kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৯ বৈশাখ ১৪২৮। ২২ এপ্রিল ২০২১। ৯ রমজান ১৪৪২

ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ৭ই মার্চ পালন

‘৫০ বছর পরেও ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের কালজয়ী ভাষণ আমাদের উদ্বেলিত করে’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ মার্চ, ২০২১ ১৭:২৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘৫০ বছর পরেও ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের কালজয়ী ভাষণ আমাদের উদ্বেলিত করে’

বাংলাদেশ হাইকমিশন, ইসলামাবাদ যথাযথ মর্যাদা, উৎসাহ, উদ্দীপনায় ও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালন করেছে। অনুষ্ঠান উপলক্ষে দূতাবাস বর্নাঢ্য ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে সুসজ্জিত করা হয়।

সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশীদের উপস্থিতিতে পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোঃ রুহুল আলম সিদ্দিকী আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। হাইকমিশনারের নেতৃত্বে হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রমানাকৃতির প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন।

আলোচনাসভায় প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মোঃ সানাউল্লাহ এবং সার্কোর (SAARC Arbitration Council) মহাপরিচালক মোঃ হেলাল চৌধুরী ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে জাতির পিতার ৭ই মার্চের ভাষণে স্বাধীনতা যুদ্ধের সামরিক ও কৌশলগত দিক নিয়ে আলোচনা করেন।  

সমাপনী বক্তৃতায় হাইকমিশনার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, এ বছর আমরা জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করছি। এ কারণে এ বছর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। হাইকমিশনার ৭ই মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো কর্তৃক ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারী হেরিটেজ হিসাবে মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্তির ইতিহাস বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।  তিনি বলেন, পঞ্চাশ বছর পরেও ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের কালজয়ী ভাষণ আমাদের উদ্বেলিত করে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু তাঁর ৭ই মার্চের বক্তৃতায় মানুষের মৌলিক অধিকারের কথা বলেছেন। দলমত ও বয়স সবকিছুর নির্বিশেষে বাংলার মানুষ এই ভাষণের ফলশ্রুতিতে স্বাধীনতা আন্দোলনে সামিল হয়েছিল। এর একমাত্র কারণ ছিল ভাষণের গণতান্ত্রিক ও মানবিক মানদন্ড। এ ভাষণই সকল বাঙ্গালীকে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিল। এর ফলে মাত্র নয় মাসে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ বিগত ৫০ বছরে অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জন করেছে। বাংলাদেশ এখন একটি উন্নয়নশীল দেশ। পঞ্চাশ বছর আগে জাতির পিতা যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশে উন্নয়নের যে ভিত্তি স্থাপন করে গিয়েছেন তারই ধারাবাহিকতায় তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর দূরদর্শী  প্রজ্ঞা নেতৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালনার মাধ্যমে রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়ন করেছেন এবং রূপকল্প-২০৪১ বাসত্মবায়নের লক্ষে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

‘রূপকল্প-২০৪১’ বাসস্তবায়নের লক্ষে যার যার অবস্থানে থেকে বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ ও জ্ঞাননির্ভর দেশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ভেদাভেদ ভুলে সকলকে একযোগে কাজ করার জন্য তিনি আহ্বান জানান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা