kalerkantho

মঙ্গলবার । ১ আষাঢ় ১৪২৮। ১৫ জুন ২০২১। ৩ জিলকদ ১৪৪২

ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বললেন

‘প্রতিটা ওয়ার্ডে আমরা খেলাধুলার ব্যবস্থা করে দেবো’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ মার্চ, ২০২১ ২১:৪৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘প্রতিটা ওয়ার্ডে আমরা খেলাধুলার ব্যবস্থা করে দেবো’

আন্তঃওয়ার্ড ক্রীড়া প্রতিযোগিতা যে লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছে, তা সফল হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

আজ সোমবার বিকেলে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ডিএসসিসি আয়োজিত বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে  'আন্তঃওয়ার্ড ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২১' এর পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার তাপস এ কথা বলেন।

ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার তাপস বলেন, "এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা দুটি লক্ষ্য ছিল, একটি হলো আমাদের সন্তানদেরকে মাঠে ফিরিয়ে আনা, খেলা মুখী করা, আমি আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে আমরা অত্যন্ত সফল হয়েছি। আমাদের আর একটি লক্ষ্য ছিল খেলাধুলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা। প্রতিটা ওয়ার্ডে আমরা খেলাধুলার ব্যবস্থা করে দেবো।"

এ সময় মাঠ এবং জলাশয় সিটি করপোরেশনের অধীনে থাকা বাঞ্ছনীয় এবং আইনগতভাবেই এটা সিটি করপোরেশনের অধীনে থাকাটাই নিয়ম জানিয়ে ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, " আমাদের ১১ নম্বর ওয়ার্ডে একটি খেলার মাঠ, সেটা র্যাপ কর্তৃক দখল হয়েছে। সেখানে তাদের হেড কোয়ার্টার করবে বলে। আমি এরই মাঝে (এ বিষয়ে) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি, ওনার নজরে এনেছি - সেটা যেন উন্মুক্ত করে দেয় সেটা যেন সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করে দেয়। তারপর আমরা অত্র এলাকায় (১১ নম্বর ওয়ার্ডে) খেলাধুলার পরিবেশ আমরা সৃষ্টি করতে পারি। কারণ ওই ওয়ার্ডে আর কোনো জায়গা নেই। সেখানে এই একটি জায়গায় ছিলো এবং সেটি গণপূর্ত অধিদপ্তরের অধীনে খেলার মাঠ হিসেবেই শনাক্ত করা ছিলো। তারা সেটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করেছে। আমি অনুরোধ করব, যাতে সেটা ফেরত নিয়ে এসে আমাদেরকে দিয়ে দেওয়া হয়, হস্তান্তর করা হয়। যাতে করে আমরা সেখানে খেলার মাঠ সৃষ্টি করতে পারি।

এ সময় বিভিন্ন জায়গায় জমি উদ্ধার করে সেগুলোকে খেলার মাঠের উপযোগী করে গড়ে তোলা হচ্ছে বলে ডিএসসিসি মেয়র জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, "একটা বিষয় পরিষ্কার, মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা বিকাশে এবং সুস্থ চিন্তা চেতনার জন্য খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই। মাদকাসক্তি এবং অপরাধ প্রবণতা থেকে রক্ষা পেতে, আগামী দিনে উন্নত- সুখী-সমৃদ্ধ দেশ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ার জন্য, সবাইকে খেলাধুলার জন্য মাঠে ফিরিয়ে আনতে হবে।"

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরও বলেন, "নীতিবোধ সৃষ্টির জন্য, ঘুষ-দুর্নীতি-অন্যায়-অবিচার রুখে দাঁড়িয়ে আমাদের দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। খেলাধুলা এবং ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে এমনটা হওয়া সম্ভব। এটা সারা বিশ্বে প্রমাণিত। তাই আজকের এই প্রতিযোগিতা আমার কাছে অত্যান্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে হয়েছে।"

ফুটবলের খেলার চূড়ান্ত খেলায় ৯ নম্বর ওয়ার্ড ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিপক্ষে তিন এক গোলে (ট্রাইবেকারে) বিজয়ী হয়।

ক্রিকেটের চূড়ান্ত খেলায় ৪ নম্বর ওয়ার্ড নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯৩  রানে অলআউট হয়। জবাবে ১১ নম্বর ওয়ার্ড ৯১ রানে অলআউট হয়ে যায়। ৪ নম্বার ওয়ার্ড ২ রানে বিজয়ী হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, ডিএসসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমিনুল্লাহ নুরী, ডিএসসিসি ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. মোকাদ্দেস হোসেন জাহিদ।



সাতদিনের সেরা