kalerkantho

বুধবার । ১৮ ফাল্গুন ১৪২৭। ৩ মার্চ ২০২১। ১৮ রজব ১৪৪২

রাজধানীতে শিশু পার্কের জায়গা রক্ষায় মানববন্ধন

নির্মাণাধীন বাড়ির কেয়ারটেকারের প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:১৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রাজধানীতে শিশু পার্কের জায়গা রক্ষায় মানববন্ধন

নিকুঞ্জে শিশু পার্কের জায়গা রক্ষায় মানববন্ধন

রাজধানীর নিকুঞ্জ-১ (দক্ষিণ) আবাসিক এলাকায় শিশু পার্কের জায়গা দখলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে এলাকার বাসিন্দারা। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় নিকুঞ্জ-১ এলাকায় শিশু পার্কের সামনে এ মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে পার্ক দখলের বিরুদ্ধে নানা ধরনের ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে বিভিন্ন বয়সের শতাধিক নারী-পুরুষ ও স্কুল শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। 

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, দুনীর্তি দমন কমিশনের সাবেক উপপরিচালক মো. আহসান আলী, সাংবাদিক জাহিদুজ্জামান ফারুক এবং এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী হায়দার আলী প্রমুখ। বক্তারা বলেন, রাজউকের কিছু অবৈধ কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসূত্রে শিশু পার্কের বরাদ্দকৃত জায়গার এই প্লটটি বারবার বিভিন্ন লোকের নামে লিজ দেওয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত কয়েক হাত বদল হয়েছে। বর্তমানে যিনি এটা কিনেছেন তিনি বারবার চেষ্টা করেছেন এখানে প্লট নির্মাণ করতে। কিন্তু নিয়মনীতি ভঙ্গ করে প্লট বরাদ্দের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আমরা মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি নিলে রাজউক প্লট দুটির বরাদ্দ এবং কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। বিষয়টি বর্তমান রাষ্ট্রপতির নজরের আনা হলে তিনিসহ জাতীয় সংসদের বর্তমান চিফ হুইপ নূর-এ-আলম চৌধুরী এবং তৎকালীন সংশ্লিষ্ট গণপূর্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি শিশু পার্কের প্লট বরাদ্দ বন্ধ করে বিকল্প প্লটের ব্যবস্থা নিতে রাজউককে নির্দেশ দেন। কিন্তু বেশ কয়েকবছর হলেও এ বিষয়ে রাউজক কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। কিন্তু হঠাৎ গত মাস থেকে আবার রাজউকের কিছু অসাধু কর্মচারী-কর্মকর্তাদের যোগসাজশে অনুমোদন নিয়ে প্লট দুটিতে বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। 

দুনীর্তি দমন কমিশনের সাবেক উপপরিচালক মো. আহসান আলী বলেন, আমরা চাই সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় যেন আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের চিত্ত বিনোদনের জন্য এই পার্ক এবং এলাকার উত্তর পাশের লেকটি যেন অক্ষত থাকে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে শিশু পার্ক, খেলার মাঠ, স্কুল-কলেজের জায়গা দখল করে কেউ কোনো স্থাপনা তৈরি করতে পারবে না। তাই প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কাছে আবার আবেদন পেশ করছি আমাদের এই শিশু পার্কের জায়গায় শিশু পার্ক নির্মাণ করে তাদের বেড়ে উঠার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হোক।

অন্যদিকে, উল্লেখিত জায়গার ‘মালিক’ ফকির আক্তারুজ্জামানের নির্মাণাধীন বাড়ির কেয়ারটেকার শহীদ মোল্লাসহ কয়েকজন মানববন্ধনের বিরুদ্ধে রাজউকের অনুমোদনসহ প্রমাণাদি নিয়ে প্রতিবাদ জানান। তারা বলেন, প্লট দুটি কখনোই পার্কের অন্তভুক্ত ছিল না। রাজউকের অনুমোদন নিয়েই প্লট দুটো কেনা হয়। বর্তমানে বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। তাই পার্ক দখল করার কোনো প্রশ্নই উঠতে পারে না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা