kalerkantho

মঙ্গলবার । ৭ বৈশাখ ১৪২৮। ২০ এপ্রিল ২০২১। ৭ রমজান ১৪৪২

ওয়াশিংটন ডিসিতে আন্তর্জাতিক ওয়েবিনার

‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ইতিহাসের অমূল্য অংশ’

বিশেষ প্রতিনিধি, নিউ ইয়র্ক   

৮ মার্চ, ২০২১ ২২:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ইতিহাসের অমূল্য অংশ’

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ স্মরণে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি আন্তর্জাতিক ওয়েবিনার। স্থানীয় সময় রোববার সকালে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের দক্ষিণ ও মধ্য এশীয় বিষয়ক ব্যুরোর সহায়তায় বাংলাদেশ দূতাবাস এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে নেতৃত্ব,  একাডেমিয়া, কূটনীতিক, বুদ্ধিজীবী ও কর্মকর্তারা অংশ নেন। করোনা মহামারীর কারণে ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।  
 
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্যের পর বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ৭ই মার্চের ভাষণের প্রেক্ষাপট ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের দক্ষিণ ও মধ্য এশীয় বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত সহকারি সচিব ডিন থম্পসন এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন  রাষ্ট্রদূত তারিক এ করিম, দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্লেষক শেঠ ওল্ডিমিকসন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার।
 
অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, ৭ই মার্চের ভাষণটি অলিখিত ছিল বলে তাৎক্ষণিকভাবে বিতরণ করা হয়েছিল। তিনি আরও যোগ করেন, পৃথিবীর ইতিহাসে এটি একটি সেরা ভাষণ। সাধারণ মানুষের কাছে ভাষণের বার্তা সহজেই পৌঁছানোর জন্যে বঙ্গবন্ধু কথোপকথনের ভাষায় এই ভাষণটি রেখেছিলেন"। অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, ইতিহাসের সেরা সেই ভাষণটিই বাংলাদেশের স্বাধীনতার রোডম্যাপ গঠন করেছিল"।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, "৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বাংলাদেশের ইতিহাসের এক মূল্যবান অংশ হয়ে থাকবে। এটি সবসময় আমাদের আগামী প্রজন্মকে বাংলাদেশের গৌরবের ইতিহাসকে মনে করিয়ে দেবে"।

রাষ্ট্রদূত তারিক এ করিম বলেন, "বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন অসাধারণ বক্তা। ৭ই মার্চের ভাষণের মধ্য দিয়ে তিনি দেশের মানুষের অনুভূতিতে প্রবলভাবে নাড়া দিয়েছিলেন"।
 
রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সেনেটর এডওয়ার্ড কেনেডির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দেয়ার ঘটনাটিকে স্মরণ করেন। সেই অনুষ্ঠানে আট হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার অ্যাডওয়ার্ড কেনেডিকে উদ্ধৃত করে বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র সরকার না থাকলেও, মুক্তিযুদ্ধের সময় তার দেশের সাধারণ মানুষ বাংলাদেশের পাশে ছিল।"

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা