kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৯ বৈশাখ ১৪২৮। ২২ এপ্রিল ২০২১। ৯ রমজান ১৪৪২

খুলনার ভদ্রা-হরি নদীর জায়গা দখলের ওপর হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:৪৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



খুলনার ভদ্রা-হরি নদীর জায়গা দখলের ওপর হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার ভদ্রা ও হরি নদীর জায়গা দখল করে মাটি ভরাট, স্থাপনা ও বাঁধ নির্মাণ এবং ইটভাটা পরিচালনাসহ যাবতীয় কার্যক্রমের ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তিনমাসের জন্য এ আদেশ দেওয়া হয়েছে। এই আদেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন দুই সপ্তাহের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনার পরিচালক, খুলনার জেলা প্রশাসক ও এসপি খুলনা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, এসি ল্যান্ড এবং ওসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন।

পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের(এইচআরপিবি) করা এক রিট আবেদনে এ আদেশ দেওয়া হয়। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি আদালত এ আদেশ দিলেও গতকাল শনিবার এ আদেশের তথ্য নিশ্চিত করেন রিট আবেদনকারীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

এছাড়াও সিএস/আরএস নকশা অনুসারে জরিপের মাধ্যমে ভদ্রা ও হরি নদীর সীমানা নির্ধারণ করে ৯০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন খুলনার ডিসি ও ডুমুরিয়ার এসি ল্যান্ডকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত অন্তবর্তীকালীন নির্দেশনার পাশাপাশি রুল জারি করেছেন। রুলে ভদ্রা ও হরি নদীর জায়গা দখল করে মাটি ভরাট, স্থাপনা ও বাঁধ নির্মান এবং ইটভাটা পরিচালনা বন্ধ ও অপসারণে বিবাদিদের নিস্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষনা করা হবে না এবং ভরাট করা মাটি, স্থাপনা অপসারণের কেন নির্দেশ দেওয়া হবেনা তা জানতে চাওয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদের খুলনা-৫ আসনের এর সংসদ সদস্য, স্থানীয় সরকার, পানি সম্পদ ও পরিবেশ সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও পরিচালক(খুলনা), খুলনার জেলা প্রশাসক ও এসপি, ডুমুরিয়ার সদর উপজেলা চেয়ারম্যানসহ ১৪জনকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

ওই দুটি নদী ভরাট নিয়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারি একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে এ রিট আবেদন করা হয়। পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার এক সময়ের প্রবাহমান নদী ভদ্রা এখন একটি সরু খালে পরিণত হয়েছে। এর জন্য দায়ী নদীর জমি দখলকারী ইটভাটাগুলো, যেগুলো চালাচ্ছেন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয় প্রভাবশালীরা। খারনিয়া ইউনিয়নের ভদ্রা নদীর তীরের চার কিলোমিটার দীর্ঘ জায়গা দখল করে রাখা ইটভাটাগুলোও রয়েছে। যে ইটভাটাগুলোর মালিকদের মধ্যে একজন সংসদ সদস্য (এমপি), উপজেলার ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানও রয়েছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা