kalerkantho

বুধবার । ৮ বৈশাখ ১৪২৮। ২১ এপ্রিল ২০২১। ৮ রমজান ১৪৪২

৪৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা

বিআইএফসির সাবেক এমডিসহ দুই কর্মকর্তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:৪০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিআইএফসির সাবেক এমডিসহ দুই কর্মকর্তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ হাইকোর্টের

নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স করপোরেশন লিমিটেডের (বিআইএফসি) ৪৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের দুই মামলার আসামি বিআইএফসির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইনামুর রহমান ও সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ ফাখরি ফয়সলকে দুই সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বুধবার এ আদেশ দেন। ওই দুই আসামির জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন না দিয়ে আত্মসমর্পনের নির্দেশ দেন। আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. আলমগীর হোসেন। দুদকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন একেএম ফজলুল হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

বিআইএফসি’র টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৯ সালের ৮ আগস্ট পৃথক দুটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)। একটিতে বিআইএফসির সাবেক চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নানসহ মেজর(অব.) মান্নানসহ ১১ জনকে এবং অপরটিতে মেজর(অব.) মান্নানসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। মামলার অপর আসামিরা হলেন-বিআইএফসির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহমুদ মালি, বিআইএফসির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইনামুর রহমান ও সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ ফাখরি ফয়সল, সাবেক এভিপি অ্যান্ড ইউনিট হেড আহমেদ করিম চৌধুরী, সাবেক সিনিয়র অফিসার (বিজনেস) মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, সাবেক অফিসার মো. সৈকত আজাদ ও মাসুদ-উল-রেজা চৌধুরী, সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার তানিজা মাজেদ, সাবেক সিনিয়র অফিসার ও রিজিওনাল ম্যানেজার আফ্রিদা আহসান, ডি আফরোজ সোয়েটার ইন্ডাস্ট্রিজের এমডি গোলাম জিলানী দিদার ও ক্লিক টু ডিজাইনের এমডি মো.নাজমুল বাশার। এদের মধ্যে শেষের পাঁচজন একটিতে এবং অন্যরা দুটি করে মামলায় আসামি।

বিআইএফসি থেকে বিপুল পরিমাণের ঋণ অনিয়মের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সাবেক চেয়ারম্যান মেজর (অব.) আবদুল মান্নানের সম্পৃক্ততা পায় বাংলাদেশ ব্যাংক। এ কারণে ২০১৫ সালের শেষ দিকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে দুদক ও সিআইডিকে চিঠি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অনিয়ম ও আত্মসাতের প্রমান পাওয়ায় পৃথক দুটি মামলা করে দুদক। একটি মামলায় ২৮ কোটি ৮৪ লাখ ৩৫ হাজার ২৯৪ টাকা এবং অপরটিতে ১৪ কোটি ৩০ লাখ ৬৭ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা