kalerkantho

বুধবার । ১ বৈশাখ ১৪২৮। ১৪ এপ্রিল ২০২১। ১ রমজান ১৪৪২

আউয়াল দম্পতির জামিন বাতিল প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:৪৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আউয়াল দম্পতির জামিন বাতিল প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একেএম আউয়াল ও তার স্ত্রী লায়লা পারভীনকে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলায় নিম্ন আদালতের দেওয়া জামিন কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও মহি উদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা এক আবেদনে এ আদেশ দেন। দুদকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলায় একেএম আউয়াল ও তার স্ত্রী লায়লা পারভীনকে গতবছর ৫ অক্টোবর চার সপ্তাহের আগাম জামিন দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এসময় পর তাদের নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পনের নির্দেশ দেওয়া হয়। এ আদেশের পর আউয়াল দম্পতি পিরোজপুর আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করেন। ওই আদালত তাদের গতবছর ১৬ নভেম্বর অন্তবর্তীকালীন সময়ের জন্য এবং ৬ ডিসেম্বর স্থায়ী জামিন দেয়। পিরোজপুর আদালতের ওই দুটি আদেশ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টের আবেদন করে দুদক।

আউয়াল দম্পতির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন করার অভিযোগে গতবছর ৩০ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ পৃথক দু’টি মামলা করা হয়। আউয়ালের বিরুদ্ধে করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, সাবেক এমপি আউয়াল অবৈধভাবে ৩৩ কোটি ২৭ লাখ ৮৯ হাজার ৭৫৫ টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন। তবে তিনি দুদকে দাখিল করা সম্পদের বিবরণীতে ১৫ কোটি ৭২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৩ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

আর আউয়ালের স্ত্রী লায়লা পারভীনের বিরুদ্ধে করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, লায়লা পারভীন অবৈধভাবে ১০ কোটি ৯৮ লাখ ৯০ হাজার ৫০ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।

এর আগে গতবছর ৩০ ডিসেম্বর দুদক বরিশালে আউয়ালের বিরুদ্ধে আরো তিনটি মামলা করে। এর মধ্যে একটি মামলায় তার স্ত্রীকেও আসামি করা হয়। এসব মামলায় আউয়াল দম্পতি জামিনে রয়েছেন। এ মামলায় গত ৭ জানুয়ারি আউয়াল দম্পতি পিরোজপুর আদালতে হাজির হয়ে ৮ সপ্তাহের জামিন নেন। এই জামিন শেষ হলে গত ৩ মার্চ তারা জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্দুল মান্নানের আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাদের আবেদন খারিজ করে কারাগারে পাঠানো আদেশ দেন। এই আদেশের পরপরই ওই জেলা জজকে বদলী করা হয়। এরপর ওইদিন বিকেলেই ফের জামিন আবেদন করেন আউয়াল দম্পতি। এ আবেদনে ভারপ্রাপ্ত জেলা জজ (যুগ্ম জেলা জজ)নাহিদ নাসরিন তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এ ঘটনায় সারাদেশে তোলপাড় সৃস্টি হয়।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে একেএমএ আউয়াল ২০০৮ সাল ও ২০১৪ সালে পিরোজপুর-১ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা