kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৯ বৈশাখ ১৪২৮। ২২ এপ্রিল ২০২১। ৯ রমজান ১৪৪২

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে গার্হস্থ নারী শ্রমিক ইউনিয়নের সমাবেশে মেনন

‘শ্রম আইনে গৃহশ্রমিকদের অন্তর্ভুক্ত করুন’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ মার্চ, ২০২১ ২১:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘শ্রম আইনে গৃহশ্রমিকদের অন্তর্ভুক্ত করুন’

“করোনাকালে গৃহকর্মীরা ছিল সবচাইতে অসহায় অবস্থায়। শহরে মেস-বাসার কাজ বন্ধ হওয়ায় ছুটা কাজ হারিয়ে তাদের অনেককেই গ্রামে ফিরতে হয়েছে। সেখানেও তারা ত্রাণ পায়নি। এখন ভ্যাকসিন না পাওয়ার কারণে অনেক বাড়িতে কাজ দেয়া হচ্ছে না। অন্যদিকে এই করোনাকালেও অনেক বাড়িতেই গৃহকর্মীরা সহিংসতার সম্মুখীন হয়েছে, বিশেষ করে শিশু-কিশোর গৃহকর্মীরা। মৃত্যুও হয়েছে অনেকেরই। অবিলম্বে গৃহশ্রম আইন তৈরী করে গৃহকর্মীদের কাজ, মজুরি, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের সুরক্ষা দিতে হবে।”

আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে জাতীয় গার্হস্থ্য নারী শ্রমিক ইউনিয়ন আয়োজিত জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গৃহশ্রমিক সমাবেশে ভার্চুয়ালী সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি জননেতা কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি একথা বলেন। মেনন নারীর ওপর সহিংসতা রোধে সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মবাদীগোষ্ঠীর উস্কানিমূলক বক্তব্য বন্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানান।

এ সময় মেনন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশেই গৃহকর্মীরা সর্বাপেক্ষা অরক্ষিত। অন্যান্য সবক্ষেত্রে নারীর অগ্রগতি ঘটলেও এ ক্ষেত্রে গৃহকর্মীদের সুরক্ষার প্রশ্নটি যেমন, তেমনি মজুরি, কর্মঘন্টা এবং কাজের স্থানে নিরাপত্তার প্রশ্নটি এখনো উপেক্ষিত। নারী আন্দোলন অনেক উচ্চবর্গের কথা বললেও, নিম্ন বর্গের নারীদের এই অধিকার সম্পর্কে কার্যত সার্বজনীন নীরব। এর কারণ তাদের সামাজিক অবস্থান ও নিজেদের স্বার্থ। নারী আন্দোলনকে সর্বব্যাপী হতে হলে নিম্নবর্গের এই নারীদের কথা বলতে হবে। বলতে হবে, গার্মেন্টস নারী শ্রমিক, কৃষক নারী শ্রমিকসহ নারী শ্রমজীবীদের কথা।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের উদ্যোক্তা ক্লারা জেটকিন এই নারীদের কথাই বিশেষভাবে তুলে ধরেছিলেন।

জাতীয় গার্হস্থ্য নারী শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আমেনা বেগমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুর্শিদা আখতার নাহারের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা শ্রমিক নেতা আবুল হোসাইন, উপদেষ্টা কৃষক নেতা মোস্তফা আলমগীর রতন, সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি এ্যাড. জোবায়দা পারভীন, সহসভাপতি মমতাজ বেগম, মিনারা বেগম, সেতারা বেগম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহানুর বেগম, যুগ্নসম্পাদক কাজী রেনু প্রমুখ। সমাবেশ শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে তোপখানা রোডে এসে শেষ হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা