kalerkantho

বুধবার । ১ বৈশাখ ১৪২৮। ১৪ এপ্রিল ২০২১। ১ রমজান ১৪৪২

মাদক মামলায় এক মানিকের পরিবর্তে অন্য মানিককে গ্রেপ্তারের অভিযোগ

হাইকোর্টের আদেশ রবিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ মার্চ, ২০২১ ১৯:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাদক মামলায় এক মানিকের পরিবর্তে অন্য মানিককে গ্রেপ্তারের অভিযোগ

ফাইল ফটো

প্রায় ১২ বছর আগে করা মাদক মামলায় প্রকৃত আসামি ‘মানিক মিয়া’ এর পরিবর্তে মাছ ব্যবসায়ী 'মানিক হাওলাদার'-কে গ্রেপ্তার করে কারাগারে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নির্দোষ দাবি করা মানিকের স্ত্রী তার স্বামীর মুক্তি চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। একই সঙ্গে বর্তমান কারাবন্দি মানিক হাওলাদারকে হাইকোর্টে সশরীরে হাজির করা ও তাকে অবৈধভাবে আটক রাখার জন্য ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে।

এ অবস্থায় বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ আগামী ৭ মার্চ রবিবার আদেশের জন্য দিন ধার্য করেন। আদালতে নির্দোষ দাবিকারী মানিক হাওলাদারের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট পার্থ সারথী রায়। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

অ্যাডভোকেট পার্থ সারথী রায় জানান, একটি গাড়িতে ৬৬৮ বোতল ফেনসিডিল রাখার অভিযোগে ২০০৯ সালের ২ জুন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ওই মামলার আসামি মো. মানিক মিয়াকে ২০০৯ সালের ৩ জুন গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলায় আসামির পিতার নাম অজ্ঞাত রাখা হয়। প্রকৃতপক্ষে এই আসামির পিতার নাম ইব্রাহিম মৃধা, মায়ের নাম লুতফা বেগম। গ্রাম মালতকান্দি। থানা ও ইউনিয়ন সখিপুর, উপজেলা ভেদরগঞ্জ, জেলা শরিয়তপুর। ওই বছরই হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পান মানিক। হাইকোর্টে দাখিল করা জামিন আবেদনে আসামি তার ঠিকানা হিসেবে পিতা নজরুল ইসলাম, মা রেজিয়া বেগম, গ্রাম আলম চাঁন ব্যাপারী কান্দী, ইউনিয়ন সখিপুর, ওয়ার্ড নম্বর ৯ দেখানো হয়। হাইকোর্টে ভুল ঠিকানা দিয়ে জামিন নিয়ে পালিয়ে যায়।

আইনজীবী আরো জানান, এ মামলায় বিচার শেষে মানিক মিয়াসহ চারজনকে ৪ বছর করে কারাদণ্ড দিয়ে ২০১৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সিরাজগঞ্জ আদালত রায় দেয়। এই রায়ের পর শরিয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আলম চাঁন ব্যাপারী কান্দী গ্রামের নজরুল ইসলাম ও রেজিয়া বেগমের ছেলে মাছ ব্যবসায়ী মানিক হাওলাদারকে গত বছর ২৮ নভেম্বর ভেদরগঞ্জ থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

এ অবস্থায় মুক্তির জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেছেন নির্দোষ মানিক। এই আবেদনে সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মানিক সরদারের দেওয়া একটি সনদ দাখিল করা হয়েছে। তাতে প্রকৃত আসামির পিতার নাম ইব্রাহিম মৃধা ও নির্দোষ মানিকের পিতার নাম নজরুল ইসলাম উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা