kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ৯ মার্চ ২০২১। ২৪ রজব ১৪৪২

দিল্লির চিঠি

ভ্যাকসিন নিয়ে রাজনীতি কাম্য নয়

জয়ন্ত ঘোষাল   

১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০৩:৪০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



ভ্যাকসিন নিয়ে রাজনীতি কাম্য নয়

এখন শুরু হয়েছে প্রতিষেধক বিপ্লব। ২০২০ সালটা কেটে গেল করোনা নামের এক ভয়ংকর মহামারি মোকাবেলায়। ভারত সরকার আর বাংলাদেশের সরকার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছে কিভাবে এই করোনা আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা কমানো যায়। এই অজানা-অচেনা এক ভয়াবহ অসুখের হাত থেকে মানুষের মুক্তি, সে সত্যিই এক বিপ্লব। ২০২১-এর এই নতুন বছরকে আমরা স্বাগত জানিয়েছি করোনা মহামারি মোকাবেলার পর প্রতিষেধককে কিভাবে দেশের ভেতর ও বাইরে পৌঁছে দেওয়া যায় সেই লড়াইয়ের ব্রত নিয়ে। এখন প্রস্তুতি চলছে জোর কদমে। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছতে শুরু করেছে সিরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি অক্সফোর্ডের প্রতিষেধক  কোভিশিল্ড। ভারত বায়োটেকের কোভ্যাকসিন প্রতিষেধকটিও নানা শহরে সরবরাহের কাজ শুরু করে দিয়েছে। শনিবার ১৬ জানুয়ারি ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে দেশজুড়ে টিকাকরণ কর্মসূচির সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি উদ্বোধন করলেন টিকাকরণ সংক্রান্ত ‘কো-উইন’ অ্যাপটিরও।

প্রথম ধাপের টিকাকরণে এক কোটি ১০ লাখ ডোজ  কোভিশিল্ড এবং ৫৫ লাখ কোভ্যাকসিনের ডোজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সিরাম এরই মধ্যে ১৩টি শহরে ৫৬ লাখ ডোজ পাঠিয়েছে। বায়োটেক জানিয়েছে, প্রথম দফায় ১১টি শহরে তারা প্রতিষেধক পাঠিয়েছে। ভারতের মধ্যে এই শহরগুলো হলো গুয়াহাটি, পাটনা, দিল্লি, কুরুক্ষেত্র, বেঙ্গালুরু, পুনে, ভুবনেশ্বর, জয়পুর, চেন্নাই, লখনউ এবং অন্ধ্র প্রদেশের গনভরম। হায়দরাবাদ থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার বিশেষ বিমানে প্রথম ব্যাচের কোভ্যাকসিনটি আসে দিল্লিতে। প্রতিটা ভায়ালে রয়েছে ২০ ডোজ প্রতিষেধক। মধ্য প্রদেশের প্রথম দফায় ৯৪ হাজার ডোজ কোভিশিল্ড পৌঁছেছে। কেরলের কোচি এবং তিরুঅনন্তপুরমে দুটি বিমানে প্রতিষেধক পৌঁছায়। সেখান থেকে সেটা চলে যায় ১৩৩টি কেন্দ্রে। এই পরিস্থিতিটা আসলে একটা জরুরি পরিস্থিতি। এরই মধ্যে করোনার প্রতিষেধক নিয়ে যখন ভারত সরকার চেষ্টা করছে সফল হওয়ার, ঠিক সেই সময় করোনা নিয়ে রাজনীতি চলছে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে। দিল্লিতে বসে কংগ্রেসের মুখপাত্র মনীশ তিওয়ারি অভিযোগ করেছেন, টিকাকরণ পর্বের নামে কোভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষাটি চালানো হচ্ছে। কংগ্রেস মুখপাত্র হিসেবে মনীশ আরো অভিযোগ করেছেন, ভারতীয়দের গিনিপিগ বানানো হচ্ছে। তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষাই যখন শেষ হয়নি, তখন সেটার কার্যকারিতা নিয়ে একটা প্রশ্ন থেকে যায়। কংগ্রেস বা কিছু বিরোধী দল অভিযোগ করছে, তৃতীয় পর্যায়ে এই প্রতিষেধক প্রকৃত কার্যকর হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সেই তৃতীয় পর্যায়ে ভারতের বাইরে অন্য কোনো দেশে সেগুলো বণ্টনের জন্য এখনো অনুমতি দেয়নি। এ রকম একটা পরিস্থিতিতে ‘সার্স-কোভ-১’ এবং সাধারণ সর্দি-কাশির চার ধরনের করোনাভাইরাস নিয়ে আমেরিকার একদল গবেষক কাজ করছেন। তাঁরা বলছেন, কভিড যদি আঞ্চলিক রোগে পরিণত হয়, আর বেশির ভাগ মানুষ যদি শৈশবে ‘সার্স-কোভ-২’ ভাইরাসের সংস্পর্শে আসে, সে ক্ষেত্রে রোগটা এত তীব্র আকার ধারণ করবে না। তার উপসর্গ ঠাণ্ডা লাগা, সর্দি-কাশির মতোই হয়ে যাবে। গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে সায়েন্স পত্রিকায়। অনেক গবেষক অন্যান্য করোনাভাইরাসের আচরণের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে ‘সার্স-কোভ-২’ ভাইরাসের সম্ভাব্য প্রকোপের একটা রূপরেখা তৈরি করেছেন। তাঁদের মতে, সর্দি-কাশির চারটি করোনাভাইরাসে দীর্ঘদিন ধরেই মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে, বিশেষত শৈশবে। ফলে তখন থেকেই শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা হওয়ার পরিণত বয়সে এসব অসুখ আক্রমণ সে রকম তীব্র হচ্ছে না। এই গবেষণাপত্রটি বলছে, প্রতিষেধক যদি অন্যান্য রোগের মতো এ ক্ষেত্রে স্বল্পস্থায়ী রক্ষাকবচ দিয়ে প্রকোপ কমায়, তাহলে কভিডও দ্রুত আঞ্চলিক রোগে পরিণত হবে। প্রধান গবেষক এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনি লাভিনে বলছেন, এই মডেলটা বলে অন্যান্য করোনাভাইরাসের মতোই এ ক্ষেত্রে শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়ে যাবে। তবে শৈশবের বদলে পরিণত বয়সে প্রথমবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে কী হবে সেটা এখনো জানা যাচ্ছে না। সংবাদ সংস্থার দেওয়া এসব তথ্য একটা বিষয়কে কিন্তু স্পষ্ট করে দিচ্ছে, তা হলো করোনার প্রতিষেধক মোকাবেলা নিয়ে এই মুহূর্তে পৃথিবীজুড়েই চলছে এক চূড়ান্ত অনিশ্চয়তা। নানা ধরনের গুজব ও নানা ধরনের করোনা-রাজনীতি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পক্ষেও এটা একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ। যখন ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি তাঁর হোয়াইট হাউস ছেড়ে যাবেন কী যাবেন না, সেটা এখনো জানা যাচ্ছে না। সেই রকম সময়ে বাইডেনকে একটা ভয়ংকর পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিতে হচ্ছে। এই প্রতিষেধক আমেরিকার মানুষকে দিতে হবে। করোনা প্রতিষেধক বণ্টন নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে চীন, রাশিয়ার মতো বিভিন্ন দেশের কী সম্পর্ক হবে তার সঙ্গে আমেরিকার বিদেশনীতিও জড়িয়ে গেছে। একটা জিনিস এখানে মনে রাখতে হবে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রথমে করোনা রোগটাকেই গুরুত্ব দিতে চাননি। তিনি মাস্ক পরতেই রাজি হননি। তিনি চিকিৎসা ঠিকমতো করেননি। বহু মানুষ মারা গেছে। তার ফলে এখন বাইডেনের দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁকে এখন অনেক বেশি সচেতন এবং সজাগ হয়ে আমেরিকার সার্বভৌম স্বার্থের পাশাপাশি গোটা দুনিয়ার কাছে তাঁর উদার মানবতাবাদী ভাবমূর্তিকেও উজ্জ্বল করতে হবে। দেখা যাচ্ছে আমেরিকা এবং চীনের সম্পর্কের প্রতিযোগিতাও কভিড প্রতিষেধকের বণ্টন নিয়ে প্রসারিত হচ্ছে। একটা জিনিস বলা হচ্ছে, ওয়াশিংটন আর বেইজিংয়ের মধ্যে সম্পর্কের স্থায়িত্ব ঠিকমতো হতে পারে, যদি চীনের সঙ্গে আমেরিকার মধ্যে প্রতিযোগিতার সম্পর্ক থেকে প্রতিষেধক বণ্টন নিয়ে অনেক বেশি সমন্বয় গড়ে তোলা সম্ভব হয়। আমেরিকার টাইম ম্যাগাজিনে একটা শব্দবন্ধ ব্যবহৃত হয়েছে, ‘প্রতিষেধক জাতীয়তাবাদ’। অর্থাৎ প্রতিষেধক দেওয়ার বিষয়টা নিয়ে একটা জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি উত্থান করে যদি চীনের সঙ্গে সংঘাতের পথে আমেরিকা যায়, চীন ও রাশিয়া যদি প্রতিষেধক জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে আমেরিকার সঙ্গে সংঘাতে যায়, তবে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠতে পারে। সেই জটিলতা কিন্তু এই মুহূর্তে মানবতাবাদের জন্য কাম্য নয়। মধ্যপ্রাচ্য হচ্ছে সবচেয়ে বড় একটা আঞ্চলিক শক্তি, যারা এই করোনাভাইরাসের জন্য ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশ হিসেবে তাদের যে এনার্জি প্রডিউসিং ক্ষমতা, সেটাও কিন্তু কার্যত ধসে যেতে বসেছে। অবস্থাটা এমন দাঁড়িয়েছে যে তাদের সিন্দুকের ক্যাশ ফ্লো কমে গেছে। মনে করা হচ্ছে, ২০২১-এ অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে সরকারকে তার খরচ কমাতে হবে। প্রাইভেট সেক্টরে ক্ষতির মোকাবেলা করতে হবে। করোনার জন্য সৃষ্ট বেকারত্বের মোকাবেলা করতে হবে।

এখন তাই দুনিয়াজুড়ে প্রতিষেধক পাওয়ার একটা আওয়াজ উঠেছে। এ ক্ষেত্রে ভারতের নিজেদের জাতীয়তাবাদী অগ্রাধিকার নিশ্চয়ই থাকবে। সেটা সবচেয়ে আগে ভারতের মধ্যেই কাকে দেওয়া হবে, কাকে দেওয়া হবে না, তা নিয়ে চলছে চূড়ান্ত চুলাচুলি। একটা জিনিস দেখা গেছে, বিহারে কিছুদিন আগে যখন ভোট হয়েছে, তখন সেখানে বিজেপির নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা করে দিয়েছিল, সবার আগে বিহারে বিনা পয়সায় সবাইকে প্রতিষেধক দেওয়া হবে। এখন সে ব্যাপারে বিহার সরকার চুপচাপ রয়েছে। তার কারণ বিহারে ভোট হয়ে গেছে। সেখানে নীতিশ কুমারের নেতৃত্বে বিজেপি এবং জেডইউ জোট ক্ষমতায় এসেছে। এখন পশ্চিমবঙ্গ এবং আসামে নির্বাচন আসছে। আসামে বিজেপি ক্ষমতায় আছে। সেখানে বিজেপি দাবি করছে আমাদের আগে প্রতিষেধক চাই। প্রথম প্রতিষেধক দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে গুয়াহাটি অন্যতম রাজধানী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন, তিনি তাঁর সাধ্য অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের সব মানুষকে বিনা পয়সায় প্রতিষেধক দিতে চাইবেন বা চেষ্টা করবেন। কিন্তু কিভাবে দেবেন? প্রতিষেধক বিলির নিয়ন্ত্রণটা কেন্দ্রের হাতে রয়েছে। কেন্দ্র জানিয়ে দিয়েছে, কোনো রাজ্য আলাদা করে প্রতিষেধক বণ্টনের দায়িত্ব নিতে পারবে না। তাহলে সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্যে কিভাবে প্রতিষেধক যাবে? কবে যাবে? মমতা সেগুলো পশ্চিমবঙ্গে কিভাবে বণ্টন করবেন তা কিন্তু অজানা। যখন ভারতের রাজ্যগুলোতেই কোথায় যাবে, কোথায় যাবে না, তা স্পষ্ট নয়, তখন ভারতের বাইরে অন্য দেশে কিভাবে, কখন এই প্রতিষেধক পৌঁছবে সে প্রশ্নটা স্বভাবতই থাকে।

কিন্তু অন্য রাষ্ট্রগুলোর ক্ষেত্রে যা-ই হোক না কেন, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রতিবেশী বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে শেখ হাসিনার ঢাকাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবে ভারত। এ ব্যাপারে ঢাকায় কর্মরত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বলেছেন, করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রস্তুতি শেষ হলেই ভারত ভ্যাকসিন পাঠাবে। ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য প্রস্তুত এ কথা বাংলাদেশকেই বলতে হবে। বাংলাদেশকে গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং করোনার জন্য যে দায়বদ্ধতা, যে প্রতিশ্রুত দিয়েছে ভারত, সেটা অক্ষর অক্ষরে ভারত পালন করবে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই প্রতিষেধকের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকবে কি না? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামান্য জ্বর কিংবা যে জায়গায় ইঞ্জেকশনটা দুবার দেওয়া হবে, সেই জায়গায় একটুখানি প্রদাহ হতে পারে। এখন এই পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেশের মধ্যে করার পর কি ভারত বাংলাদেশে এই প্রতিষেধক পাঠাতে চাইছে? ভারতে যাঁরা স্বাস্থ্যকর্মী, যাঁরা চিকিৎসক তাঁদের ক্ষেত্রে এটা নেওয়া বাধ্যতামূলক। তাঁদের প্রথম এই প্রতিষেধকটা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সুতরাং ভারতেরও সব মানুষের কাছে প্রথমেই প্রতিষেধক পৌঁছবে না। এই প্রতিষেধক নেওয়াটাও বাধ্যতামূলক নয়। যাঁরা চাইছেন না, তাঁরা না-ও নিতে পারেন। কিন্তু করোনা নিয়ে রাজনীতি না করে নিরাপদ প্রতিষেধকের জন্য অপেক্ষা করাটাই বাঞ্ছনীয়। প্রতিষেধক নিয়ে রাজনীতি কাম্য নয়। বিরোধীদের রাজনীতি করার অনেক বিষয় আছে। এখন অর্থনীতির অবস্থা খারাপ। সেই অর্থনীতি কোথায় নিয়ে গিয়ে আমাদের দেশগুলোকে দাঁড় করাবে। এই পরিস্থিতিতে আমাদের সচেতন হতে হবে। সেখানে এ ধরনের মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলবে। ভারতে যে প্রতিষেধক আসবে সেগুলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত হতে হবে। সুতরাং অপেক্ষা করা ছাড়া এ ক্ষেত্রে কিন্তু আর কোনো বিকল্প পথ খোলা নেই। এখন বিরোধীরা বিরোধিতা করবেন। সব মিলিয়েই এই পরিস্থিতিতে আমাদের মনে হয় রাজনীতিমুক্ত হয়ে মাথাটা একটু ঠাণ্ডা রাখতে হবে। কেননা প্রতিষেধক বিলি না করার কোনো রকম রাজনীতি ভারতের দিক থেকে নেই। ভারত দেশের মধ্যে এবং বাংলাদেশে কাছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই প্রতিষেধক পৌঁছে দিতে চায়।

এখন শুধু এটাই প্রত্যাশা, ২০২১-এ এই প্রতিষেধক বিপ্লবের সন্ধিক্ষণে আমাদের এই হিলিং প্রজেক্ট সফল করতে হবে। মানুষকে রোগমুক্ত ও ভয়মুক্ত করতে হবে।

লেখক : নয়াদিল্লিতে কালের কণ্ঠ’র, বিশেষ প্রতিনিধি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা