kalerkantho

শুক্রবার । ১১ আষাঢ় ১৪২৮। ২৫ জুন ২০২১। ১৩ জিলকদ ১৪৪২

সুনামগঞ্জে সংখ্যালঘু নির্যাতন, সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির শাস্তি দাবি

অনলাইন ডেস্ক   

২১ মার্চ, ২০২১ ২০:১০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



সুনামগঞ্জে সংখ্যালঘু নির্যাতন, সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির শাস্তি দাবি

ফাইল ফটো

সুনামগঞ্জে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হেফাজত ইসলামের হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ,তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে এই ঘটনার দ্রুত, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়ে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি বিবৃতি দিয়েছে। এ প্ল্যাটফর্মে ৬৭ টি নারী, মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংগঠন রয়েছে।

এক বিবৃতিতে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি জানিয়েছে, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে লক্ষ্য করলাম যে, গত গত ১৭ মার্চ ২০২১ তারিখে সুনামগঞ্জের শালস্নার নোয়াগাঁও নামক গ্রামে এক ব্যক্তির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেয়ার জের ধরে হেফাজত ইসলামের কয়েক হাজার সমর্থক ওই গ্রামে হামলা করে। এ ঘটনায় তারা ৮৮ টি বাড়িঘর ও ৭/৮ টি পারিবারিক মন্দির ভাঙচুর করে। যখন দেশে স্বাধীনতার ৫০ বছর অনেক আনন্দের সাথে উদযাপন করা হচ্ছে তখন এই দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর এই বর্বর, অমানবিক, ন্যাক্কারজনক ঘটনার মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টায় সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছে।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘আমরা আরও জানতে পারলাম যে বিগত কয়েকদিন ধরেই ওই এলাকায় ওয়াজ মাহফিলে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে কটাক্ষ করে কথা বলা হচ্ছিল। সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি এই ঘটনাগুলোর পেছনের কারণ উদঘাটন, কেন বার বার এই ধরনের ঘটনা ঘটছে, কারা এর মদদদাতা তা তদন্তের পাশাপাশি এই ঘটনার দ্রুত, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের সনাক্তকরণ ও আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাচ্ছে। একই সাথে হামলার শিকার পরিবারকে সব রকম সহায়তা ও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবী জানাচ্ছে।’

‘আমাদের ঐতিহ্যকে রক্ষা ও মানবিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার জন্য সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি হিন্দু, খৃষ্টান, মুসলমান, বৌদ্ধ, আদিবাসী সকল সম্প্রদায়ের মানুষসহ সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে যার যার অবস্থান থেকে সচেতন, আন্তরিক, দায়িত্বশীল, দায়বদ্ধ ও উদ্যোগী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাচ্ছে। একই সাথে ওয়াজ মাহফিলে অন্য ধর্মাবলম্বী মানুষ ও নারীদের বিরুদ্ধে যে বক্তব্য প্রচার করা হয় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবী জানাচ্ছে’- বলা হয় বিবৃতিতে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ছাড়াও সামাজিক প্রতিরোধ কমিটিতে রয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র, স্টেপস টুয়াডর্স ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ, ব্র্যাক,  উইমেন ফর উইমেন, কেয়ার বাংলাদেশ, কর্মজীবী নারী, জাতীয় শ্রমিক জোট, কনসার্ন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড, আইইডি, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি, নিজেরা করি, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, ঢাকা ওয়াইডব্লিউসিএ, পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন, অক্সফাম জিবি, এ্যাকশন এইড বাংলাদেশ, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ, আওয়াজ ফাউন্ডেশন, প্রিপ ট্রাষ্ট, এডিডি বাংলাদেশ, ওয়ার্ল্ড ভিশন, গণসাক্ষরতা অভিযান, নাগরিক উদ্যোগ, প্রতিবন্ধী নারীদের জাতীয় পরিষদ, সারি, বাউশি, পাক্ষিকঅনন্যা, এসিডি রাজশাহী, ব্রতী, নারী মৈত্রী,  ওয়েভফাউন্ডেশন, ইক্যুয়িটি এন্ড জাস্টিসওয়ার্কিং গ্রুপ,  বাংলাদেশ নারীসাংবাদিক কেন্দ্র, নারী উদ্যোগ কেন্দ্র, জাতীয়নারীশ্রমিক জোট, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, জাতীয় নারী জোট, শক্তি ফাউন্ডেশন, বিপিডব্লিউ ক্লাব, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, এসিড সারভাইভার্স ফাউন্ডেশন, নারী মুক্তি সংসদ, সেবা নারী ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, ডিআরআরএ, জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরাম, হিল উইমেন্স ফেডারেশন, আমরাইপারিপারিবারিকনির্যাতনপ্রতিরোধ জোট, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, বাংলাদেশ ফেডারেশন অবইউনিভার্সিটিউইমেন, সরেপটেমিষ্টইন্টারন্যাশন্যালক্লাব, ঢাকা, আরডিআর এস, বিল্স, এডাব, এসডিএসজয়পুরহাট,  এফপিএবি, ওয়াইডাবিস্নউসিএ অব বাংলাদেশ, দলিত নারী ফোরাম, দীপ্ত এ ফাউন্ডেশন ফর ডেভেলপমেন্ট, অপরাজেয় বাংলাদেশ, বস্নাষ্ট, টার্নিং পয়েন্ট, সেন্টার ফর মেন এন্ড মেসকুলিনিটিজ স্টাডিস, সেভ দ্য চিলড্রেন, অভিযান ও আদিবাসী নারী নেটওয়ার্ক। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।



সাতদিনের সেরা