kalerkantho

শনিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৪ রজব ১৪৪২

বিএসএমএমইউ'র নার্সিং হোস্টেলে ঝুলছিল নার্সের মরদেহটি

অনলাইন ডেস্ক   

১৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিএসএমএমইউ'র নার্সিং হোস্টেলে ঝুলছিল নার্সের মরদেহটি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নার্সিং হোস্টেল থেকে লাইজু আক্তার (২৭) নামে এক সিনিয়র স্টাফ নার্সের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। হাসপাতালের শিশু সার্জারির পাঁচ  নম্বর ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালন করতেন তিনি। 

গতকাল শনিবার (১৬ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি অপারেশন) মাহবুবুর রহমান আজ রবিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢামেক মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

লাইজু টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার সিঙেরবাড়ি গ্রামের আব্দুল লতিফের মেয়ে। তাঁর স্বামী সুজন পারভেজ একজন ব্যবসায়ী। রাজধানীর মিরপুর শেওড়াপাড়ায় থাকেন তিনি।

মাহবুবুর রহমান জানান, গতরাত ৮টার দিকে খবর পেয়ে বিএসএমএমইউয়ের নার্সিং হোস্টেল থেকে লাইজুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, লাইজুর সঙ্গে তানভীর নামে এক ব্যক্তির ভালো পরিচয় ছিল। বিষয়টি নিয়ে তাঁর পরিবার ও স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো ছিল না। এমনকি গত এক মাস ধরে স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল না তাঁর। এর জের ধরেই তিনি গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

লাইজুর ভাই জহুরুল ইসলাম জানান, গত পাঁচ বছর আগে একই এলাকার সুজনের সঙ্গে লাইজুর বিয়ে হয়। তাদের সংসারে লাবিব নামে দুই বছরী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। টাঙ্গাইলে তার দাদির কাছে থাকেন। লাইজু হোস্টেলে থেকে চাকরি করতেন। তিনি আরো জানান, বিএসএমএমইউয়ের তৃতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা তানভীর নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক  হয়। তানভীরের বাড়ি টাঙ্গাইলে।  বিষয়টি জানাজানি হলে, তানভীরকে বাসায় ডেকে এনে সর্তক করা হয়। এ নিয়ে স্বামীর সঙ্গে গত একমাস ধরে যোগাযোগ করেননি লাইজু। শনিবার রাতে খবর পাওয়া যায় লাইজু আত্মহত্যা করেছেন। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা