kalerkantho

বুধবার । ১ বৈশাখ ১৪২৮। ১৪ এপ্রিল ২০২১। ১ রমজান ১৪৪২

সাজায় স্থগিতাদেশ বাড়ানো ও বিদেশে যেতে চান খালেদা

আলোচনা করে সিদ্ধান্ত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক    

৪ মার্চ, ২০২১ ০২:৫৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাজায় স্থগিতাদেশ বাড়ানো ও বিদেশে যেতে চান খালেদা

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে স্থায়ী জামিন এবং চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করেছে তাঁর পরিবার। গত মঙ্গলবার দুপুরে তৃতীয় দফায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই আবেদন করা হয়েছে। এর আগে আরো দুই দফা দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি নেত্রীর পক্ষে তাঁর পরিবার আবেদন করায় সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

এ বিষয়ে গতকাল বুধবার নিজ দপ্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিনের শর্ত শিথিল ও দণ্ডাদেশ মওকুফের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় দফায় সাজা স্থগিতের মেয়াদ আগামী ২৫ মার্চ শেষ হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে করা আবেদনপত্রে সই করেছেন খালেদা জিয়ার ভাই সাঈদ এস্কান্দার।

বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র মতে, ‘আবেদনটি যাচাই-বাছাই শেষে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। তাদের মতামত পেলেই পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

জানা গেছে, করোনাকালে খালেদা জিয়ার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া এই সময়ে তাঁর কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি বলে জানানো হয়েছে। তাই চিঠিতে চিকিৎসার সুবিধার্থে তাঁকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়াকে দেওয়া জামিনের শর্ত শিথিল করার পাশাপাশি দণ্ডাদেশ মওকুফ করার আবেদন জানিয়েছে তাঁর পরিবার। আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত জানাবে সরকার। তিনি আরো বলেন, বিদেশে যাওয়ার বিষয়টি বেগম জিয়ার পরিবার অনুরোধ করেছে। বেগম জিয়ার উন্নত চিকিৎসার বিষয়টি তাঁর বাসায়ই হবে, বাসার বাইরে তিনি যাবেন না।

উল্লেখ্য, দুই বছর এক মাস ১৯ দিন বন্দিদশায় থাকার পর গত বছরের ২৫ মার্চ খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের জন্য তাঁর পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার নির্বাহী আদেশে তাঁকে ছয় মাসের জন্য মুক্তি দেয়। এরপর গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরো ছয় মাস বাড়িয়ে দেয় সরকার। শর্তসাপেক্ষে পাওয়া সেই মুক্তি নিয়ে গত ১১ মাসের বেশি সময় ধরে গুলশানের বাসা ফিরোজায় রয়েছেন বিএনপি নেত্রী।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা