kalerkantho

বুধবার । ৯ আষাঢ় ১৪২৮। ২৩ জুন ২০২১। ১১ জিলকদ ১৪৪২

মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে ঢাকার দুই মেয়রের শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ মার্চ, ২০২১ ১৮:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে ঢাকার দুই মেয়রের শোক

জাতীয় সংসদ সদস্য ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর  মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

আজ বৃহস্পতিবার এক শোকবার্তায় ডিএনসিসি মেয়র বলেন, মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী একজন সফল রাজনীতিবিদ ও একজন কর্মবীর শিল্পোদ্যোক্তা ছিলেন।

তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

পৃথক এক শোকবার্তায় ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, “মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী মুজিব আদর্শের একজন একনিষ্ঠ সৈনিক ছিলেন। তিনি সারাজীবন সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সরব ভূমিকা পালন করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবীতে তিনি ২০০৯ সালের ২৯ জানুয়ারি নবম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে 'যুদ্ধাপরাধীদের দ্রুত বিচারের উদ্যোগ গ্রহণ’ শীর্ষক প্রস্তাব উত্থাপন করেন। মাহমুদুস সামাদ উত্থাপিত সেই প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হওয়ার মাধ্যমেই মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত যুদ্ধাপরাধীদেরকে বিচারের আওতায় আনা হয় এবং বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠনসহ সাম্প্রদায়িক ও দেশবিরোধী শক্তিকে শাস্তির আওতায় আনার সুযোগ উন্মুক্ত হয়।”

ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস আরও বলেন, "নিজ এলাকার জনগণকে তিনি নিজের সন্তানের মত আগলে রাখতেন, ভালোবাসতেন। তিনি তাঁর বিপুল অর্থ-বিত্ত সবসময়ই মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেছেন।"

নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে তাঁর কর্মোদ্যম অনন্য উল্লেখ করে ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, “তিনি শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের মত সংগঠনের মহাসচিব হিসেবে গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি এবং সার্বিকভাবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নের মাঝেই তিনি অমর হয়ে থাকবেন।”
 
শোকবার্তায় ডিএসসিসি মেয়র মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।



সাতদিনের সেরা