kalerkantho

রবিবার। ৫ বৈশাখ ১৪২৮। ১৮ এপ্রিল ২০২১। ৫ রমজান ১৪৪২

‘ঠিকাদারদের পাওনা পরিশোধ করতে পারছে না পানি উন্নয়ন বোর্ড’

পানি মন্ত্রণালয়ের বাজেট বাড়ানোর সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:৫২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘ঠিকাদারদের পাওনা পরিশোধ করতে পারছে না পানি উন্নয়ন বোর্ড’

পর্যাপ্ত বরাদ্দ না থাকায় ঠিকাদারদের পাওনা পরিশোধ করতে পারছে না পানি উন্নয়ন বোর্ড। যে কারণে মাঝে মধ্যে প্রকল্পের কাজ বন্ধ থাকে। এই অবস্থায় কাজের গুণগত মান নিশ্চিত ও বাস্তবায়ন কাজ অব্যাহত রাখতে পানি মন্ত্রণালয়ের বাজেট বাড়ানোর সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি রমেশ চন্দ্র সেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, এ এম নাঈমুর রহমান, সামশুল হক চৌধুরী ও নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাজেট বরাদ্দ ও জনবল সম্পর্কিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। সেখানে বলা হয়, সরকারের ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার প্রয়োজন। প্রকল্প বাস্তবায়নে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি তা যথাসময়ে ছাড় করতে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী জুনে শেষ করার জন্য ৬৭টি প্রকল্প নির্ধারিত আছে। প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন কাজ শেষ করতে অতিরিক্ত প্রায় ৪ হাজার তিনশো কোটি টাকা বরাদ্দ প্রয়োজন। কিন্তু চলতি অর্থ বছরের প্রথম ৬ মাসে চাহিদা অনুযায়ী অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দ ও অর্থ ছাড় করা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন কাজ বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।
কমিটি সূত্র জানায়, বৈঠকে প্রতিবেদনটি নিয়ে আলোচনা শেষে অধিকংশ প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজে ধীরগতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। আর অর্থ ছাড়ের কারণে প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ যাতে আটকে না থাকে সেবিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের সার্বিক কার্যক্রমের উন্নয়নের লক্ষ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অধিদপ্তর করার সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে নদী পুনঃভরাট রোধে খননকৃত মাটি ও বালু নদীর তীর থেকে কমপক্ষে ১০০ মিটার দূরত্বে এবং নদীভেদে ৫০০ থেকে এক হাজার মিটার দূরুত্বে (যাতে বালু গড়িয়ে পুনঃভরাট না হয়) মাটি ও বালু ফেলার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। আর বর্তমান শুষ্ক মৌসুমকে কাজে লাগিয়ে ২০২১ সালের মধ্যে নদীখনন কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দেওয়া হয়।

এছাড়া খুলনার কয়রা উপজেলা এবং নোয়াখালী ও ভোলা জেলার বাঁধগুলি উঁচুকরণ ও সংরক্ষণ কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচনাকালে মূল ভূ-খন্ড সংরক্ষণে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা