kalerkantho

রবিবার। ৫ বৈশাখ ১৪২৮। ১৮ এপ্রিল ২০২১। ৫ রমজান ১৪৪২

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সিপিবি'র আলোচনা, র‌্যালী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

‘নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করতে হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ মার্চ, ২০২১ ২১:১১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করতে হবে’

নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। তিনি বলেছেন, প্রতিদিনই কোনো না কোনো নারী ও শিশু খুন-ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

আজ শুক্রবার আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সিপিবি’র কেন্দ্রীয় নারীসেল-এর আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।  মুক্তি ভবনের মৈত্রী মিলনায়তনে সিপিবি কেন্দ্রীয় নারীসেলের আহবায়ক লক্ষèী চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক জলি তালুকদার, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মাকসুদা আক্তার লাইলী ও লুনা নূর, কৃষক নেত্রী লাকী আক্তার, কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক অ্যাডভোকেট আইনুন্নাহার লিপি, নারী নেত্রী শাহানারা বেগম প্রমুখ।

এর আগে বিকেলে ‘নারীর প্রতি সহিংসতা ও শোষণ -বৈষম্য রুখো, সমাজতন্ত্রের লড়াই অগ্রসর করো’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে একটি র‌্যালী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে সচিবালয় প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। এরপর নারীসেলের সদস্য তাহমিনা ইয়াসমিন নীলা সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রতিবাদী সংগীত ও কবিতা আবৃত্তি করেন শিল্পী আক্তার, পুষ্পিতা ও অন্যন্য শিল্পীবৃন্দ। সবশেষে সমবেত কন্ঠে কমিউনিষ্ট ইন্টারন্যাশনাল পরিবেশন করা হয়।
আলোচনা সভায় মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, নারীকে দুইটি বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়- এক হলো বিদ্যমান শোষণ নীপিড়নের বিরুদ্ধে, আরেকটি হলো পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। দেশে যখন গণতন্ত্র থাকে না, সমাজে তখন শোষণ নিপীড়ন বাড়তেই থাকে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় নারী সমাজ। যার কারণে আজকে যে কোনো সময়ের চেয়ে নারী নির্যাতন খুন-ধর্ষণ ও শিশু হত্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সভায় লক্ষ্মী চক্রবর্তী বলেন, নারী মুক্তির লড়াই একটি রাজনৈতিক মতাদর্শিক লড়াই। সমাজে নারীর অবস্থান কি হবে, তা আসলে নির্ভর করে নারীর প্রতি রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গির উপর। পুঁজিবাদ নারীকে পণ্যে পরিণত করে, মৌলবাদ নারীকে আরও অধীনস্ত করে তুলে। এই দুইয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।

সভায় বক্তারা বলেন, সারাবিশ্বে সমাজতান্ত্রিক শক্তিই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের সূচনা করেছে। নারী শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ন্যায্য শ্রমঘণ্টা প্রতিষ্ঠার লড়াই আজ সারা বিশ্বের নারী মুক্তির আন্দোলনের প্রেরণার উৎসে পরিণত হয়েছে। তাই আগামীতে নারী মুক্তির লড়াই ও সমাজ পরিবর্তনের লড়াই সমানভাবে অগ্রসর করার আহ্বান জানান তারা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা