kalerkantho

সোমবার । ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭। ৮ মার্চ ২০২১। ২৩ রজব ১৪৪২

চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে হাইকোর্টের রুল

ফাইল ফটো

চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক(এমডি) একেএম ফজলুল্লাহ’র বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচার, দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের তদন্তের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানাধীন ৪৯ নম্বর মোমিন রোডের (খাদেম বাড়ি) বাসিন্দা মো. হাসান আলীর করা রিট আবেদন এ আদেশ দেন। রিট আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. ইকরাম উদ্দিন খান চৌধুরী। দুদকের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মো. নওশের আলী মোল্লা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক(এমডি) একেএম ফজলুল্লাহ’র বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় দুদকের নিষ্ক্রিয়তা এবং পুনরায় নিয়োগের ওয়াসা বোর্ডের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়। এ রিট আবেদনে গতবছর ২৩ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট এক আদেশে ফজলুল্লাহ’র বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা দুদকের কাছে জানতে চান। একমাসের মধ্যে তা জানাতে বলা হয়। কিন্তু দুদক তা জানায়নি। এ অবস্থায় রুল জারি করলেন হাইকোর্ট।

চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি হিসেবে একেএম ফজলুল্লাহ’র মেয়াদ বাড়ানোর সুপারিশ বিষয়ে গতবছর ১০ সেপ্টেম্বর ‘চট্টগ্রাম ওয়াসায় চুক্তিভিত্তিক দায়িত্বে ১১ বছর, অশীতিপর এমডির মেয়াদ আবার বাড়ানোর সুপারিশ’ শিরোনামে দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং একেএম ফজলুল্লাহ’র বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচার, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, আউটসোর্সিং নিয়োগের নামে বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অভিযোগে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে এ রিট আবেদন করা হয়।

ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী পদে পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৯৮ সালে অবসর গ্রহণকারী একেএম ফজলুল্লাহ ২০০৯ সালের ৮ জুলাই একবছরের জন্য চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান। এরপর তিন মাসের জন্য এমডি হিসেবে নিয়োগ পান। পরবর্তীতে তার মেয়াদ আরো কয়েকবার বাড়ানো হয়। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গতবছর ৩১ অক্টোবর তার মেয়াদ শেষ হয়। কিন্তু এর আগেই ওইবছরের ৭ সেপ্টেম্বর বোর্ডসভায় আরো তিন বছরের জন্য তাঁর নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। এরপর সরকার তাকে গতবছরের পহেলা অক্টোবর থেকে আরো তিনবছরের জন্য নিয়োগ দেয়। গতবছর পহেলা নভেম্বর থেকে এ নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা