kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৯ বৈশাখ ১৪২৮। ২২ এপ্রিল ২০২১। ৯ রমজান ১৪৪২

আবাসনের জন্য সবার আগ্রহ বসুন্ধরায়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৩:৩৬ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



আবাসনের জন্য সবার আগ্রহ বসুন্ধরায়

আবাসন খাতে ক্রেতার পছন্দের শীর্ষে রয়েছে দেশের অভিজাত আবাসন প্রকল্প বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা। অনলাইন মার্কেট প্লেস বিক্রয়ডটকম ও বিপ্রপার্টির গবেষণা বলছে, ফ্ল্যাটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায়। স্বাভাবিক সময়ে ক্রেতাদের ২৬ শতাংশই বসুন্ধরায় ফ্ল্যাট খুঁজেছেন। আর মহামারি করোনাভাইরাস ঘিরে থাকা ২০২০ সালেও ১২.১ শতাংশ ক্রেতার পছন্দের শীর্ষে বসুন্ধরা থাকার তথ্য দিয়েছে বিপ্রপার্টিডটকম। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় বসুন্ধরায় ক্রেতাদের ব্যাপক চাহিদা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

আবাসন খাতের উদ্যোক্তাদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল বলেন, ‘বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা এখন ক্রেতাদের কাছে উন্নত শহরের মর্যাদা পেয়েছে। এরই মধ্যে ব্যাপক মানুষের বসতি স্থাপন হওয়ায় সবার নজর কেড়েছে। এককথায় উন্নত ও আধুনিক জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় সব সুবিধার নিশ্চিয়তা থাকায় বসুন্ধরা আবাসন প্রকল্পে ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ছে।’

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নান্দনিক ফ্ল্যাট নির্মাণে সুনাম কুড়িয়েছে জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইকবাল হোসেন চৌধুরী জুয়েল গতকাল বলেন, ‘এখানে ক্রেতাদের চাহিদার শেষ নেই। উন্নত বিশ্বের আদলে নিরাপদ বসবাসের সব আয়োজনই রয়েছে বসুন্ধরায়। নিরিবিলি পরিচ্ছন্ন পরিবেশে বসবাসে ইচ্ছুক নগরবাসীর স্বপ্নের ঠিকানা এখন বসুন্ধরা।’

বিগত ২০১৯ সালে বিক্রয়ডটকম ও বিপ্রপার্টি গবেষণা করে বলছে, আবাসন ব্যবসা এখনো ঢাকাকেন্দ্রিকই। ফ্ল্যাটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায়। ক্রেতাদের ২৬ শতাংশই বসুন্ধরায় ফ্ল্যাট খুঁজছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ শতাংশ ক্রেতা মিরপুরে ফ্ল্যাট কিনতে আগ্রহী। এ ছাড়া গুলশানে ১৫, রামপুরায় ১১, উত্তরায় ৯ এবং রাজধানীর বনানী, বারিধারা, লালমাটিয়া, মোহাম্মদপুর, সিদ্ধেশ্বরী, শান্তিনগর, আফতাবনগর, কলাবাগান, ইস্কাটনসহ অন্যান্য জায়গায় ২১ শতাংশ ফ্ল্যাটের চাহিদা রয়েছে ক্রেতাদের।

এ প্রসঙ্গে অনলাইনে ফ্ল্যাট ও প্লট বিক্রির সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিপ্রপার্টির টিম লিডার (সেলস) আরিফ ইকবাল গতকাল বলেন, ‘উন্নত বিশ্বের মতো উন্নতমানের আধুনিক জীবন যাপনের সব আয়োজনই রয়েছে রাজধানীর অভিজাত আবাসন প্রকল্প বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায়। দেশের মোট ক্রেতার ২৬ শতাংশের বসুন্ধরায় আগ্রহের মূল কারণ হিসেবে রয়েছে, এখানে আছে বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং উন্নত চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা।’

আবাসন খাতে ক্রেতাদের ২০২০ সালের চাহিদার তথ্য দিয়ে বিপ্রপার্টিডটকমের সিনিয়র কর্মকর্তা (মার্কেটিং কমিউনিকেশন) শারাফ নাওয়ার বৃষ্টি বলেন, ‘করোনা মহামারির মধ্যেও ২০২০ সালে দেশের অভিজাত আবাসন প্রকল্প বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ক্রেতাদের চাহিদার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। ১২.১ শতাংশ ক্রেতার পছন্দের শীর্ষে রয়েছে বসুন্ধরা। আর ১৬.২৬ শতাংশের পছন্দ উত্তরা, ১১.২৩ শতাংশ মিরপুরে এবং ৯.৭৫ শতাংশ ক্রেতা মোহাম্মদপুরে আগ্রহ দেখান।’

এর আগে অনলাইনে ফ্ল্যাট ও প্লট বিক্রির সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিপ্রপার্টিডটকম ২০২০ সালের ১৪ জুলাই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ওই বছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যবহারকারীর সংখ্যা, তালিকাভুক্ত প্রপার্টি ও অনুসন্ধানের সংখ্যার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিবেদনে বলেছে, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে মার্চের শেষ দিকে লকডাউন জারি করা হয়। লকডাউনের কারণে এপ্রিলে স্থবিরতা ছিল। মে মাস থেকেই চাহিদা বাড়তে থাকে। জুনেও তা অব্যাহত ছিল। বাড়িভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের কাছে উত্তরা, বসুন্ধরা আবাসিক এবং মোহাম্মদপুর পছন্দের শীর্ষে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি বাংলা ২০১৯ সালের ১৮ জুলাই বিপ্রপার্টির সমীক্ষা প্রতিবেদনের তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে বলেছে, রাজধানী ঢাকা এখন অ্যাপার্টমেন্ট আর ফ্ল্যাটের শহর। কিন্তু এখনো চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অনেক কম। ওই সমীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, ঢাকায় বসবাসের জন্য সবচেয়ে বেশি মানুষ বাড়ি খুঁজছেন উত্তরা ও মিরপুর এলাকায়। পছন্দের বাড়ি খোঁজার তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে মোহাম্মদপুর, তারপর ধানমণ্ডি ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা। ঢাকায় যাঁরা অ্যাপার্টমেন্ট খুঁজছেন তাঁদের ১০ শতাংশই বসুন্ধরায় থাকতে চান।

বিপ্রপার্টির প্রধান নির্বাহী মার্ক নুসওয়ার্দির মতে, ‘নিউ ইয়র্ক, সিঙ্গাপুর বা হংকংয়ের আদলে এখন ‘ওপেন প্ল্যান, দুই বেডের কমপ্যাক্ট ফ্ল্যাটের’ চাহিদা ঢাকায় তৈরি হয়েছে। প্রতিদিন প্রচুর মানুষ ফ্ল্যাট কেনার জন্য খোঁজ-খবর করছেন, কিন্তু তাঁদের বেশির ভাগই চাহিদা মতো কিছু পাচ্ছেন না। মধ্যবিত্তের আয় বাড়ছে এবং বৃহত্তর যৌথ পরিবারের সঙ্গে এখন ছেলেমেয়েরা থাকতে চাইছে না। তারা খুব দূরে হয়তো যেতে চায় না, কিন্তু অন্য জায়গায় নিজেদের মতো করে থাকতে চায়। সেই ক্ষমতাও তাদের হয়েছে। কিন্তু চাহিদামতো জায়গা পাচ্ছে না।’

জানা গেছে, দেশে আবাসন খাতের বার্ষিক বাজার এখন প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা। এই খাতে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ১৫-১৭ শতাংশ। বছরে চাহিদা এক লাখ ২০ হাজার ফ্ল্যাটের। রয়েছে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনা প্রশ্নে বিনিয়োগের সুযোগ। আবার ৫ শতাংশ সরল সুদে বাড়ি কেনার জন্য প্রায় ২১ লাখ সরকারি চাকরিজীবীকে গৃহঋণ দিচ্ছে সরকার। কম সুদে গৃহঋণ দিচ্ছে কয়েকটি ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানও। অন্যদিকে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে অপ্রদর্শিত অর্থে কোনো প্রশ্ন ছাড়া ফ্ল্যাট ক্রয়ের সুযোগ দিয়েছে সরকার। এমন পরিস্থিতিতে অপ্রর্দশিত অর্থ বিনিয়োগের শীর্ষে রয়েছে আবাসন খাত।

জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগে দায়মুক্তি সুবিধা পেয়ে অভূতপূর্ব সাড়া দিয়েছেন করদাতারা। ফলে অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সরকার অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের যে বিশেষ সুযোগ দিয়েছে, তাতে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। অপ্রদর্শিত অর্থের মালিকরা এখন সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করছেন আবাসন খাতে। তাঁরা এখন জমি আর ফ্ল্যাট কেনাকাটায় ব্যস্ত।

জানা গেছে, আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগে গত ছয় মাসে ফ্ল্যাট, জমি, বিল্ডিং ও অ্যাপার্টমেন্টের বিক্রি বেড়েছে কয়েক গুণ। ক্রেতারা এখন আবাসন প্রকল্প ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগ সুবিধা দেওয়ার সবচেয়ে বড় প্রভাব হলো—অর্থপাচার কমছে। আবার আগে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক যেখানে প্রশ্ন করত, এখন সেটা করার সুযোগ নেই। ফলে অপ্রদর্শিত অর্থ আবাসন খাতে বিনিয়োগে ক্রেতাদের আগ্রহ বেড়েছে।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর সদস্য (কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ) হাফিজ আহমেদ মুর্শেদ বলেন, করদাতাদের রিটার্নের গতি-প্রকৃতি দেখে মনে হচ্ছে, আবাসন খাত ও শেয়ারবাজারে সবচেয়ে বেশি অপ্রদর্শিত অর্থের বিনিয়োগ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয়েছে আবাসনে।

রিহ্যাবের সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল বলেন, অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগ নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের জন্য মানুষের মাঝে একটা বার্তা পৌঁছে গেছে। এই বার্তা হলো—অপ্রদর্শিত অর্থ দেশে রাখুন। বিনিয়োগ করুন। সরকার আপনাকে সহযোগিতা করছে। অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগে নতুন আর কোনো আইনি প্রতিবন্ধকতা নেই। এ নিয়ে কোনো সংস্থা প্রশ্নও করতে পারবে না। তাই ক্রেতাদের প্রতি আহ্বান হলো—অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের অবাধ সুবিধা নিন।

এনবিআরের তথ্য মতে, দেশের প্রচলিত আইনে যাই থাকুক না কেন, অপ্রদর্শিত অর্থের বিনিয়োগ নিয়ে কেউ কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারবে না। চলতি অর্থবছরে এই আইনি নির্দেশনা পেয়ে অপ্রদর্শিত আয় প্রদর্শনের রেকর্ড গড়েছেন করদাতারা। চলতি অর্থবছরের বাজেটে থাকা আইনি নির্দেশনা অনুযায়ী, করদাতাদের অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে জমি, ফ্ল্যাট, বিল্ডিং ও অ্যাপার্টমেন্ট, ব্যাংক, সঞ্চপত্র, শেয়ারবাজার, বন্ড বা অন্য কোনো সিকিউরিটিজে। এই সুবিধা নিতে ১০ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে। নেই কোনো জরিমানা।

এদিকে দেশের আবাসন খাত চাঙ্গা থাকায় সুদ কমিয়ে ঋণ প্রদানের হার বাড়িয়ে দিতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে ব্যাংকগুলো। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে সুদের হার কমিয়ে গ্রাহকদের দীর্ঘ মেয়াদে আবাসন ঋণ দিচ্ছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের আবেদন পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ঋণ অনুমোদন দিচ্ছে। আবার কেউ নির্দিষ্ট সময়ে ঋণ আবেদন নিষ্পত্তি করছে।

আবাসন খাতে ঋণের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দুই কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদানের অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো (লিজিং কম্পানি) আগে থেকেই গ্রাহকের চাহিদামতো ঋণ দিতে পারছে। ফ্ল্যাট কেনা ও বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনও (বিএইচবিএফসি) ঋণের পরিমাণ বাড়িয়েছে। ফলে বাড়ি নির্মাণের জন্য কোনো ব্যক্তি বিএইচবিএফসি থেকে দুই কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। আর গ্রুপ করে বা দলবদ্ধ হয়ে ঋণ নিলে প্রত্যেকে পাবেন এক কোটি ২০ লাখ টাকা করে। এ ছাড়া ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রেও একজন গ্রাহক এই সংস্থা থেকে এক কোটি ২০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন।

ঋণ বিতরণের পাশাপাশি ঋণ আদায়ের প্রক্রিয়াটিও আগের চেয়ে অনেক সহজ করেছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রতিষ্ঠানগুলোই ঋণ দিতে ছুটছে গ্রাহকের দ্বারে দ্বারে। ব্যাংক বা বিএইচবিএফসি থেকে ঋণ নিয়ে বাড়ি নির্মাণ বা ফ্ল্যাট কিনতে চাইলে মোট দামের ৩০ শতাংশ টাকা নিজের থাকতে হয়। অর্থাৎ এক কোটি টাকার ফ্ল্যাট কিনতে প্রতিষ্ঠানগুলো ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেয়। বাকি ৩০ লাখ টাকা ক্রেতার নিজের থাকতে হয়। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের দামের পুরোটাই ঋণ হিসেবে দিতে পারে।

এদিকে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোও আবাসন খাতে মনোযোগ দিচ্ছে। সোনালী ব্যাংক গ্রামাঞ্চলে বাড়ি নির্মাণে ‘সোনালী নীড়’ নামে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিচ্ছে। বাড়ি নির্মাণ ঋণের জন্য প্রথমেই দরকার যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত নকশার সত্যায়িত ফটোকপি, মূল দলিল, নামজারি খতিয়ান, খাজনা রশিদের সত্যায়িত ফটোকপি। এ ছাড়া লাগবে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস খতিয়ানের সত্যায়িত কপি। জেলা বা সাবরেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে ১২ বছরের তল্লাশিসহ নির্দায় সনদ (এনইসি)। সরকার থেকে বরাদ্দ পাওয়া জমির ক্ষেত্রে মূল বরাদ্দপত্র এবং দখল হস্তান্তরপত্রও লাগবে।

ফ্ল্যাট কেনার ঋণের জন্য অবশ্য কাগজপত্র কম লাগে। এ জন্য ফ্ল্যাট ক্রেতা এবং ডেভেলপারের সঙ্গে সম্পাদিত ফ্ল্যাট ক্রয়ে রেজিস্ট্রি করা চুক্তিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি দিতে হবে। এ ছাড়া জমির মালিক ও ডেভেলপারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, অনুমোদিত নকশা ও অনুমোদনপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি এবং ফ্ল্যাট কেনার রেজিস্ট্রি করা বায়না চুক্তিপত্রের মূল কপি ও বরাদ্দপত্র লাগবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা