kalerkantho

মঙ্গলবার । ৭ বৈশাখ ১৪২৮। ২০ এপ্রিল ২০২১। ৭ রমজান ১৪৪২

জাতিসংঘ স্থায়ী মিশনে আলোচনা

‘৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের সফলতাই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ’

বিশেষ প্রতিনিধি, নিউ ইয়র্ক   

৮ মার্চ, ২০২১ ২১:৩৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের সফলতাই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ’

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেছেন, "৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের সফলতাই স্বাধীন স্বার্বভৌম বাংলাদেশ"। ১৯৭১ সালে জাতির পিতার দেয়া ৭ই মার্চের ভাষণ একটি জাতিকে কিভাবে বজ্রকঠিন ঐক্যের পতাকাতলে সমবেত করে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিতে উজ্জ্বীবিত করেছিল সেই প্রেক্ষাপটও তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, “এটি কোনো পূর্বলিখিত ভাষণ ছিল না। এটি ছিল ঐ সময়ের প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধুর হৃদয় উৎসারিত তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া"।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করা হয়। রোববার জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সূচনা করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন এবং বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামরা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ এবং ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ এবং একটি প্রামাণ্য ভিডিও প্রদর্শন করা হয় অনুষ্ঠানটিতে।

আলোচনা পর্বে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। তিনি বলেন, "৭ই মার্চের ভাষণ যাতে সর্বদা দীপ্যমান থাকে সেজন্য নতুন প্রজন্মকে ভাষণটি বার বার শোনানোর আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে বাংলাদেশ জাতিসংঘের চুড়ান্ত সুপারিশ অর্জন করেছে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্জন। নিজ নিজ অবস্থান থেকে সকল প্রবাসী বাংলাদেশীদেরকে তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা