশ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে শহীদ হন এক হাজার ১০০ জন। বীরত্বসূচক উপাধি পেয়েছেন পাঁচজন। রাজারবাগে পাকিস্তানি সেনাদের গোলার আঘাতে পুড়ে যায় রেকর্ড, নথিপত্র। সে কারণে সঠিকভাবে নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি ২৫শে মার্চ ভয়াল রাতে ঠিক কতজন পুলিশ সদস্য প্রতিরোধযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন, কতজন শহীদ হয়েছেন। পুলিশ জাদুঘরে রক্ষিত একটি তথ্যে জানা যায়, সেদিন শহীদ হয়েছিলেন ৭৮ জন পুলিশ সদস্য।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা