kalerkantho

শুক্রবার । ১১ আষাঢ় ১৪২৮। ২৫ জুন ২০২১। ১৩ জিলকদ ১৪৪২

জালাল হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল, সাজা কমল ৫ জনের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ মার্চ, ২০২১ ১৭:৩৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জালাল হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল, সাজা কমল ৫ জনের

গাজীপুরের কাপাসিয়া থানা যুবলীগের সভাপতি জালাল উদ্দিন সরকার হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। আর পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি সাহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহষ্পতিবার এ রায় দেন। ফাঁসির রায় অনুমোদনের জন্য নিম্ন আদালত থেকে পাঠানো ডেথ রেফারেন্স ও কারাবন্দী আসামিদের আপিলের ওপর শুনানি শেষে এ রায় দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, এসএম শাহজাহান, সারোয়ার আহমেদ ও হাফিজুর রহমান(স্টেট ডিফেন্স)।

গাজীপুরের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর ১১ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী। নিম্ন আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- কাপাসিয়া থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি আ. আলীম, থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হালিম ফকির ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন, কাপাসিয়া কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক জুয়েল, থানা যুবদল কর্মী মাহবুবুর রহমান রিপন ও জজ মিয়া, থানা ছাত্রদল কর্মী আল-আমিন, বিএনপি নেতা বেলায়েত হোসেন বেল্টু, আতাউর, ফরহাদ ও জয়নাল।

এদের মধ্যে হাইকোর্ট যুবদলের সাবেক সভাপতি আ. আলীম, যুবদল কর্মী জজ মিয়া, থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফারুক হোসেন ও কর্মী আল আমিন এবং বিএনপি নেতা বেলায়েত হোসেন বেল্টুর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন। এদের মধ্যে জজ মিয়া ও আল আমিন পলাতক।

আর যে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে তারা হলেন-থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হালিম ফকির, কাপাসিয়া কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক জুয়েল, বিএনপি নেতা আতাউর রহমান ও ফরহাদ হোসেন এবং যুবদল কর্মী মাহবুবুর রহমান। এদের মধ্যে হালিম ফকির ও মাহবুবুর রহমান পলাতক। অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় বিএনপি নেতা জয়নুল আবেদীনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার পাবুর বলখেলা বাজারের উত্তর পার্শ্বে থানা যুবলীগ সভাপতি জালাল সরকারকে ২০০৩ সালের ১৭ আগস্ট হত্যা করা হয়। এর পরদিন নিহতের ভাই মিলন সরকার বাদী হয়ে কাপাসিয়া থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। মামলায় তদন্ত শেষে ২০০৪ সালের ২৩ জানুয়ারি ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গাজীপুরের আদালত রায় দেয়।



সাতদিনের সেরা