kalerkantho

মঙ্গলবার। ৫ মাঘ ১৪২৭। ১৯ জানুয়ারি ২০২১। ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪২

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বললেন

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের অপচেষ্টা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ২১:৩৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের অপচেষ্টা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে

ফাইল ফটো

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের অপচেষ্টা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

আজ শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের জেলা গণগ্রন্থাগার মিলনায়তনে নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের নব নির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান ২০২০ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু অবিচ্ছেদ্য উল্লেখ করে তিনি এ সময় বলেন, "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি অবিনাশী সত্তা। একটি আদর্শ। একটি দর্শন। প্রতিষ্ঠিত একটি ইনস্টিটিউশন।তিনি বিশ্ব পরিমণ্ডলে নির্যাতিত মানুষের আশা-আকাঙ্খার বিমূর্ত প্রতীক। তিনি মৃত্যুঞ্জয়ী। তাঁকে এভাবে কখনো নিঃশেষ করা যায় না। যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করি, অসাম্প্রদায়িকতায় বিশ্বাস করি, পারস্পারিক ধর্মবিশ্বাসে বিশ্বাস রাখি, তারা সবাই মিলে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে।"

নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবদুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম সেলিম ওসমান। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এর সভাপতি মোল্লা জালাল। বিএফইউজে-এর মহাসচিব শাবান মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মোহাম্মদ আলী, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম, র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল খন্দকার সাইফুল আলম, দৈনিক সংবাদের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কাশেম হুমায়ুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সেলিম রেজা, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব সাজ্জাদ আলম তপু ও বিএফইউজে এর কোষাধ্যক্ষ দীপ আজাদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন  বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে।

এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, "গণমাধ্যম মুক্ত মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে না পারলে ত্রুটি-বিচ্যুতি ধরার কেউ থাকবে না। গণমাধ্যম যত শক্তিশালী থাকবে, রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্র ততো বেশি সমৃদ্ধ হবে। গণতন্ত্র তত এগিয়ে যাবে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন গণমাধ্যমকে অবাধ স্বাধীনতা দিতে হবে। তিনি সাংবাদিকবান্ধব। শেখ হাসিনা তথ্য অধিকার আইন করে দিয়েছেন। কারণ তিনি বিশ্বাস করেন রাষ্ট্রের মালিক জনগণ।তিনি তথ্যের অবাধ প্রবাহকে উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য আইনও প্রক্রিয়াধীন আছে। বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের জন্য সংবেদনশীল। তবে সাংবাদিকদের কাছ থেকে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা কাম্য।"

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা