kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৯ ফাল্গুন ১৪২৭। ৪ মার্চ ২০২১। ১৯ রজব ১৪৪২

হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধের নির্দেশনা বাস্তবায়নে পদক্ষেপ জানতে চান হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:০৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধের নির্দেশনা বাস্তবায়নে পদক্ষেপ জানতে চান হাইকোর্ট

ফাইল ফটো

শব্দদূষণ রোধে হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে রাজধানীর আবাসিক ও ভিআইপি এলাকায় রাতের বেলায় হর্ণ বাজানো নিষিদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। দুই সপ্তাহের মধ্যে তা জানাতে বিআরটিএ চেয়ারম্যানসহ ৬ জনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আগামী ৮ মার্চ পরবর্তী আদেশের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ’র হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা এক আবেদনে এ আদেশ দেওয়া হয়। আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

রাজধানীর আবাসিক ও ভিআইপি এলাকায় রাত ১০টা পর সব ধরণের হর্ণ বাজানো নিষিদ্ধ করে ২০১৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর আদেশ দেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের সামনে দিয়ে যাবার সময় কোনো হর্ণ বাজানো নিষিদ্ধ করা হয়। এছাড়া কাকরাইল থেকে মগবাজার হয়ে ময়মনসিংহের দিকে যাবার রাস্তা এবং শাহবাগ, সায়েন্স ল্যাবরেটরি হয়ে গাবতলী সড়কে শব্দ নিয়ন্ত্রনে সার্ভিলেন্স টিম গঠন করে তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে ছোট ছোট কারখানায় উৎপাদিত হাইড্রোলিক হর্ণ উৎপাদন ও সস্তায় বিক্রি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল আদেশ দিলেন হাইকোর্ট।

এরও আগে ২০১৭ সালের ৮ অক্টোবর হাইকোর্ট ঢাকা মহানগরে গাড়ির মালিক ও চালকসহ যাদের কাছে গাড়ির হাইড্রোলিক হর্ণ রয়েছে তাদের ১৫ দিনের মধ্যে সেসব হর্ণ নিকটস্থ থানায় জমা দিতে নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে জমা হওয়া সকল হাইড্রোলিক হর্ণ ধ্বংস করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। ডিএমপি কমিশনার ও ট্রাফিক পুলিশকে এ আদেশ কার্যকর করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ওইবছরের ৫ নভেম্বর সারাদেশে যানবাহনে হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। একইসঙ্গে ঢাকার ধানমন্ডি, গুলশান, বনানী, অফিসার্স ক্লাব ও বারিধারা এলাকাসহ সারাদেশে আইনে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি শব্দ হচ্ছে কীনা তা নির্ধারণের জন্য একটি নজরদারী টিম গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি এসব এলাকায় শব্দদূষণকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। পুলিশের মহাপরিদর্শক, বিভাগীয় পুলিশ কমিশনার (হাইওয়ে), ট্রাফিক পুলিশের যুগ্ম কমিশনার ও বিআরটিএ’র চেয়ারম্যানের প্রতি এ নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

ওই বছরের ২৩ আগস্ট এক আদেশে শব্দ দূষন রোধে ঢাকা মহানগরে গাড়ির হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এরপর ২৭ আগষ্টের পর ঢাকার রাস্তায় গাড়িতে হাইড্রোলিক হর্ন

বাজানো হলে সেই গাড়ি জব্দ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে বাজার থেকে সকল হাইড্রোলিক হর্ন সাতদিনের মধ্যে জব্দ করতে এবং আমদানি বন্ধে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা