kalerkantho

সোমবার । ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭। ৮ মার্চ ২০২১। ২৩ রজব ১৪৪২

বাম গণতান্ত্রিক জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ

মিছিল-সমাবেশের ওপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৯:২৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিছিল-সমাবেশের ওপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি

রাজধানীতে মিছিল-সমাবেশের ওপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতৃবৃন্দ। সোমবার রাজধানীর পল্টন মোড়ে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃবৃন্দ তাজরীন ও এ ওয়ানের শ্রমিকদের উপর পুলিশি হামলা ও উচ্ছেদের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন।

বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতনের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইউসিএলবি’র সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, বাসদ কেন্দ্রীয় নেতা খালেকুজ্জামান লিপন, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের সভাপতি হামিদুল হক, গণসংহতির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা মীর মোফাজ্জল হোসেন মোস্তাক, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির নেতা শহীদুল ইসলাম সবুজ ও বাসদ (মার্কবাদী) কেন্দ্রীয় নেতা ফখরুদ্দিন কবির আতিক।

নেতৃবৃন্দ বলেন, এ সরকার রাতের আঁধারে ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতাসীন হয়েছে। তাই তারা রাতের আধারেই অসহায় মানুষকে আক্রমণ করে তাদেরকে দমন করতে চায়। সে কারণেই এ ওয়ানের শ্রমিকরা ১১ মাস ধরে মজুরি বঞ্চিত। তাদের মজুরি দেয়ার ব্যবস্থা না করে লাঠিপেটা করেছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, তাজরীনের আহত শ্রমিকরা তিন দফা দাবিতে গত আশি দিন ধরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে উন্মুক্ত আকাশের নিচে অবস্থান করেছে। তাদের দাবি সরকারের কানে প্রবেশ করেনি। সরকার গার্মেন্ট মালিকদের নির্দেশে পুলিশ দিয়ে নিপীড়ন করে আহত শ্রমিকদের পুনরায় পিটিয়ে আহত ও উচ্ছেদ করেছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, এ সরকার পাটকল, চিনিকলসহ সকল রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিমালিকানায় দিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। ইতোমধ্যে সব পাটকল বন্ধ করে দিয়েছে। এখন ৬টি চিনিকল বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এই রাষ্ট্রবিরোধী শ্রমিক বিরোধী অনির্বাচিত সরকারের আর ক্ষমতায় টিকে থাকার কোন অধিকার নাই। নেতৃবৃন্দ তাজরীনের আহত শ্রমিকদের তিন দফা ও এ ওয়ান শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি অবিলম্বে পরিশোধের দাবি জানান। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা