kalerkantho

মঙ্গলবার । ৭ বৈশাখ ১৪২৮। ২০ এপ্রিল ২০২১। ৭ রমজান ১৪৪২

বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ উপলক্ষে বসুন্ধরা আই হসপিটালে র‍্যালি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ মার্চ, ২০২১ ১১:৪২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ উপলক্ষে বসুন্ধরা আই হসপিটালে র‍্যালি

বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ উপলক্ষে বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নীরব অন্ধত্বের প্রধান কারণ এই গ্লুকোমা নিয়ে সচেতনতার লক্ষ্যে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে গুরুত্বের সঙ্গে সপ্তাহটি পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে আগামী ১৩ মার্চ পর্যন্ত বিনামূল্যে গ্লুকোমা রোগীদের চিকিৎসা দিবে বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট।

আজ সোমবার (০৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট থেকে র‍্যালিটি বের হয়। র‍্যালি শেষে সংক্ষপ্তি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ডা. মো. সালেহ আহম্মেদ, চিকিৎসাক ডা. এস. এম মনোয়ারুল ইসলাম, ডা. মৌটুসি ইসলাম,  ডা. শরমিন সোহেলী, ডা. রুবিনা আক্তার, ডা. তাসরুবা শাহনাজ ও ডা. এম এ খালেক।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ডা. মো. সালেহ আহম্মেদ বলেন, ‌‘গ্লুকোমা হলে চোখের প্রেসার বেড়ে গিয়ে চোখের ভিতরের অপটিক নার্ভসহ অন্যান্য জিনিসগুলোকে ক্ষতি করে। সাধারণত পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের বেশি হয়। গ্লুকোমা সপ্তাহ পালনের উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ গ্লুকোমা রোগ সম্পর্কে যেন সচেতন হয়। গ্লুকোমা রোগের তেমন কোনো উপসর্গ থাকে না। একবার দৃষ্টিসীমা কিছুটা নষ্ট হলে সেটুকু আর ফিরেও পাওয়া যায় না। এটি নীরবে চোখকে অন্ধত্বের দিকে নিয়ে যায় বলে গ্লুকোমাকে নীরব ঘাতক বা ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলা হয়। এটি সাধারণত চোখের প্রেসারজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত হলে দৃষ্টিশক্তি ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়। তাই প্রত্যেকের উচিত নিয়মিত চোখের প্রেসার, দৃষ্টিশক্তির পরিসীমা পরিমাপ, অপটিক নার্ভ, রেটিনা ও কর্নিয়ার পুরুত্ব মাপা এবং ইউবিএম পরীক্ষা করা।’

জানা যায়, বিশ্বের প্রায় সাত কোটির বেশি মানুষ গ্লুকোমা রোগে ভুগছে। বাংলাদেশে পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের শতকরা প্রায় তিনজনের গ্লুকোমা রয়েছে।

গ্লুকোমা নিয়ে চক্ষু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘রক্তের চাপের মতো চোখেরও একটি নির্দষ্টি চাপ থাকে। চোখের স্বাভাবিক চাপ ১০-২০ মিমি মারকারি। কোনো কারণে এই চাপ বৃদ্ধি পেলে চোখের অপটিক নার্ভের মারাত্মক ক্ষতি হয় এবং আসে্ত আসে্ত নার্ভটি শুকিয়ে যায়। ফলে দৃষ্টির পরিসীমা কমতে থাকে। একপর্যায়ে চোখ দৃষ্টিহীন হয়ে যেতে পারে। এ অবস্থাই গ্লুকোমা।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা