kalerkantho

শনিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৪ রজব ১৪৪২

পিপলস লিজিংয়ের ঋণখেলাপী ২৮০ জনকে হাইকোর্টে তলব

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:০৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পিপলস লিজিংয়ের ঋণখেলাপী ২৮০ জনকে হাইকোর্টে তলব

নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসেস (পিএলএফএস) লিমিটেড থেকে ৫ লাখ টাকার ওপরে ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে যারা খেলাপী হয়েছেন এমন ২৮০ জনকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি তাদের স্বশরীরে হাজির হয়ে ঋণ নেওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দিয়েছেন। পিপলস লিজিং থেকে ঋণগ্রহীতাদের তালিকা দাখিলের পর এ আদেশ দেন আদালত। এর আগে অবসায়ন প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকা পিএলএফএস লিমিটেডের সাময়িক অবসায়ক (প্রবেশনাল লিক্যুডেটর) মো. আসাদুজ্জামান খানের করা এক আবেদনে আদালত পিপলস লিজিং এর পক্ষ থেকে ঋণগ্রহীতাদের নাম ও তাদের নেওয়া ঋণের পরিমান জানতে চান। এ আদেশে পিপলস লিজিং-এর প্রায় ৫শ জনের বেশি ঋণগ্রহীতার একটি তালিকা দাখিল করা হয়। এই তালিকা দাখিলের পর ৫ লাখ টাকা এবং তার ওপরে নেওয়া ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে যারা খেলাপী হয়েছে এমন ২৮০ জনকে শোকজ করেন ও তাদের হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন পিপলস লিজিং এর আইনজীবী ব্যারিস্টার মেজবাহুর রহমান।

এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি পিপলস লিজিং-এর সাবেক চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন (অব.) এম মোয়াজ্জেম হোসেন, তার পরিবারের অপর দুইসদস্যসহ ৩জনকে তলব করে আদেশ দেন একই হাইকোর্ট বেঞ্চ। নিজের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব থেকে পিএলএফএস লিমিটেডের অনুকূলে শেয়ার ফেরত দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তার ব্যাখ্যা দিতে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি তাদের হাইকোর্টে হাজির হতে বলা হয়েছে।

জানা যায়, পিএলএফএস লিমিটেড থেকে এসএস স্টিল লিমিটেডকে আইপিও (ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং বা প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) শেয়ার কেনার জন্য ২০১৫ সালে ৬ কোটি ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এরপর এসএস স্টিল লিমিটেড ২০১৮ সালে ১০ টাকা মূল্যের ৩১ লাখ ৩০ হাজার শেয়ার পিপলস লিজিং-এর অনুকূলে স্থানান্তর করে। ওই সময় বাকি ৩১ লাখ ২৫ হাজার শেয়ার পিপলস লিজিং-এর অনুকুলে স্থানান্তর না করে পিপলস লিজিং-এর চেয়ারম্যান এম মোয়াজ্জেম হোসেন নিজের বিও হিসাবে স্থানান্তর করে নেন। এই শেয়ার পিপলস লিজিং-এর অনুকুলে স্থানান্তরের নির্দেশনা চেয়ে গতবছর ৯ ডিসেম্বর হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা