kalerkantho

শনিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৪ রজব ১৪৪২

কদম ফোয়ারার সামনে ছুরিকাঘাতে নিহত ব্যক্তি জাসদ নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কদম ফোয়ারার সামনে ছুরিকাঘাতে নিহত ব্যক্তি জাসদ নেতা

প্রতীকী ছবি

রাজধানীর শাহবাগ থানাধীন কদম ফোয়ারার সামনে ছুরিকাঘাতে নিহত ব্যক্তির নাম হামিদুল ইসলাম (৫৫)। তিনি জাসদের শাহবাগ থানার সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন এবং কেবল টিভির সংযোগ দেওয়ার ব্যবসা করতেন। তোপখানা রোডের ‘বসতি ময়ূরীতে’ তাঁর বাসা। ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করছে পুলিশ। 

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, গত শনিবার রাতে হাইকোর্ট মাজারসংলগ্ন কদম ফোয়ারার সামনে হামিদুল ইসলামকে ছুরি মেরে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। আব্দুর রহমান নামের একজন ভ্যানচালক আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে রাত ১০টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে তার লাশ হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। 

গতকাল রবিবার ঢামেক হাসপাতাল মর্গে তাঁর লাশ শনাক্ত করার পর ছেলে নাহিদুল ইসলাম শাহবাগ থানায় মামলা করেন বলে জানান থানার ওসি মো. মামুন অর রশিদ। তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ডে ছিনতাইকারীরা জড়িত থাকতে পারে। তবে হামিদুল যেহেতু ডিশ ব্যবসায়ী ছিলেন, এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে ব্যবসায়িক বিরোধের কোনো ঘটনা ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

হামিদুলের ভাই ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, চার ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ছিলেন হামিদুল। তিনি মেয়ে নায়না ইসলাম, ছেলে নাহিদুল ইসলাম ও স্ত্রী নার্গিস আক্তারকে নিয়ে সেগুনবাচিগা হাই স্কুলের পাশে একটি বাসায় থাকতেন। শনিবার রাত ৮টার দিকে হাইকোর্ট মাজারের সামনে দেখা করে হামিদুলকে বাসাভাড়ার ১২ হাজার টাকা দেন ম্যানেজার সাদেক। পরে সাদেক সিদ্দিকবাজারের দিকে ও হামিদুল তাঁর বাসার দিকে চলে যান।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ঘটনার পর নিহতের প্যান্টের পকেটে ১৬ হাজার টাকা পাওয়া  গেলেও কোনো মোবাইল ফোন পাওয়া যায়নি। এর আগে তিনি পথে একজনের কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা নেন। তবে ওই টাকা তাঁর পকেট থেকে নিতে পারেনি হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা