kalerkantho

শুক্রবার । ১০ বৈশাখ ১৪২৮। ২৩ এপ্রিল ২০২১। ১০ রমজান ১৪৪২

দেশকে তামাকমুক্ত করতে তামাক নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী তহবিল গঠনের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:০৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দেশকে তামাকমুক্ত করতে তামাক নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী তহবিল গঠনের আহ্বান

তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম গতিশীল রাখতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থের জোগান নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনিস্টিটিউটে ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করার লক্ষ্যে আয়োজিত সম্মেলন থেকে এই আহ্বান জানানো হয়।

বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট, দি ইউনিয়ন ও ডাব্লিউবিবি ট্রস্টের উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট সমন্বয়কারী সাইফুদ্দিন আহমেদ।

সম্মেলনে সরাসরি ও ভার্চুয়ালি বক্তৃতা করেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা সভাপতি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেছা বেগম, জাতীয় যক্ষা নিরোধ সমিতি সভাপতি মোজ্জাফ্ফর হোসেন পল্টু, ন্যাশনালহার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালেক, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রাণ গোপাল দত্ত, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) চেয়ারম্যান আবু নাসের খান, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর মহাপরিচালক স ম গোলাম কিবরিয়া, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল সমন্বয়কারী (যুগ্ম সচিব) মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রুমানা হক, দি ইউনিয়নের অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম প্রমুখ।

সম্মেলনে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, তামাকের উপর সবচেয়ে কম কর বাংলাদেশে। বিদ্যমান কর কাঠামো দিয়ে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়। তামাক নিয়ন্ত্রণে তামাকের কর বাড়ানোর বিকল্প নেই। তিনি আরো বলেন, ই-সিগারেট বন্ধে পার্শ্ববর্তী দেশগুলো কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমরা ব্যর্থ হচ্ছি। তামাক কম্পানিগুলো নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে প্রভাব বিস্তারের কারণে সরকারের তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

সাবেক উপাচার্য আরেফিন সিদ্দিক বলেন, অধুমপায়ীদের তুলনায় ধুমপায়ীদের মধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি ১৪ গুণ বেশী। ক্রমবর্ধমান রোগের জন্য জনসাধারণকে মানসম্মত চিকিৎসা প্রদান রাষ্ট্র ও সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এমতাবস্থায় স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ করে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করে তোলা জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুসারে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করতে হবে। জনস্বাস্থ্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তামাক কম্পানিগুলোকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

তামাক নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী তহবিল গঠনের আহ্বান জানিয়ে সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, তামাক থেকে প্রাপ্ত সারচার্জ তামাক নিয়ন্ত্রণের কাজে ব্যবহার হচ্ছে না। এ জন্য আমাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সম্মেলনে সারা দেশ থেকে ১২০টি সংগঠনের ১৫০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনের চারটি অধিবেশনে ৬ প্রবন্ধ উপস্থাপন ও তার উপর আলোচনা করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা