kalerkantho

শনিবার। ২ মাঘ ১৪২৭। ১৬ জানুয়ারি ২০২১। ২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

দিল্লির চিঠি

সচেতনভাবে এগোনোই আজ বড় অগ্রাধিকার

জয়ন্ত ঘোষাল   

১১ জানুয়ারি, ২০২১ ০৩:২০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



সচেতনভাবে এগোনোই আজ বড় অগ্রাধিকার

সময় দ্রুত ধাবমান অশ্বের মতো। অর্ধশতাব্দী আগে এ রকমই একটা জানুয়ারির শীতের দিনে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি ঢাকায় পৌঁছেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

ইতিহাস বিস্মৃত জাতি হওয়া কাঙ্ক্ষিত নয়। ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিক চাপে বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দেয়। জুলফিকার আলী ভুট্টো সেদিন শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎও করেন। বঙ্গবন্ধুকে লন্ডনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। যদিও তাঁর উদ্দেশ্য ছিল ঢাকা। পরদিন, মানে ৯ জানুয়ারি লন্ডনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর সাক্ষাৎ হয়। তারপর লন্ডন থেকে তিনি যখন ঢাকা ফিরছিলেন তখন দিল্লিতে তাঁর যাত্রাবিরতি হয়। বিমানবন্দরে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী এবং রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানান। তারপর ১০ জানুয়ারি তিনি ঢাকায় পৌঁছান। ৮ তারিখে কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার যে ঘটনা, সেটা আজও পৃথিবীর ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। একটা আন্দোলনের সমাপ্তি। এক নতুন যাত্রাপথের শুরুর মাইলপোস্ট।

দিল্লিতে একটা উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। ১০ তারিখে ঢাকায় পৌঁছলে তাঁকে এক অবিস্মরণীয় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি রেসকোর্স ময়দানে গিয়ে লাখ লাখ জনতার সামনে অশ্রুসিক্ত নয়নে তিনি জাতির উদ্দেশে বক্তব্য রেখেছিলেন। ৬ ফেব্রুয়ারি ভারত সরকারের আমন্ত্রণে যখন তিনি ভারতে যান, সেদিনের সেই উষ্ণ অভ্যর্থনা কিন্তু আজও ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ রচনার জন্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তারপর ২৮ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নে যান। ১২ মার্চ ভারতীয় মিত্রবাহিনী বাংলাদেশ ত্যাগ করে। এরপর ঘটনার স্রোত বয়ে গেছে বাংলাদেশ আর ভারতের পটভূমিতে।

আজ যখন অর্ধশতাব্দীকাল অতিবাহিত, তখন মুজিববর্ষে নতুন করে ইতিহাসের পটে সাম্প্রতিককে দেখার চেষ্টা আমরা করছি। এই সম্পর্ক রক্তের সম্পর্ক। এই সম্পর্ক নিছক কূটনীতির আনুষ্ঠানিক বোঝাপড়া নয়। ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্র অনেকেই। ভারতের নীতি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন ও রক্ষা। কিন্তু ভারত অন্য সব প্রতিবেশী রাষ্ট্রের থেকে বাংলাদেশকে একটা ভিন্ন চোখে দেখে। তার কারণ ১৯৭১। বাংলাদেশকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন। সে কথা কিন্তু ভারতের সংসদেও আলোচনা হয়। এ ব্যাপারে প্রস্তাব গৃহীত হয়। কোনো সন্দেহ নেই, সে সময়ে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। তৎকালীন মন্ত্রী ভারতের বিশিষ্ট বাঙালি নেতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকাও কিন্তু সর্বজনস্বীকৃত। আজ এত বছর পর যখন করোনা আক্রান্ত সময়ে নানা ধরনের কায়েমি শক্তি এই কভিড ভ্যাকসিনেশনের বণ্টন নিয়েও নানা ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে, নানা ধরনের ষড়যন্ত্র রচনার চেষ্টা করছে, সেখানে দ্ব্যর্থহীনভাবে ঢাকার ভারতের হাইকমিশনার সেই সব সংশয় দূর করে ঘোষণা করেছেন, এই প্রতিষেধক ঢাকাকে দেওয়ার ব্যাপারে অনেক আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই ঘোষণা থেকে কোনোভাবে ভারত সরে আসছে না। এই প্রতিষেধক বাংলাদেশকে দেওয়ার ব্যাপারে কোনো রকম নিষেধাজ্ঞা ভারতের দিক থেকে নেই।

ভারত নিশ্চয়ই ভারতের নিজের কথা আগে ভাববে। কিন্তু তার মানে এই নয়, ভারত বাংলাদেশকে প্রতিষেধক দিতে অক্ষম হবে। ভারত অন্যান্য রাষ্ট্রের মধ্যে বাংলাদেশকে যে বিশেষ অগ্রাধিকার দেবে, সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। এই বোঝাপড়া, এই ভালোবাসা, এই মৈত্রী—তা একটা বাস্তবের জমিতে সুপ্রতিষ্ঠিত। অর্থাৎ ইংরেজিতে একটা কথা আছে ‘The test of the pudding is in the eating’  অর্থাৎ বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের অতীতের ভালোবাসার সম্পর্কের যথার্থতা আজ প্রতিষ্ঠিত। সুষ্ঠুভাবে এই প্রতিষেধক বণ্টন আজ বড় একটা পরীক্ষা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে এ ব্যাপারে অগ্রাধিকার ও গুরুত্ব দিচ্ছেন। তিনি এ ব্যাপারে খুব সচেতন। এই প্রতিষেধক নিয়ে যে দুর্ভাগ্যজনক রাজনীতি হচ্ছে, সেই রাজনীতির মোকাবেলা করে বাংলাদেশকে সব রকমের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

কী বলেছেন হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী এই প্রতিষেধক বণ্টন নিয়ে? বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বলেছেন, বাংলাদেশে ভ্যাকসিন আসতে ভারতের কোনো বাধা নেই; কোনো নিষেধাজ্ঞাও নেই। তিনি বলেছেন, করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে ভারতের মানুষের পাশাপাশি প্রতিবেশীদেরও অগ্রাধিকার দেবে মোদি সরকার। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে হাইকমিশনার এ কথা বলেন। ভারতীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের তিন কোটি ডোজ কিনতে গত নভেম্বরই চুক্তি করেছে বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর সোমবার এই ভ্যাকসিন আমদানি ও জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনও দিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশে সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত ভ্যাকসিনের ‘এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটর’ বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কভিশিল্ড ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়ার এক মাসের মধ্যে ৫০ লাখ ডোজ টিকার প্রথম চালান পাঠানোর কথা সেরাম ইনস্টিটিউটের। কিন্তু সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী আদর পুনাওয়ালার বরাত দিয়ে গত রবিবার রাতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, রপ্তানি শুরুর আগে আগামী দুই মাস তারা ভারতের স্থানীয় চাহিদা পূরণ করতেই জোর দেবে। ওই খবরে নেপাল ও বাংলাদেশের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোতে টিকা পাওয়া বিলম্বিত হতে পারে বলে শঙ্কা তৈরি হয়।

তবে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান সোমবার দফায় দফায় সংবাদ সম্মেলন করে সবাইকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন। বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বলেন, ‘ভারতের একাধিক সংস্থা ভ্যাকসিন উৎপাদনপ্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং তাদের টিকা জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে রপ্তানির ক্ষেত্রে কোনো বিধি-নিষেধ দেওয়া হয়নি।’ তিনি আরো বলেন, বাকিটা নির্ভর করে কতটা ভ্যাকসিন তারা উৎপাদন করতে পারে তার ওপর। এটা এমন বিষয় না যা আমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না বা কেউ এটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এটা একেবারেই সাধারণভাবে উৎপাদনের ওপর নির্ভর করে। কম্পানি যত বেশি উৎপাদন করতে পারবে, তত বেশি তারা রপ্তানি করতে পারবে।’ দোরাইস্বামী বলেন, ‘এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো, তাদের শীর্ষ নেতৃত্ব এ বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন। সরবরাহ শুরু হতে দিন, তিনি ভ্যাকসিনের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কম্পানিও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তারা ভারত সরকারকে ভ্যাকসিন দেবে। তাদের উৎপাদন আর বিতরণের কাজটা শুরু করতে দিন।’

বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীর নাম—‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’। অসমাপ্ত কাজকে সমাপ্ত করার দায়িত্ব কিন্তু আজকের প্রজন্মের। তাঁর জীবনটা আপসহীন সংগ্রামের জীবন। তাঁর আত্মজীবনীর একটা জায়গায় তিনি লিখেছেন, জেলে থাকার সময় তিনি খুব মর্মাহত হয়ে পড়েন। যখন তিনি জানতে পারেন গৃহবন্দি হওয়ার কিছুদিন পরেই শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক সাহেবকে দিয়ে তাঁর সমর্থকরা বিবৃতি দিয়েছিলেন। তাতে অন্যায় স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি যুক্তফ্রন্টের নেতা। তাঁর এই কথায় মাথা নত হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের সকলের মাথা নত হয়ে পড়ল। যারা জেলে ছিলাম তাদের মনের অবস্থা কী হয়েছিল তা আজ লেখা কষ্টকর। খবরের কাগজ দেখে আমরা আশ্চর্য হয়ে গেছিলাম। তিনি বৃদ্ধ হয়ে গেছেন। তাঁর মনে দুর্বলতা আসতে পারে। যাঁরা বাইরে ছিলেন তাঁরা কী করলেন? সমস্ত জনসাধারণ তখন আমাদের সমর্থন করেছিল। হাজার হাজার কর্মী কারাগারে বন্দি। আমি ও আমার সঙ্গে যারা বন্দি ছিল, তারা এক জায়গায় বসে আলোচনা করলাম এবং স্থির করলাম, এই কৃষক-শ্রমিক দলের সঙ্গে আর রাজনীতি করা যায় না। এদিকে কারাগারে বসেও খবর পেতে লাগলাম যে কৃষক-শ্রমিক দলের কয়েকজন নামকরা নেতা, যাঁরা ১৯৫৩ সালে মুসলিম লীগ থেকে বিতাড়িত হয়েছেন। তাঁরা গোপনে গোপনে মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে আলোচনা চালিয়েছেন কিভাবে আবার মন্ত্রিত্ব পেতে পারেন। দরকার হলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক তাঁরা আর রাখবেন না।’ এসব কথা স্মরণ করে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, কারাগারে থাকতে থাকতে তাঁর মনে হয়েছিল, ‘এই ধরনের আপস তাদের আন্দোলনকে আরো নষ্ট করে দেবে।’ বঙ্গবন্ধুর জীবনে দেখেছি, মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পেয়েও তিনি মন্ত্রী না হয়েও দলের সংগঠনের কাজে মনোনিবেশ করেছিলেন।

সুতরাং তাঁর জীবনের মধ্যে আন্দোলনের প্রতি অগ্রাধিকার। পরবর্তীকালে রাষ্ট্র গঠনের জন্য অগ্রাধিকার। আজ এত বছর পরে তা স্মরণ করাটা শুধু বাংলাদেশ নয়, ভারতের মানুষের কাছেও একইভাবে জরুরি। মনে রাখতে হবে, এই রকম ৫০ বছর আগে ৭ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের ফয়সালাবাদ, যাকে বলে লায়ালপুর। সেই জেলে বঙ্গবন্ধুর গোপন বিচার হয়। তাঁকে দেশদ্রোহীর ঘোষণা করে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছিল। সেদিন যদি তাদের ক্ষমতা থাকত, তাহলে সেই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতো? বিভিন্ন দেশ এবং বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষ তখন বঙ্গবন্ধুর জীবনের নিরাপত্তার জন্য দাবি জানাতে শুরু করে। ২৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে জাতির জনক রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি প্রদানের দাবি জানানো হয়। ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো দেশ এবং আন্তর্জাতিক সব সংস্থার পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর মুক্তির জন্য পাকিস্তানের সরকারের কাছে আহ্বান জানানো হয়। শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। তিনি বাংলাদেশের স্থপতি। কাজেই পাকিস্তানের কোনো অধিকার নেই তাঁকে বন্দি করে রাখার। বাংলাদেশ এই রকমভাবে বহু রাষ্ট্রের স্বীকৃতি লাভ করে।

আজ এত বছর পর সে কথা মনে পড়ে। আজ ৫০ বছরের মুখে দাঁড়িয়ে যারা বাংলাদেশকে দুর্বল করতে চাইছে; বাংলাদেশ-ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে নানাভাবে, নানা গুজবের মধ্য দিয়ে, নানা অপপ্রচারের মধ্য দিয়ে দুর্বল করার চেষ্টা করছে, সেই শক্তিকে মোকাবেলা করতে হবে শুধু ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে রক্ষা করার জন্য। আমেরিকায় ২০ তারিখে ট্রাম্পের বিদায় আনুষ্ঠানিকভাবে আসন্ন। কিন্তু সেখানে ক্যাপিটল হিলে কী কাণ্ড ঘটেছে তা আমরা দেখেছি। মার্কিন গণতন্ত্রের কী বড় ধাক্কা যে ক্যাপিটল হিলের মতো জায়গায় আজকে এ রকম তাণ্ডব নৃত্য হলো। যেখানে থেকে একটু দূরে হোয়াইট হাউস, সুপ্রিম কোর্ট, পার্লামেন্ট, লিংকন হাউস। সাধু সাবধান! আজ যখন বিশ্বগণতন্ত্রের ওপর ধাক্কা এসে পড়ছে, তখন এই উপমহাদেশে শান্তি বজায় রাখার জন্য ভারত ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক এবং সুষ্ঠু ভালোবাসার সম্পর্ককে, মৈত্রীর সম্পর্ককে দৃঢ় রাখার জন্য আমাদের বাস্তববাদী পথে সচেতনভাবে এগোনোই হচ্ছে আজ সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।

লেখক : নয়াদিল্লিতে কালের কণ্ঠ’র
বিশেষ প্রতিনিধি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা